খুঁজুন
, ,

অস্ত্র হাতে মিছিলের নেতৃত্বে এমপি মোস্তাফিজ, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 23 May, 2023, 4:57 pm
অস্ত্র হাতে মিছিলের নেতৃত্বে এমপি মোস্তাফিজ, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

পিস্তল হাতে মিছিলের নেতৃত্ব দিয়ে ভাইরাল হয়েছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের বিশেষ শাখাকে (ডিএসবি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ।

মঙ্গলবার (২৩ মে) গণমাধ্যমকে জেলা পুলিশ সুপার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অস্ত্র হাতে এমপির মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার ছবিটি পেয়েছি। অস্ত্রটি বৈধ নাকি অবৈধ এবং কেন প্রদর্শন করেছেন- এসব প্রশ্নের খোঁজ নিতে ডিএসবিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা তদন্ত করে জানালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, এসপির নির্দেশনায় কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, সোমবার (২২ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি মিছিল বের করা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মিছিলটি সেখানে এসে শেষ হয়। পিস্তল হাতে মিছিলের নেতৃত্ব দেন এমপি মোস্তাফিজ। পিস্তল হাতে মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ার ছবি ও ভিডিও রাতেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এমপি মোস্তাফিজুর। সেসময় তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নয়, তিনি বিশ্বের নেত্রী। তাকে বিএনপির এক নেতা প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। তাই আর শান্তি নয়, আমরা এবার বিএনপিকে প্রতিরোধ করব। রাস্তায় পেলে আমরা তাদের ছাড় দেব না। বিএনপিকে বলতে চাই, তোমরা আগুন সন্ত্রাস করলে আমরা তোমাদের বের হতে দেব না।

ভিডিও ভাইরালের পর ব্যাগ থেকে পিস্তল বের করা প্রসঙ্গে এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে মারবে আমরা কি চেয়ে থাকব? এটা কী জন্য নেওয়া হয়েছে? বিপদের সময় ব্যবহার করার জন্য এটা (পিস্তল) নেওয়া হয়েছে। নিজের নিরাপত্তার জন্য লাইসেন্স করা পিস্তল নেওয়া হয়েছে।

এর আগে নিজের গাড়িতে বসে এমপি মোস্তাফিজুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও গালাগালি করার একটি ভিডিও ফেসবুক-ইউটিউবে ভাইরাল হয়েছিল।

Feb2
Feb2

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ইনফান্তিনোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট গঠন, ফিফাকে ‘অচল করার’ পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 8:30 am
ইনফান্তিনোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট গঠন, ফিফাকে ‘অচল করার’ পরিকল্পনা

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যেন অথৈ সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন। অথচ খুব সহজেই টানা চতুর্থবার ফিফা প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল তার। সব টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বেসরকারি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা হিসাবনিকাশ পাল্টে দিলো। এই পরিকল্পনা বাতিল করেও রেহাই পাচ্ছেন না। তাকে গদি থেকে নামাতে এবার একজোট হয়েছেন উয়েফা, কনকাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের নেতারা।

ইতালিয়ান-সুইস প্রশাসকের ওপর আস্থা হারানোর কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছিল উয়েফা। আগামী মার্চের নির্বাচনে তাকে পুনঃনির্বাচনে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে ইংলিশ ও ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এমন অবস্থায় চাকরি বাঁচানো তার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু গণমাধ্যমের দাবি, টিকে থাকতে সোমবার হোয়াইট হাউজে ‘বন্ধু’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্য চেয়েছেন তিনি।

আর এবার দ্য টাইস এক প্রতিবেদনে বলেছে, ইনফান্তিনো পদত্যাগ না করলে ‘ফিফাকে অচল’ করতে তিন কনফেডারেশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই প্রতিবেদনে যোগ করা হয়েছে, ফিফা প্রেসিডেন্ট যদি ক্ষমতায় থেকে যান এবং আগামী নির্বাচনে লড়াই করতে চান, তাহলে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করে রেখেছে তারা।

এর মধ্যে রয়েছে নিজেদের মতো করে একটি ‘বিদ্রোহী’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে এই তিন ফুটবল সংস্থা। আর ‘সরকারি বয়কট’ তো রয়েছেই। এর মানে তারা ফিফার সিদ্ধান্ত কিংবা পরিষদ ও কমিটি বৈঠকে থাকতে অস্বীকৃতি জানাবে।

দ্য টাইমস এক সূত্রের বরাত দিয়ে লিখেছে, ‘সবাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে তাকে যেতেই হবে। তা না হলে আমরা তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। এর মধ্যে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাও রয়েছে – দক্ষিণ আমেরিকার বড় দেশগুলো কি ফ্রান্স বা স্পেন নাকি লেবানন বা জিবুতির সঙ্গে খেলতে বেশি পছন্দ করবে? সবাই খুব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এখন আর পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।’

জানা গেছে, বেশ কিছু দেশ ইনফান্তিনোর ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত কেবল ১৫ দেশের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। অথচ সপ্তাহখানেক আগেও মার্চের পুনঃনির্বাচনে দাঁড়াতে ৫৬ বছর বয়সী ২১১ ফিফা সদস্যের প্রায় সবার সমর্থন পেয়েছিলেন। জিততে তার ১০৬ ভোটের দরকার ছিল।

এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেননি। অবশ্য ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত হাতে সময় আছে। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশ ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি জানালে জরুরি ফিফা পরিষদ বৈঠক ডাকতেই হবে।