খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে বন্যার পানি নামার পর বাড়ছে ডায়রিয়া-চর্মরোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 18 July, 2026, 10:13 am
চট্টগ্রামে বন্যার পানি নামার পর বাড়ছে ডায়রিয়া-চর্মরোগ

চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগ পানি নামার পর বাড়ছে পানিবাহিত রোগ ও সাপের কামড়ের প্রকোপ। গ্রামগুলোতে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

গত কয়েকদিনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলা—বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীর উপচে পড়া ভিড়ের কথা জানা গেছে।

গত ৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া স্বল্পমেয়াদি বন্যায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা টানা ৭ দিন ধরে প্লাবিত হয়। পানিতে ডুবে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পানি কমতে থাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, নিরাপদ পানির সংকট দ্রুত সমাধান করা না গেলে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

চট্টগ্রামের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা সাতকানিয়ায় বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি বেশ গুরুতর আঁকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় হাসপাতালগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় ৩০০ জনের বেশি রোগী পানিবাহিত রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন।

সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদ বলেন, ‘গত দুদিন ধরে আমার ছোট মেয়ে ডায়রিয়ায় ভুগছে। আর আমার স্ত্রী চর্মরোগে ভুগছেন।’

সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অমিত দে বলেন, ‘বন্যার সময় হাসপাতালের নিচতলা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। পানি নামার পর বহির্বিভাগের সেবা আবার চালু হয়েছে।’

‘গত ৪৮ ঘণ্টায় ৩০০ জনের বেশি রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি। তাদের বেশিরভাগই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুপেয় পানির সংকট বেড়েছে। এতে কলেরা, ডায়রিয়া ও চর্মরোগ আরও বাড়তে পারে বলে আমরা ধারণা করছি,’ বলেন তিনি।

মেডিকেল টিমগুলো দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাঁশখালীতেও অনেক রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। উপজেলার কোকদণ্ডী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘আমাদের গ্রামের সব টিউবওয়েল দূষিত হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে মানুষ নোংরা পানি পান করছে।’

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমা আক্তার বলেন, ‘বর্তমানে হাসপাতালে আসা রোগীদের ৩০ শতাংশের বেশি ডায়রিয়ায় ভুগছেন। বিশুদ্ধ পানির সংকটে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। তবে আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।’

বন্যায় উপজেলার ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি।

দক্ষিণ চট্টগ্রাম ছাড়াও কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলাগুলোতেও স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সতর্কতাবস্থায় রয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ রোগী ভূমিধসে আহত বা সাপের কামড়ের শিকার। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলে, বন্যার পানি নামতে শুরু করলেই ডায়রিয়া ও বিভিন্ন চর্মরোগ বেড়ে যায়। বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’

পার্বত্য অঞ্চলের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংক্রামক চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব ইতোমধ্যে দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘সাধারণত বন্যার পর চর্মরোগ ও ডায়রিয়ার তীব্র প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এখনো ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা না গেলেও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খোসপাঁচড়াসহ অন্যান্য চর্মরোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আমাদের মোবাইল মেডিকেল টিমগুলো চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও জনবল প্রস্তুত রেখেছি।’

বিভাগীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২০ হাজার অগভীর নলকূপ দূষিত হয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ৪ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেছে।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত ৫ জেলায় এখন পর্যন্ত ১২৬ জনকে সাপে কেটেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ১১২টি চট্টগ্রামে ও ১৪টি কক্সবাজারে।

চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি সাপের কামড়ের ঘটনা ঘটেছে বোয়ালখালী উপজেলায় ২৬টি, এরপর বাঁশখালীতে ১৯টি ও পটিয়ায় ১৮টি।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সাপের কামড়ে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। সময়মতো চিকিৎসা দিতে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ১ হাজার ১০০ ভায়াল অ্যান্টি-ভেনম বিতরণ করেছি।’

সংকট মোকাবিলায় সরকার ৫ জেলার বন্যাদুর্গত এলাকায় ৫১৬টি মেডিকেল টিম পরিচালনা করছে। দুর্গম ও যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এলাকার অন্য মোবাইল মেডিকেল ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. ফজলে রাব্বি বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত আছে। আমাদের মেডিকেল টিমগুলো মাঠে সক্রিয় আছে। আগেই প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুত করেছিলাম। এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধের মজুত রয়েছে।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবদুর রব বলেন, ‘বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষকে অবশ্যই পানি ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করতে হবে। ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। সাপে কামড় দিলে বা পানিবাহিত রোগের লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে হাসপাতালে যেতে হবে।’

‘এ সময়ে এসে শিশু, বৃদ্ধ ও অন্তঃসত্ত্বাদের যেন অযত্ন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন,’ যোগ করেন তিনি।

Feb2
Feb2

ট্রেনে ফেলে যাওয়া স্বর্ণ-টাকা ফিরিয়ে দিলেন স্টুয়ার্ড গার্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:34 am
ট্রেনে ফেলে যাওয়া স্বর্ণ-টাকা ফিরিয়ে দিলেন স্টুয়ার্ড গার্ড

ট্রেনে ময়লার ঝুড়িতে যাত্রীর ফেলে যাওয়া স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংসায় বাসছেন স্টুয়ার্ড গার্ড মোশারফ হোসেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি ট্রেনে এই স্বর্ণের চেইন ও টাকা ফেলে যান যাত্রী।

স্টুয়ার্ড গার্ড মোশারফ হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের কাউতলী এলাকা বাসিন্দা। তার এই সততা ও দায়িত্বশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে তিনি প্রশংসায় ভাসছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাকে নিয়ে অনেকেই প্রশংসা করছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশনে মোশারফ হোসেন বলেন, অন্যের জিনিস আমি কেন রাখবো। এটা ফিরিয়ে দিতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত এবং অনেক ভালো লেগেছে। চাকরি জীবনে প্রায় ২০ বছর, এই ২০ বছরে এই নিয়ে কয়েকবার যাত্রীর ফেলে যাওয়া মূল্যবান জিনিস ফিরিয়ে দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, গত বুধবার রাতে আম খেয়ে আমের খোসাগুলো কেবিনের ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে গিয়ে দেখি, একটি পলিথিনে মোড়ানো অনেকগুলো জর্দার কৌটা। আমি এগুলো জর্দা মনে করে নিজের কাছে রেখে দিই। পরে আমার মোবাইলে একটি কল আসে এবং অপর প্রান্ত থেকে একজন বলেন যে, তার কিছু মালামাল হারিয়ে গেছে। তখন আমি তার কাছে জানতে চাই কী জিনিস হারিয়েছে। তিনি বলেন, স্বর্ণের চেইন ও কিছু টাকা। তখন তাকে বলি, এসব তো কেবিনে নেই। পরে তিনি জানান, পলিথিনে মোড়ানো জর্দার কৌটার ভেতরেই চেইন ও টাকা রাখা আছে। এরপর আমার কাছে রাখা জর্দার কৌটাটি খুলে দেখি, তার ভেতরে প্রায় দুই ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও দুই হাজার টাকা। পরে আমি ওই যাত্রীকে ফোন করে জানাই যে, জিনিসগুলো আমার কাছে নিরাপদেই আছে।

মোশারফ হোসেন বলেন, পরে রাতে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা নিশীতা ট্রেন ভৈরববাজার স্টেশনে এলে যাত্রীর স্বজনের কাছে স্বর্ণের চেইন ও টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

কনটেইনার খালাসের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্ঘটনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:01 am
কনটেইনার খালাসের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্ঘটনা

চট্টগ্রাম বন্দরের চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) ৩ নম্বর বার্থে কনটেইনার খালাসের সময় একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন ও একটি আমদানি কনটেইনার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, চ্যাং হাই নামের একটি জাহাজ থেকে কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন-৪ (কিউজিসি-৪) দিয়ে ৪০ ফুটের একটি আমদানি কনটেইনার খালাস করা হচ্ছিল। এ সময় স্প্রেডারের ল্যাশিং ছিঁড়ে গেলে কনটেইনারটি ক্রেনের বিমের ওপর পড়ে যায়। এতে ক্রেন ও কনটেইনার উভয়ই আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই বন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা প্রোটোকল কার্যকর করে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ঘটনাস্থল নিরাপদ করার পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত কনটেইনার অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি উদ্ধারের কাজ শুরু হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি বিশেষ কারিগরি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেবে। একই সঙ্গে রোববার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন-৪ (কিউজিসি-৪)-এর মেরামত কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিসিটির ৩ নম্বর বার্থের দুর্ঘটনাকবলিত স্থান ছাড়া বন্দরের অন্যান্য সব বার্থে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

১০ গোলের পাগলাটে ম্যাচে সাকার হ্যাটট্রিকে দুর্দান্ত জয় ইংল্যান্ডের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 7:16 am
১০ গোলের পাগলাটে ম্যাচে সাকার হ্যাটট্রিকে দুর্দান্ত জয় ইংল্যান্ডের

পাগলাটে এক ম্যাচ। প্রথমার্ধ শেষে ৪ গোলে পিছিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ২১ মিনিটে তিন গোল শোধ করে ম্যাচে ফিরে ফরাসিরা। তবে ম্যাচের শেষ হাসি হেসেছে ইংল্যান্ড। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে বুকো সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়েছে ইংলিশরা।

ম্যাচের ৩ মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে বেশ খানিকটা দৌড়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দারুণ শটে গোল করেন ডেক্লান রাইস।

এরপর ম্যাচের ১২ মিনিটে আবারও ফ্রান্সের জালে বল জড়ায় ইংল্যান্ড। তবে কায়ো সাকার সেই গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এরপর ম্যাচের ১৮ মিনিটে ঠিকই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংল্যান্ড। রাইসের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন এজরা কনসা।

এরপর ম্যাচের ৩৭ মিনিটে স্কোরশিটে নাম লেখেন সাকা। মার্কাস রাশফোর্ডের পাস থেকে বল জালে জড়ান তিনি। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ে কনসার পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান সাকা। এতে ৪-০ গোলের বড় লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৪৮ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে গোল পায় ফ্রান্স। মাইকেল ওলিসের পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর ম্যাচের ৫৪ মিনিটে এমবাপ্পে পাস থেকে দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোল করেন বারকোলা।

এরপর ম্যাচের ৬৬ মিনিটে ওলিসের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দশম গোল। সেইসঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি।

এরপর ম্যাচের ৮৪ মিনিটে জেড স্পেনসকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। এরপর যোগ করা সময়ে গোল করে ব্যবধান কমান উসমান ডেম্বেলে।

তবে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে বক্সে ঢুকে গোল জুড বেলিংহাম। এটি বিশ্বকাপে তার ৭ম গোল। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।