খুঁজুন
, ,

আবু সুফিয়ানের গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হচ্ছে:আকবর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 January, 2020, 8:43 pm
আবু সুফিয়ানের গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হচ্ছে:আকবর

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেছেন, আবু সুফিয়ানের সমর্থনে পাঁচলাইশের গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে ১৩ জানুয়ারী ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। এই শান্তিপূর্ণ স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি ভোটের দিন পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে। ভোট গণনা পর্যন্ত সবাইকে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ধানের শীষের বিজয় হবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিজয়। বেগম খালেদা জিয়াকে জনগণের মাঝে ফিরিয়ে আনার বিজয়। মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার বিজয়।

তিনি আজ ৬ জানুয়ারী (সোমবার) চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষের পক্ষে পাঁচলাইশ ৩ নং ওয়ার্ডের ওয়াজেদিয়া মাদরাসা সংলগ্ন মাওলানা আতিক উল্লাহ খান’র মাজার জেয়ারত করে গণসংযোগ শুরু করে ওয়াজেদিয়া, হরিপুর, মিয়া নগর, নয়াহাট, ফকিরাবাদ, কয়লার ঘর, নেজাম হামছা, বোর্ড অফিস হয়ে চালিতাতলী এলাকায় এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

এ সময় তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন থেকে আমরা সমান সুযোগ পাবো এটা আশাকরি না। সমান সুযোগ পাবো না জেনেই আমরা নির্বাচনে এসেছি। আমাদের আস্থা হচ্ছে জনগণ ও ভোটারের উপর। আমরা সকল প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে নির্বাচনের মাঠে আছি গণতন্ত্রের স্বার্থে। জনগণ সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত নস্যাৎ করে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, ১৩ জানুয়ারী ধানের শীষের পক্ষের রায় হবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির রায়। মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরে পাওয়ার রায়। আজকে জনগণ জেগে উঠেছে। জনগণের এ জোয়ার কেউ রুখতে পারবে না। সন্ত্রাসীদের দিন শেষ হয়ে এসেছে। জনগণের দিন এসে গেছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে জনগণের সরকার গঠিত হবে। ভয় পাওয়ার দিন শেষ হয়ে গেছে। আওয়ামীলীগ জুলুম নির্যাতন করে বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য শত চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা বিএনপিকে ধ্বংস করতে পারেনি। বরং বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে। ফ্যাসিবাদের মসনদ দুর্বল হয়েছে। বিএনপির মনোবল বেড়েছে। নির্বাচন ও আন্দোলন সংগ্রামে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, থাকবো। আমাদের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্ধ নেই। আমরা এক মায়ের সন্তান হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। ১৩ তারিখ হয়তো নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে কিন্তু আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চলমান থাকবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাহলে কি পুলিশ এতদিন আওয়ামীবান্ধব ছিল? যার কারণে বিগত নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ তারিখের রাতে হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে ধানের শীষের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তা ধরে রাখা আমাদের সকলের ঈমানী দায়িত্ব। তিনি ১৩ জানুয়ারী ধানের শীষে ভোট দিয়ে আবু সুফিয়ানকে জয়ী করতে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সাধারণ জনগণ চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। তবে আমাদের মধ্যে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শংকা আছে। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অতীত কর্মকান্ড সুখকর নয়। তারপরও ধানের শীষের যে জোয়ার উঠেছে তা কোন অপশক্তি ঠেকাতে পারবে না। জনগণের বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাবেক বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন, ১৩ জানুয়ারী হচ্ছে ভোট যুদ্ধের লড়াই। এ লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতে হবে। আওয়ামীলীগ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে। তাই আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে। আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেয়া এই চট্টগ্রাম-৮ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মীর মোহম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের মেয়র এবং একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এটা স্পষ্টত নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। যারা আইন বানাচ্ছেন, তারাই আইন ভঙ্গ করছেন। সরকারি দলের নেতাদের আইন অমান্যের কারণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ঠ সংশয় তৈরি হয়েছে।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম আবু ফয়েজ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সামশুল হক, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, উত্তর জেলা বিএনপির নুরুল আমীন, নুর মোহাম্মদ, সেকান্দর চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক সামশুল আলম, জি. এম আইয়ুব খান, বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল হারুন, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু মোজাফ্ফর মো. আনাছ, ন্যাপ নগর সভাপতি ওসমান গণি সিকদার, লেবার পার্টির সভাপতি আলাউদ্দিন, এনপিপি সভাপতি আনোয়ার সাদেক সাদি, নগর বিএনপির সহসম্পাদক মো. ইদ্রিাস আলী, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আরিফ মেহেদী, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম, নগর সদস্য জসিম উদ্দিন, শাহেদা বেগম, আফরোজা বেগম জলি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ সাব্বির, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী মো. ইলিয়াছ, জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বেলাল, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আবু, জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন আলম, বিএনপি নেতা সামশুল আলম মেম্বার, মাহবুবুল আলম, আনিসুর রহমান বাবুল, হাজী আবুল কালাম আবু, ইসমাইল হোসেন বালি, মো. ইউসুফ, আবদুল কাদের, আবুল বাশর, হাজী মো. বকতেয়ার, মোঃ ইসমাইল, জাহাঙ্গির আলম, বাদশা মিয়া, নুরু সওদাগর, আবদুল হালিম কালু, অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এম এ রাজ্জাক, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, মহিউদ্দিন জুয়েল, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, নাজিম উদ্দিন হিরো, মোঃ হাসান, আব্দুল হালিম, রাশেদ খান টিপু, আবুল হাসান বাপ্পা, ফিরোজ মাহমুদ, কাজী মহিউদ্দিন প্রমূখ।

এদিকে আজ বিকালে বোয়ালাখালী পৌরসভার ২, ৩, ৪, ৫ নং ওয়ার্ড়ে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন। তিনি নেতৃবৃন্দকে নিয়ে এলাকার ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নেতাকর্মীরা এলাকার সাধারণ জনগণের মাঝে ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচারপত্র বিলি করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমদ খান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, বোয়ালখালীর পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আবু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: ইসাহাক চৌধুরী প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।