খুঁজুন
, ,

চেয়ারম্যান যে দলেরই হোক, উন্নয়ন বরাদ্দে কোন বৈষম্য হবে না- মোতালেব এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 15 January, 2024, 9:19 pm
চেয়ারম্যান যে দলেরই হোক, উন্নয়ন বরাদ্দে কোন বৈষম্য হবে না- মোতালেব এমপি

লোহাগাড়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম- ১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব সিআইপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করে উন্নয়ন কাজ করে সামনের পথ পাড়ি দিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালে উন্নয়ন বরাদ্দে কোন বৈষম্য করিনি। রেসিও অনুযায়ী আমি প্রতিটি ইউপি চেয়ারম্যানকে বরাদ্দ দিয়েছি। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েও তার বৈত্যয় ঘটবে না। ইউপি চেয়ারম্যান যে দলেরই হোক উন্নয়ন বরাদ্দে কোন বৈষম্য হবে না।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স হলে আয়োজিত উপজেলা আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর লোহাগাড়ায় উপজেলা প্রশাসনের এ প্রথম আনুষ্টানিক কোন সভায় আব্দুল মোতালেব সিআইপি বক্তব্য রাখেন। এ সভাটি যেন বিশাল একটি মতবিনিময় সভায় পরিণত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে আব্দুল মোতালেব সিআইপি আরও বলেন, কতিপয় খারাপ লোক নির্বাচনের পর এলাকায় আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো হচ্ছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমি এবং আমার পক্ষে নির্বাচন পরিচালনাকারী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এজন্য আমি গত রবিবার সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে আমার আনুষ্টানিক প্রতিক্রিয়া এবং সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার প্রকৃত বিষয় সমুহ সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরেছি।

তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে বালি উত্তোলন ও কৃষি জমির টপসয়েল কাটার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং কৃষি জমি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নিজের লোক হলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং মাটি খেকোদের কোন ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান তিনি। উপজেলার পুটিবিলায় অবৈধভাবে স্থাপিত বালুর চাঁদার গেইট বন্ধ করার নির্দেশ দেন তিনি।

উপজেলা সদর বটতলী মোটর ষ্টেশনে যানজটের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বটতলী মোটর ষ্টেশন যানজট মারাত্বক আকার ধারণ করেছে। বটতলী শহর উন্নয়ন কমিটিকে নতুন করে সাজিয়ে কাজে লাগাতে হবে। স্টেশনের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। বটতলী মোটর ষ্টেশনকে যানজটমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ প্রশাসন ও শহর উন্নয়ন কমিটিকে যৌথভাবে পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।

উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার বিষয়ে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের শতভাগ সুফল যেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পায় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতি দুই মাস অন্তর অন্তর সভা করে কমিউনিটি ক্লিনিককে জবাবদিহির আওতায় আনারও আহবান জানান তিনি।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ ইনামুল হাছানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন হিরু, সহকারী কমিশনার (ভুমি) নাজমুন লায়েল, লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান এম ইব্রাহিম কবির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আক্তার ও লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং ইউপি চেয়ারম্যানগণ বক্তব্য রাখেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।