খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্তিকা ও পানি ছাড়া জীবন কল্পনা করা যায়না: বিভাগীয় কমিশনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
মৃত্তিকা ও পানি ছাড়া জীবন কল্পনা করা যায়না: বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেছেন, মৃত্তিকা একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। মৃত্তিকা ও পানি উভয়েই হলো জীবনের ভিত্তি। এ দুটি ছাড়া জীবন কল্পনা করা যায়না। পৃথিবীর সব প্রাণি ও উদ্ভিদের জীবনে মাটি ও পানির গুরুত্ব অপরিসীম। এই মাটি ও পানি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। মানুষের কৃষি গঠনে মাটির অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে। মৃত্তিকা, ভুমি সম্পদ, ফসল উৎপাদন, কলাকৌশল. মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, মানসম্মত সার ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমুহ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে।

আজ ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

আলোচনা সভার পূর্বে দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ‘মাটি ও পানি জীবনের উৎস’ এ শ্লোগানকে ধারণ করে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসআরডিআই চট্টগ্রামের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এন এম জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসআরডিআই’র সিএসও ড. মোঃ আফছার আলী ও চট্টগ্রাম ডিএই’র ডিডি মোহাম্মদ আবদুচ ছোবহান।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সভায় মূল্যবান দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন। বিভিন্ন দফতরের প্রধানগণ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে মূল্যবান মতামত পেশ করেন।

সভায় জানানো হয়, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ৫ ডিসেম্বর ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। স্বাস্থ্যকর মাটির গুরুত্বের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা ও মৃত্তিকা সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার পক্ষে সমর্থন করার জন্য প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত হয়। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ২০১৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ পালন করেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ২০১৫ সাল থেকে ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ পালন করে আসছে। ২০১৭ সাল থেকে ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ উদযাপনে ‘সয়েল কেয়ার এ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তন করা হয়।

জাতীয়ভাবে মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক অবদানের জন্য ৩ জনের মাঝে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে ১ জন শিক্ষাবিদ, ১ জন মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও ১ জন কৃষক। এছাড়া সয়েল সায়েন্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এসএসএসবি) এর ব্যবস্থাপনায় ও বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্রদের সংগঠন ‘সয়েল ক্লাব’র সহযোগিতায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীগণের মধ্যে মৃত্তিকা বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ‘সয়েল অলিম্পিয়াড’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ২০২১ সালে ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ উদযাপনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করতে কৃষি মন্ত্রণালয় ‘সয়েল কেয়ার এ্যাওয়ার্ড’ ও ‘সয়েল অলিম্পিয়াড’-এর পাশাপাশি জাতীয়ভাবে মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক অবদানের জন্য ১ জন উপজেলা কৃষি অফিসার, এসআরডিআই-এ কর্মরত ১ জন মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও ১ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পুরস্কার’-এ সম্মানিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস-২০২৩’ উদযাপনেও জাতীয়ভাবে উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।

Feb2

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশকে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতার’ পাশাপাশি ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে সদর দপ্তর।

আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়েছে।

দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর পাঠানো ওই বার্তায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে দলটির ‘সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন’ করার কথা বলা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, সেদিন দলটির তরফে দেশের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করতে পারে।

এর ফলে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সাথে ‘সংঘর্ষ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে’।

পাশাপাশি তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর উপর ‘ক্ষুব্ধ হতে পারে’ বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে।

এ অবস্থায় এসব বিষয় গুরুত্বে নিয়ে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে ওই বার্তায়।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে সারা দেশে ওই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, তারা এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন।

তবে তার ভাষ্য, “স্পেসিফিক কোন থ্রেট, আশঙ্কা কোনো কিছু নাই। আমরা সতর্ক আছি।”

তিনি বলেন, “সারা বছরে বিভিন্ন প্রোগ্রাম লেগেই থাকে। আমাদের সামনে বড় প্রোগ্রাম যেটা ১০ মহররম আশুরার প্রোগ্রাম। সাথে ২৩ জুন একটা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। তো আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।”

নগরবাসীকে নিরাপত্তা দিতে ‘বিগত দিনের মতই’ পুলিশের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা বহাল থাকার কথা বলেন তিনি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, “আমরা নতুন করে পরিকল্পনা… নতুন করে নিরাপত্তা চেকপোস্ট এবং অপারেশন, এটা আমাদের অব্যাহত আছে এবং থাকবে।”

আন্দোলনের মুখে চব্বিশের ৫ অগাস্ট দেশে ছেড়ে ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা।

এর তিন দিন বাদে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে একে একে গ্রেপ্তার হতে থাকেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও প্রভাবশালী সংসদ সদস্যরা। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থাকা অন্যদলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগের বাকি জ্যেষ্ঠ নেতাদের অধিকাংশই রয়েছেন আত্মগোপনে। ফলে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তারা নেই।

আন্দোলন দমাতে শত শত মানুষকে হত্যার মত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ আওয়াম লীগ নেতাদের বিচার চলছে, আর সেই বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে মাঝেমধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর আসে। এসব মিছিল থেকে কখনো ধরপাকড়ও করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আরও কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইকোসক হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টের উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ওপর অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সংঘাত প্রতিরোধে অধিক বিনিয়োগ এবং মানবিক, শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ওপর চলমান অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে প্রতিমন্ত্রী ভিয়েতনামের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. নগুয়েন মিন ভুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক অঙ্গনে সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল মেক্সিকো। আর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা রইল অব্যাহত। সং হিউয়েন মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নক আউট পর্বে জায়গা করে নিল বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা।

জাপোপানে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে মেক্সিকোর খেলাতে ছিল না তেমন গতি। অন্যদিকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকেন সং হিউয়েন মিনরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলা গতি বাড়িয়ে দেয় স্বাগতিকরা। কিন্তু প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সুবিধা করতে পারেনি কোনো দল। গোল শূন্য ব্যবধানেই বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতি থেকে ফিরে গোল আদায় করে নিতে বেশিক্ষণ সময় নেয়নি মেক্সিকো। যদিও গোলটা এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সুং গিউয়ের ভুলে।

একটি ক্রস থেকে আসা বল ধরতে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে আসেন কিম। কিন্তু নিজ দলের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কারণে বলটি আয়ত্ব করতে পারেননি তিনি। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান লুইস রিমো। আলতো করে টোকা দিয়ে বল পাঠান জালে। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেক্সিকো।

এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক মেক্সিকো।

এ জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে মেক্সিকো। তাতেই গ্রুপে তাদের অবস্থান সবার ওপরে। এদিকে সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার। এছাড়া একটি করে পয়েন্ট সংগ্রহ করে যথাক্রমে তিন ও চার নম্বরে অবস্থান করছে চেচিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।