খুঁজুন
, ,

বাখমুত দখল করতে পারেনি রাশিয়া, দাবি জেলেনস্কির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 22 May, 2023, 10:15 am
বাখমুত দখল করতে পারেনি রাশিয়া, দাবি জেলেনস্কির

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় বাখমুত শহর এখনও দখল করতে পারেনি রাশিয়া, এমনই দাবি করেছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। যদিও ধ্বংসপ্রাপ্ত এই শহর পুরোপুরি দখল করা হয়েছে বলে আগেই দাবি করেছে রাশিয়া।

ইউক্রেনের বৃহৎ এই সমতল শহরটিতে হামলার নেতৃত্বে ছিল রুশ ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের সৈন্যরা। তারাও এই শহরটি থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল। রোববার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কো-সমর্থিত ভাড়াটে যোদ্ধারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করলেও ভলোদিমির জেলেনস্কি জোর দিয়ে বলেছেন, বাখমুত শহর ‘দখল করতে’ পারেনি রাশিয়া। জাপানে গ্রুপ অব সেভেন বা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য হিরোশিমা সফরের সময় ইউক্রেনীয় এই প্রেসিডেন্ট একথা বলেন।

রুশ ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভজেনি প্রিগোজিন এর আগে বাখমুতে তাদের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তার সৈন্যরা শেষ পর্যন্ত শহরের অভ্যন্তরে সর্বশেষ এলাকা থেকে ইউক্রেনীয়দের সরিয়ে দিয়েছে। পরে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এই দাবি সামনে আনে।

সোভিয়েত আমলে বাখমুতের নাম ছিল আর্টিওমভস্ক। বাখমুতের দখল নিয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ওয়াগনার অ্যাসল্ট ইউনিটের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের ফলে এবং আর্টিলারি ও সাউদার্ন গ্রুপ অব ফোর্সের বিমান হামলার মাধ্যমে আর্টিওমভস্ককে মুক্তির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।’

তবে ইউক্রেনের সামরিক সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, শহরের উপকণ্ঠে কয়েকটি ভবনের নিয়ন্ত্রণ এখনও তাদের হাতে রয়েছে।

বিবিসি বলছে, জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিনে সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বাখমুত পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট বিবরণ দিতে অস্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, গত বছরের আগস্ট থেকে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলা এই শহরটি ‘আজ পর্যন্ত’ রাশিয়া ‘দখল’ করতে পারেনি।

বাখমুত শহরের অবস্থা সম্পর্কে তার পূর্ববর্তী মন্তব্য সম্পর্কে বিভ্রান্তির জেরে তিনি আরও বলেন, ‘(তার এখন বলা কথার) কোনও দুই বা তিনটি ব্যাখ্যা বা অর্থ নেই।’

অবশ্য শনিবার পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ওয়াগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন দাবি করেন, বাখমুতে রাশিয়ান হামলার নেতৃত্ব দেওয়া তার যোদ্ধারা শহরের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা, রুশ বাহিনীকে হটাতে পাল্টা আক্রমণ, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাওয়াসহ নানান বিষয়ে কথা বলেন।

ইউক্রেনীয় এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, রুশ সেনারা তার দেশে হামলা চালিয়ে সভ্যতাকে পদদলিত করেছে। তার ইচ্ছা, একদিন দখলকৃত সব শহর থেকে রুশ বাহিনীকে হটিয়ে দেবেন এবং সেগুলো পুনর্গঠন করবেন। এসময় তিনি বাখমুতকে জাপানের হিরোশিমা শহরের সঙ্গেও তুলনা করেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা স্বপ্ন দেখি উত্তর দিকে রাশিয়ার দখলকৃত যেসব অঞ্চল আমরা ফিরিয়ে নিয়েছি সেভাবে সব অঞ্চল ফিরিয়ে নেব। আমাদের অবশ্যই পূর্ব ও দক্ষিণ দিকের অঞ্চলগুলো ফিরে পেতে হবে। যে অঞ্চলগুলো রাশিয়ার দখলে আছে সেখানে আমাদের মানুষদের ফেরানোর স্বপ্ন দেখি।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি হিরোশিমায় এসেছি, যেন বিশ্ব ইউক্রেনের ঐক্যের ডাক শুনতে পায়। যেখানেই সভ্যতা আছে সেখানেই রাশিয়া সবকিছু পদদলিত করেছে।’

রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে বহুল প্রতীক্ষিত পাল্টা আক্রমণ শুরুর সময় নিয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘যখন পাল্টা আক্রমণ শুরু হবে রাশিয়া এটি টের পাবে।’

তিনি দাবি করেছেন, জি-৭ জোটের নেতাদের কাছ থেকে ‘ভালো অস্ত্র’ পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। অস্ত্র দেওয়ার জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় এই প্রেসিডেন্ট।

Feb2
Feb2

পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:31 am
পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ২ টন খনিজ কয়লা ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি কাঠের বোট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। জব্দ করা কয়লার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বোট দুটি থেকে প্রায় ২ টন খনিজ কয়লা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি সাম্পান বোটও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা কয়লা ও বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 9:22 am
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

রেলপথে নাশকতা ঠেকাতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করছে, তারা নাশকতাকারী এবং জুলাই-আগস্টে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন না করে নাশকতা করছে। দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে এবং তারা পালিয়ে গেছে। এখন জনসমর্থন না থাকায় পরাজিত ও পলাতক সেই শক্তি নাশকতার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা বাস্তবায়ন করেছে। নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ, আরএনবি, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাশকতাকারীরা যেসব স্থান দিয়ে রেলস্টেশনে প্রবেশ করতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিডিয়ার সামনে কথা বলতে অভ্যস্ত নন। তবে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের স্থান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে বোঝা যায়, যারা এই কাজ করেছে তারা পরিকল্পনা করেই এসেছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, যেখানে আগুন লাগানো হয়েছে সেখানে অন্ধকার ছিল। স্টেশনে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এর বাইরে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা নাশকতাকারী, তারা নাশকতার চেষ্টা করবেই। নাশকতা করে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যায়নি। বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এবং তারাই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। নাশকতাকারীদের জনগণ ও প্রশাসন মিলে প্রতিহত করবে।

রেলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে প্রশাসন, আরএনবি, পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়েছে। এখন আরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে কোনো দিক দিয়ে অঘটন না ঘটে। দুষ্কৃতিকারীরা চেষ্টা করবে, একই সঙ্গে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টাও করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে। তবে এর কারণে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:42 am
যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন।