খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবু সুফিয়ানের গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হচ্ছে:আকবর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২০, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
আবু সুফিয়ানের গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হচ্ছে:আকবর

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেছেন, আবু সুফিয়ানের সমর্থনে পাঁচলাইশের গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে ১৩ জানুয়ারী ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। এই শান্তিপূর্ণ স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি ভোটের দিন পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে। ভোট গণনা পর্যন্ত সবাইকে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ধানের শীষের বিজয় হবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিজয়। বেগম খালেদা জিয়াকে জনগণের মাঝে ফিরিয়ে আনার বিজয়। মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার বিজয়।

তিনি আজ ৬ জানুয়ারী (সোমবার) চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষের পক্ষে পাঁচলাইশ ৩ নং ওয়ার্ডের ওয়াজেদিয়া মাদরাসা সংলগ্ন মাওলানা আতিক উল্লাহ খান’র মাজার জেয়ারত করে গণসংযোগ শুরু করে ওয়াজেদিয়া, হরিপুর, মিয়া নগর, নয়াহাট, ফকিরাবাদ, কয়লার ঘর, নেজাম হামছা, বোর্ড অফিস হয়ে চালিতাতলী এলাকায় এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

এ সময় তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন থেকে আমরা সমান সুযোগ পাবো এটা আশাকরি না। সমান সুযোগ পাবো না জেনেই আমরা নির্বাচনে এসেছি। আমাদের আস্থা হচ্ছে জনগণ ও ভোটারের উপর। আমরা সকল প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে নির্বাচনের মাঠে আছি গণতন্ত্রের স্বার্থে। জনগণ সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত নস্যাৎ করে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, ১৩ জানুয়ারী ধানের শীষের পক্ষের রায় হবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির রায়। মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরে পাওয়ার রায়। আজকে জনগণ জেগে উঠেছে। জনগণের এ জোয়ার কেউ রুখতে পারবে না। সন্ত্রাসীদের দিন শেষ হয়ে এসেছে। জনগণের দিন এসে গেছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে জনগণের সরকার গঠিত হবে। ভয় পাওয়ার দিন শেষ হয়ে গেছে। আওয়ামীলীগ জুলুম নির্যাতন করে বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য শত চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা বিএনপিকে ধ্বংস করতে পারেনি। বরং বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে। ফ্যাসিবাদের মসনদ দুর্বল হয়েছে। বিএনপির মনোবল বেড়েছে। নির্বাচন ও আন্দোলন সংগ্রামে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, থাকবো। আমাদের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্ধ নেই। আমরা এক মায়ের সন্তান হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। ১৩ তারিখ হয়তো নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে কিন্তু আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চলমান থাকবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাহলে কি পুলিশ এতদিন আওয়ামীবান্ধব ছিল? যার কারণে বিগত নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ তারিখের রাতে হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে ধানের শীষের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তা ধরে রাখা আমাদের সকলের ঈমানী দায়িত্ব। তিনি ১৩ জানুয়ারী ধানের শীষে ভোট দিয়ে আবু সুফিয়ানকে জয়ী করতে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সাধারণ জনগণ চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। তবে আমাদের মধ্যে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শংকা আছে। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অতীত কর্মকান্ড সুখকর নয়। তারপরও ধানের শীষের যে জোয়ার উঠেছে তা কোন অপশক্তি ঠেকাতে পারবে না। জনগণের বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাবেক বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন, ১৩ জানুয়ারী হচ্ছে ভোট যুদ্ধের লড়াই। এ লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতে হবে। আওয়ামীলীগ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে। তাই আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে। আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেয়া এই চট্টগ্রাম-৮ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মীর মোহম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের মেয়র এবং একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এটা স্পষ্টত নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। যারা আইন বানাচ্ছেন, তারাই আইন ভঙ্গ করছেন। সরকারি দলের নেতাদের আইন অমান্যের কারণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ঠ সংশয় তৈরি হয়েছে।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম আবু ফয়েজ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সামশুল হক, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, উত্তর জেলা বিএনপির নুরুল আমীন, নুর মোহাম্মদ, সেকান্দর চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক সামশুল আলম, জি. এম আইয়ুব খান, বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল হারুন, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু মোজাফ্ফর মো. আনাছ, ন্যাপ নগর সভাপতি ওসমান গণি সিকদার, লেবার পার্টির সভাপতি আলাউদ্দিন, এনপিপি সভাপতি আনোয়ার সাদেক সাদি, নগর বিএনপির সহসম্পাদক মো. ইদ্রিাস আলী, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আরিফ মেহেদী, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম, নগর সদস্য জসিম উদ্দিন, শাহেদা বেগম, আফরোজা বেগম জলি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ সাব্বির, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী মো. ইলিয়াছ, জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বেলাল, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আবু, জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন আলম, বিএনপি নেতা সামশুল আলম মেম্বার, মাহবুবুল আলম, আনিসুর রহমান বাবুল, হাজী আবুল কালাম আবু, ইসমাইল হোসেন বালি, মো. ইউসুফ, আবদুল কাদের, আবুল বাশর, হাজী মো. বকতেয়ার, মোঃ ইসমাইল, জাহাঙ্গির আলম, বাদশা মিয়া, নুরু সওদাগর, আবদুল হালিম কালু, অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এম এ রাজ্জাক, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, মহিউদ্দিন জুয়েল, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, নাজিম উদ্দিন হিরো, মোঃ হাসান, আব্দুল হালিম, রাশেদ খান টিপু, আবুল হাসান বাপ্পা, ফিরোজ মাহমুদ, কাজী মহিউদ্দিন প্রমূখ।

এদিকে আজ বিকালে বোয়ালাখালী পৌরসভার ২, ৩, ৪, ৫ নং ওয়ার্ড়ে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন। তিনি নেতৃবৃন্দকে নিয়ে এলাকার ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নেতাকর্মীরা এলাকার সাধারণ জনগণের মাঝে ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচারপত্র বিলি করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমদ খান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, বোয়ালখালীর পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আবু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: ইসাহাক চৌধুরী প্রমুখ।

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

২০২৬ সাল থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১২তম দিন টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ফরিদপুর-১ সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা লিখিত প্রশ্ন রেখে বলেন, ঢাকা-কমলাপুর থেকে ফরিদপুর-রাজবাড়ী হয়ে মধুখালি, বোয়ালমারী দিয়ে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত কোনো রেলগাড়ি পরিচালনা করার পরিকল্পনা আছে কিনা?

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে এই বছরে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে মর্মে আশা করা যায়। ক্যারেজগুলো সরবরাহ পাওয়া সাপেক্ষে নতুন ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে রুট নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করছে। তাছাড়া আন্তঃনগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাটল-২-এর মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী এসে আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ঢাকা পর্যন্ত যাতায়াত করার সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ইঞ্জিন, কোচ ও ক্রুর অভাবে ১৯টি মেইল/কমিউটার ও ২১টি লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে এবং প্রতিদিন ৭/৮টি মালবাহী ট্রেন পুশব্যাক হচ্ছে।