খুঁজুন
, ,

মৃত মানুষের কিডনিতে বাঁচল দুজনের প্রাণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 January, 2024, 7:18 pm
মৃত মানুষের কিডনিতে বাঁচল দুজনের প্রাণ

বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো ব্রেইন ডেড (কার্যত মৃত) মানুষের কিডনি অন্য মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। মৃত ঘোষণা করা ৩৮ বছর বয়সী একজন পুরুষের কিডনি দুজন কিডনি আক্রান্ত মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। যার ফলে প্রাণে বেঁচে যায় দুজন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কিডনি দুজন রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা দুজনই সুস্থ আছেন।

একটি কিডনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) প্রতিস্থাপন করা হয়। বিএসএমএমইউর উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আরেকটি কিডনি মিরপুর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে প্রতিস্থাপন করা হয়।

ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্ট পদ্ধতিতে এ কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। এ পদ্ধতিতে ক্লিনিক্যালি ডেড বা ব্রেন-ডেড রোগীর কিডনি নিয়ে অন্য রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

এই ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্টের প্রধান ছিলেন সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল। কিডনি প্রতিস্থাপনের শুরুতে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ কেবিন ব্লকের ওটিতে আসেন। তিনি কিডনিদাতা মো. মাসুমের পরিবারের সদস্য ও গ্রহীতার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য জানান, ৩৮ বছর বয়সী একজন পুরুষকে বৃহস্পতিবার ব্রেইন-ডেড ঘোষণা করা হয়। তিনি মস্তিষ্কে আঘাতজনিত কারণে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শারফুদ্দিন আহমেন বলেন, পাঁচ দিন আগে আমাদের হাসপাতালে আসেন তিনি। তিনি পুরোপুরি অজ্ঞান ছিলেন। এর আগেও তিনি আমাদের আইসিইউতে ছিলেন। চিকিৎসায় ভালো হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। এবারও পাঁচ দিন ছিলেন। আজকে আমরা তাকে ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেছি।

এর আগে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি বিএসএমএমইউতে প্রথমবারের মতো একজন ব্রেন-ডেড মানুষের শরীর থেকে কিডনি নিয়ে তা অপর দুজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

সারাহ ইসলাম নামে ২০ বছর বয়সী তরুণীকে ১৮ জানুয়ারি ব্রেন-ডেড ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সেদিন রাতেই তার কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় দুজন নারীর শরীরে। সারাহর চোখের কর্নিয়া দেওয়া হয় অপর দুজনকে। সেই কিডনি নিয়ে সুস্থভাবে বেঁচে আছেন শামীমা আক্তার নামে এক নারী। তবে অন্যজনের মৃত্যু হয়েছে।

Feb2
Feb2

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 1:44 pm
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশক (২০২১-২০৩০)-এর বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিত এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবন্ধ।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠেয় ‘সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার: সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা সফলভাবে কমিয়ে আনা দেশগুলোর সর্বোত্তম চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে মন্ত্রী যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

আগামী বছরের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 1:34 pm
আগামী বছরের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা

সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী বছর পবিত্র হজ পালনে সর্বনিম্ন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘হজ প্যাকেজ-১’-এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং ‘হজ প্যাকেজ-২’-এর ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।

মন্ত্রী জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এ প্যাকেজের হজযাত্রীরা মক্কায় হারাম শরিফ থেকে এক হাজার থেকে এক হাজার ৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের সুবিধা পাবেন। মিনায় জোন-২-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে অবস্থানকাল হবে ৩৫ থেকে ৪০ দিন। অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করে রুম আপগ্রেড ও স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও থাকবে।

তিনি বলেন, হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)-এর খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু দেওয়া হবে। হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুযায়ী সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য ‘সাধারণ হজ প্যাকেজ’ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজে হজ পালনে খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে জালিয়াতির অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2026, 9:28 am
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে জালিয়াতির অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ায় ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে দ্য পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে এবং তা গৃহীত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট সব আইন ও বিধি-বিধান প্রতিপালন করা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। এসব শর্ত লঙ্ঘনের প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী ৪৯টি এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

লাইসেন্স বাতিল হওয়া এজেন্সিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, এম এস শাহীন ট্রাভেলস, আরভিং এন্টারপ্রাইজ, হায়দোরি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, জাহরাত অ্যাসোসিয়েট, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এম এস বিনিময় ইন্টারন্যাশনাল, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, দ্য সুপার ইস্টার্ন লিমিটেড, এলিগ্যান্টস ওভারসিজ লিমিটেড, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেড, মদিনা ওভারসিজ, আল-খামিস ইন্টারন্যাশনাল, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনাল, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, দরবার গ্লোবাল ওভারসিজ, অপরাজিতা ওভারসিজ, স্ট্যানফোর্ড এমপ্লয়মেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড, জান্নাত ওভারসিজ, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেড, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল, ট্রান্স এশিয়া ইন্টিগ্রেট সার্ভিসেস লিমিটেড, আল ফারাহ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড কনসালটেন্সি, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেড, অনন্য অপূর্ব রিক্রুটিং এজেন্সিসহ মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান।