খুঁজুন
, ,

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরাই আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 May, 2023, 11:25 pm
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরাই আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে

আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অতীতেও অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যাপ্রচেষ্টা হয়েছে। কোন ষড়যন্ত্রই আওয়ামী লীগ ও শেখ নিচিহ্ন করতে পারেনি, পারবেওনা। বরং যারা আওয়ামী লীগকে ধাক্কা দিতে চেয়েছে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে এবং হবে। কারন আওয়ামীলীগ সবসময় জনগনের সাথে ছিল, আছে এবং থাকবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগে আর কেউ অপরিহার্য নয়। তিনিই একমাত্র নেত্রী এবং আমরা সকলেই তার বিশ্বস্ত কর্মী। এটাই আমাদের অহংকার ও গর্ব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাননাশের হুমকি ও বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে রবিবার (২৮ মে) বিকেলে আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন তারা।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খানম এমপি বলেন, এই বিপ্লব তীর্থ চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম. এ হান্নান ও চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চট্টগ্রাম। এই মাটি কখনো পরাভব মানেনি। যারা স্বাধীনতা চায়নি এবং এখনো পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখছে এই মাটি থেকেই তাদের মরণযাত্রা শুরু হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ বছর ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থেকে একটি অনুন্নত ও গরীব দেশ এখন উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। অনেক দুর্যোগ-দুর্বিপাকের মধ্যেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবেই। এটা হয়তো বা কোনো কোনো মহলের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা বিগত দিনে কম করে ২১বার শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালিয়েছে। আল্লাহর রহমতে সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন এবং আমাদের সকলের মঙ্গল, কল্যাণ ও প্রগতির জন্য তিনি বেঁচে থাকবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি বলেন, একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া আওয়ামী লীগে আর কেউ অপরিহার্য নয়। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। এখনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে এবং ষড়যন্ত্র হবেই; তবে কোন ষড়যন্ত্র আওয়ামী লীগকে নিচিহ্ন করতে পারেনি, বরং যারা আওয়ামী লীগকে ধাক্কা দিতে চেয়েছে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আজকের এই জনসভায় সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক জনগণের উপস্থিতির মাধ্যমে জানান দিতে চাই কোন শক্তি আওয়ামী লীগকে রুখতে পারবে না। যারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কবরে পাঠানোর হুমকি দিয়েছে তাদেরকেই কবরে যেতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, আমরা অনেক সহ্য করেছি আর সহ্য করবো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়া মাত্রই আমরা ডাইরেক্ট অ্যাকশন এ যাবো। মনে রাখতে হবে এটা ১৯৭৫ সাল নয় এটা ২০২৩ সাল। আগামী বছর জানুয়ারিতে যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেই নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার জন্য এখন থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

জনসভা চলাকালে মঞ্চের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় যুবলীগের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ি হয়। এতে কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন। পরে নেতারা মধ্যস্ততায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। দুটি গ্রুপকে দুই দিকে সরিয়ে দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী ও শফিকুল ইসলাম ফারুকের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপত্বি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, এম. জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, উপদেষ্টা সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ এমপি, শফিক আদনান, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হাসান মাহমুদ শমসের, এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, দিদারুল আলম চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য আব্দুল লতিফ টিপু, ড. নেছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু, মহানগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহ্বায়ক এ.এইচ.এম. জিয়াউদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক কে.বি.এম. শাহজাহান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর। এছাড়া ১৫ টি থানা, ৪৪টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা মিছিল সহকারে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন।

Feb2
Feb2

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।

যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 10:31 pm
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে আরও ৭ জনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচ। এছাড়া ইতোপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।