খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নগরবাসীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে সিএমপি : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২০, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
নগরবাসীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে সিএমপি : সুজন

নগরীর আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃংখলা ফিরিয়ে নগরবাসীর আস্থা অর্জন করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ(সিএমপি) সক্ষম হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ রবিবার (৫ জানুয়ারী) বিকেলে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার এস এম মোস্তাক আহমেদ খান এর সাথে তার দপ্তরে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় কালে উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।

এ সময় সুজন বলেন চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। ভৌগলিক দিক থেকেও এ শহরের গুরুত্ব অত্যধিক। বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে জীবন ও জীবিকার তাগিদে বিপুল সংখ্যক জনগনের বসবাস। এ বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে নিরাপত্তা দেওয়া এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। আর এ চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করেই সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দূর্নীতি এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টরালেন্স নীতি অনুসরণের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।

তিনি বলেন,ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিটি ইউনিট অত্যন্ত দক্ষতা, সাহসিকতা এবং পেশাদারিত্বের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের এ অগ্রযাত্রায় সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করছে চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারন। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীকে একটি উন্নততর বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে মেধা, মনন ও প্রশিক্ষণের সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে। জনগনের যে কোন বিপদে আপদে পুলিশ বন্ধুর হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। স্থানীয় থানাগুলো জনগনের আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আইন শৃংখলার পাশাপাশি নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃংখলা ফিরিয়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

সুজন নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সয়ংক্রিয় এবং আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ জানান।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার এস এম মোস্তাক আহমেদ খান নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দকে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা বিধানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল সদস্য অত্যন্ত আন্তরিকতা এবং বিশ্বস্ততার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে পুলিশের প্রতিটি সদস্য।

সন্ত্রাস, দূর্নীতি এবং মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সবসময়ই অব্যাহত থাকবে বলে অঙ্গীকার করে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে সুশাসন নিশ্চিত করাই পুলিশ বাহিনীর লক্ষ্য। তিনি জনগনকে নিরাপদে নির্ভয়ে পুলিশ বাহিনীকে সহযোগিতা করারও আহবান জানান। নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। তাছাড়া জেব্রা ক্রসিং এবং গাড়ী পার্কিং এর জায়গা চিহ্নিত করণের জন্য সিটি কর্পোরেশনকে উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। তিনি নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে পুরোপুরি শৃংখলায় নিয়ে আসার জন্য নগরবাসী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সম্প্রতি কার্যকর হওয়া সড়ক পরিবহন আইন সুশৃংখল ভাবে মেনে চলার জন্য চট্টগ্রামের নগরবাসী সহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এর আগে সুজন পুলিশ সপ্তাহ ২০২০ উপলক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার এস এম মোস্তাক আহমেদ খান কে নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা অর্পন করেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এডিসি (নগর বিশেষ শাখা) কাজেমুর রশীদ কাজল, আব্দুর রহমান মিয়া, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, অনির্বাণ দাশ বাবু, রকিবুল আলম সাজ্জী প্রমূখ।

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।