খুঁজুন
, ,

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কোন অজুহাতেই বৃদ্ধি না হয় সেদিকে কঠোর দৃষ্টির আহ্বান সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 January, 2020, 8:16 pm
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কোন অজুহাতেই বৃদ্ধি না হয় সেদিকে কঠোর দৃষ্টির আহ্বান সুজনের

জনগনের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম যাতে কোন অজুহাতেই বৃদ্ধি না হয় সেদিকে কঠোর দৃষ্টি দানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারী) সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে নাগরিক উদ্যোগের এক বিশেষ সভায় উপরোক্ত আহবান জানান।

এ সময় সুজন বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশের সাধারন মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ঠিক সে সময়ে এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে অহেতুক জনসাধারনকে ভোগান্তিতে ফেলে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের এ ষড়যন্ত্রে জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। যখনই দেশে একটি স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করে তখনই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে।

আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে সেই সকল অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা এখন থেকেই জনগনের নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধির অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তিনি সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের এহেন অব্যবসায়ী সূলভ কর্মকান্ডে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেন হঠাৎ করে ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। কি কারণে ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি করা হবে তা জনগন জানতে চায়।

তিনি আর্ন্তজাতিক বাজারে তেলের দাম যাচাই পূর্বক যৌক্তিক কোন কারণ ছাড়াই যদি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয় তাহলে সে টাকা ফেরত নেওয়ার জন্যও সরকারের উর্দ্ধতন মহলের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান।

তিনি আসন্ন রমজানে জনগন যাতে কোন প্রকার ভোগান্তি কিংবা হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই রোজাদারদের ব্যবহার্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী যেমন চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, আলু, লবন, মরিচ এবং মসলা সহ অন্যান্য সামগ্রীর প্রয়োজনীয় মওজুদ নিশ্চিত করার জন্য বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট বিশেষ আহবান জানান। যাতে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা কোন অজুহাতেই রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে না পারে। এসব পণ্যের নূন্যতম মূল্য নির্ধারণ করে রাখার জন্যও সরকারের নিকট অনুরোধ জানান তিনি।

আর যৌক্তিক কারণে যদি এসব পণ্যের দামও বৃদ্ধি হয় তাহলে ভর্তুকি কিংবা প্রণোদনা দানের মাধ্যমে এসব পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার উদাত্ত আহবান জানান সুজন।

তিনি আরো বলেন, নতুন বছরে গ্রাহকদের প্রত্যাশা তাদের দীর্ঘদিনের কাংখিত গ্যাস সংযোগ প্রদান করবেন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড। এভাবে বছরের পর বছর গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে গ্যাস সংযোগ প্রদান না করাটা অন্যায়। তিনি অবিলম্বে নগরীতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুরো শহরকে প্রিপেইড মিটারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

তিনি ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দ বারবার তাগাদা দিয়ে আসলেও ওয়াসার বিরুদ্ধে গ্রাহকদের গড় বিলের অভিযোগ বরাবরই রয়ে গিয়েছে। তিনি ওয়াসার গ্রাহকদেরও প্রিপেইড মিটারের আওতায় নিয়ে আসার আহবান জানান।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের বার বার নির্দেশনা সত্বেও কিছু সংখ্যক বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টান জোর পূর্বক শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। এসব অবৈধ অর্থ আদায়ের মাধ্যমে তারা একদিকে সরকারের আইন কানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করছে অন্যদিকে আয়কর ফাঁকির মাধ্যমে অবৈধ কালো টাকার পাহাড় গড়ছে। এসব বেসরকারী স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানান তিনি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, শেখ মামুনুর রশীদ, এ.এস.এম জাহিদ হোসেন, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, মোঃ শাহজাহান, শিশির কান্তি বল, সোলেমান সুমন, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ নাছির, হাসান মোঃ মুরাদ, রাজীব হাসান রাজন, মোঃ ওয়াসিম, মাহফুজ চৌধুরী, আব্দুল জাহেদ মনি, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, মিজানুর রহমান জনি, মনিরুল হক মুন্না প্রমূখ।

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।