খুঁজুন
, ,

সাংবাদিক-জনতার অবস্থান কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 14 August, 2024, 11:00 pm
সাংবাদিক-জনতার অবস্থান কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে হামলা

বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের ডাকে বুধবার বিকালে ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সাংবাদিক জনতার অবস্থান কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে হামলা হয়েছে। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতা প্রেস ক্লাবের ভিতর অবস্থান নিয়ে থাকা দূস্কৃতিকারীদের ধাওয়া দেয়। পরে সেনাবিাহিনী এবং শিক্ষার্থীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক নয়াদিগন্ত, দিগন্ত টেলিভিশন, দৈনিক কর্ণফুলী ও দৈনিক সংগ্রাম অফিসে ২০১৩ সালে হামলা, ভাংচূর ও লুটপাটের সাথে জড়িত ব্যক্তি ও ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গণহত্যার উস্কানী দাতাদের বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য।

বিকাল চারটায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন(সিএমউজে) সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপত্বিতে শুরু হওয়া এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীসহ সমাজের বিভিন্নন স্তরের মানুষ।

বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ বিএসপিপি চট্টগ্রামের আহবায়ক জাহিদুল করিম কচি, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি অধ্যাপক নসরুল কদির, সিএমইজে’র সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, এস্যোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স এ্যাব চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সভাপতি প্রকৌশলী জানে আলম মোহাম্মদ সেলিম, ডক্টস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাব নেতা ডা. সারওয়ার আলম, সিএমইউজে’র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সিএমইউজে’র সাংগঠনিক সম্পাদক বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য’র সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম শিল্পী, সিএমইজে’র সদস্য আবু সুফিয়ান, হাটহাজারী মাদ্রসার শিক্ষক হাফজে মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়কারী আলমগীর নূর, আরিয়ান লেনিনসহ আরো অনেকে।

বক্তারা অবিলম্বে গণহত্যার উস্কানী দাতা সংবাদকর্মী এবং ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকদের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে বহিষ্কার ও গ্রেফতারের দাবি জানান ।

বিএসপিপি এর আহবায়ক জাহিদুল করিম কচি’র বক্তেব্যের পরপরই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে সাংবাদিক- জনতার অবস্থান কর্মসূচির উপর হামলা হয়। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতা হামলাকারীদের ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্য এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলায় আরিয়ান লেনিন, ইসমাইল ইমন, এস এম আকাশ ও নজরুল ইসলাম আহত হয়।

এদিকে সাংবাদিক জনতার অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় এক তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তরা বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিক নামধারীরা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বসে ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে নস্যাত করার নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। ফ্যাসিবাদের দোসর এসব সাংবাদিক নামধারীরা ছাত্র-জনতার রক্তের উপর দাড়িয়ে এখনো উল্লাস করছে। প্রেস ক্লাবকে এরা সন্ত্রাসীদের আখড়া বানিয়েছে। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে যথাযথ বিচার করতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিক-জনতা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন সাইফুল ইসলাম শিল্পী, আলমগীর নুর ও আরিয়ান লেনিন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’