খুঁজুন
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের ডিমের বাজার ঢাকার নিয়ন্ত্রণে, বাড়ছে দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের ডিমের বাজার ঢাকার নিয়ন্ত্রণে, বাড়ছে দাম

চট্টগ্রামে ডিমের দাম বাড়ছেই। সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতিপিস ডিম পাইকারিতে ২ টাকা ২২ পয়সা ও খুচরায় ৪ টাকা বেশি দামে বিক্রয় হচ্ছে এখন। আর ডিমের এই দাম নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ঢাকা তেজগাঁও থেকে। এতে আঙ্গুল ফুলছে ব্যবসায়ীদের। আর নাভিশ্বাস উঠছে ভোক্তাদের।

ভোক্তাদের অভিযোগ, বিক্রেতারা নানারকম গোঁজামিল করে ডিমের দাম বাড়িয়ে মুনাফা লুটছে। বিক্রেতারা দুষছে পাইকারি ব্যবসায়ীদের। পাইকাররা দুষছে মধ্যস্বত্বভোগী ও পোলট্রি ফার্ম মালিকদের।

শুক্রবার ( ৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মহানগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজারের কয়েকটি দোকানে গিয়ে ডিম কেনাবেচার রসিদে ধরা পড়ে চোখ কপালে তোলার মতো নানা গোঁজামিল। যেটা দেখাতে রাজী নন ডিম ব্যবসায়ীদের কেউ।

শেষ পর্যন্ত নাম প্রকাশ না করার শর্তে বহদ্দারহাটের এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, যে রসিদে ডিম কিনেছি, সেটা কোন পাকা রসিদ নয়। সাদা কাগজে হিসেব করে রসিদ দেয়া হয়েছে। যেখানে প্রতিপিস ডিমের দাম পড়েছে ১২ টাকা ৮০ পয়সা। ডজন প্রায় ১৫৪ টাকা। যা তিনি ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিক্রয় করছেন প্রতিপিস ১৪ টাকা ৫৮ পয়সা দরে। অর্থাৎ পাইকারির তুলনায় প্রতি পিস ডিম ১ টাকা ৭৮ পয়সা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ওই ডিম ব্যবসায়ী বলেন, তিনি নগরীর পাহাড়তলী পাইকারি বাজার থেকে ডিম ক্রয় করেন। সেখানে শুক্রবার সকাল থেকে এই দামে ডিম কেনা-বেচা হচ্ছে। পাহাড়তলী বাজারে গিয়ে দেখাও মিলে তার সত্যতা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাহাড়তলী বাজারের ডিম ব্যবসায়ী আবদুল মালেক বলেন, আমরা খামার থেকে প্রতিপিস ডিম কিনে আনি ১২ টাকা ২০ পয়সায়। কিন্তু তার হিসাব দেখানো হয় সরকার নির্ধারিত দামে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা হিসেবে।

আবদুল মালেক বলেন, ডিমের দাম ও রসিদ নিয়ে কারসাজি করলেও কোনরকম কথা বলা যাচ্ছে না। বলছে এভাবে নিলে নাও না নিলে যাও। এভাবে রসিদ জালিয়াতির কৌশল অবলম্বন করছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পোলট্রি ফার্ম। এর মধ্যে কাজী ফার্ম, ডায়মন্ড এগ, সিপি, নারিশ, প্যারাগন, আমান, রানা ফিড অন্যতম বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামের ডিমের পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন পোলট্রি ফার্ম আড়তদারের সঙ্গে যোগসাজশে রসিদে সরকার নির্ধারিত দর দেখালেও বাস্তবে প্রতিটি ডিম বিক্রি করছে ১২ টাকা ২০ পয়সা হিসেবে। এই কারসাজির কারণে ম্যাজিস্ট্রেট বা ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তাদের অভিযানে রসিদও দেখাতে চান না ব্যবসায়ীরা।

পাইকারি ডিম ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বাজারে বেশিরভাগ ডিমের সরবরাহ হয় টাঙ্গাইল থেকে। সরবরাহ টাঙ্গাইল থেকে হলেও বাজারের নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকার তেজগাঁও সমিতি। তারা সারা দেশের ব্যবসায়ীদের কত টাকা দরে ডিম বিক্রি করবেন, সেটি জানিয়ে দেন। সেই মতে বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়।

তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমানউল্লাহ বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, আমরা কিছুই নিয়ন্ত্রণ করি না। ব্যবসায়ীরা আমাদের নামে শুধু শুধু বদনাম করে বেড়াচ্ছে।

চট্টগ্রাম ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর বলেন, বর্তমানে ডিমের যে পরিমাণ চাহিদা আছে, সে পরিমাণ সরবরাহ নাই। তাই দাম বাড়তি। সরবরাহ বাড়লে আবারও দাম কমে যাবে।

ডিম ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে শুধু দাম নির্ধারণ করলেই চলবে না। অবশ্যই বিভিন্ন পোলট্রি ফার্ম, আড়তদার, মধ্যস্বত্বভোগীকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তাহলেই ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। অন্যথায় সবকিছু কাগজে-কলমে থেকে যাবে। ভোক্তারা কখনো সুফল পাবেন না।

এ বিষয়ে কাজী ফার্মসের চট্টগ্রামের জোন ম্যানেজার মহিবুল ইসলাম হিরন বলেন, আমরা আড়তদারের কাছে ডিম বিক্রি করার সময় ইআরপি চালান দিয়ে দিই। সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে আমরা আড়তদারের কাছে প্রতিটি ডিম ১০ টাকা ৫৮ পয়সায় বিক্রি করছি। কোনো আড়তদার বলতে পারবেন না বেশি দামে ডিম বিক্রি করছি। এখন আমাদের কাছ থেকে ডিম কিনে আড়তদাররা কত দামে বিক্রি করছেন, সেটা তো আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। এটা সরকারকেই দেখতে হবে। এই আড়তদাররাই ডিমের দাম বাড়াচ্ছেন বা কমাচ্ছেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেকে রসিদে সরকার নির্ধারিত দর দেখিয়ে বাড়তি দরে ডিম বিক্রি করছেন—এমন বিষয় আমরা জানতে পেরেছি। তবে আমরা এমন কাজ করছি না, সেটা স্পষ্টভাবেই বলতে পারি। আবার প্রান্তিক খামারিরাও বাড়তি দরে ডিম বিক্রি করেন—এমনটা আমরা শুনি। এসব কারণে প্রভাব পড়ে বাজারে।

করপোরেট প্রতিষ্ঠান রানা ফিডের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ নজরুল বলেন, আমরা মোট চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ডিম উৎপাদন করি। বেশির ভাগ ডিম আসে খামারিদের কাছ থেকে। সেখানেই ডিমের দাম বেশি। সরকার ওখানে ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। এ কারণে ডিমের দাম বেশি। আমাদের কোম্পানি কিন্তু সরকার নির্ধারিত দরেই ডিম বিক্রি করছে। তবে ডিলারদের কাছ থেকে শুনেছি, কিছু কোম্পানি রসিদে সরকারি দর দেখালেও ভেতরে বাড়তি দরে ডিম বিক্রি করছে। আর এটা যদি হয়ে থাকে, তবে সরকারের উচিত ব্যবস্থা নেওয়া।

ইমরান হোসেন নামের এক ডিম ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রতিটি পণ্যই নিয়ে চলছে সিন্ডিকেট। ব্যবসায়ীরা একেক সময় একেক পণ্য নিয়ে খেলছেন। এর সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে ডিম। প্রশাসনের উচিত ডিমের বাজারে নিয়মিত মনিটরিং করা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ীদের আসল অপরাধীদের চিহ্নিত করে দিতে হবে। তারা অভিযানের ভয়ে রসিদ লুকিয়ে রাখলে তো সমস্যার সমাধান হবে না। পাশাপাশি যত পোলট্রি ফার্ম, আড়তদার, মধ্যস্বত্বভোগী আছে, তাদের তালিকা তৈরি করতে হবে। তারা কত দিয়ে ডিম বেচাকেনা করছে, সেটা যাচাই করতে হবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ফয়েজ উল্যাহ বলেন, আমরা সম্প্রতি পাহাড়তলী বাজারে অভিযান চালিয়ে পাইকারদের কাছে কোনো ক্রয় রসিদ পাইনি। আড়তদাররা বলেছেন প্রান্তিক খামারিরা রসিদ দিতে চায় না। এখন আমরা সেখানেও সবকিছু খতিয়ে দেখব। সেভাবেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Feb2

‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) নগরের কাজীর দেউড়ির জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন এই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ঘাটে ঘাটে, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর যে অবস্থান সেটা বাংলাদেশকে অনেক বেশি আলোড়িত করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ স্মৃতি জাদুঘর। এটা আমরা দেখলাম, পরিপূর্ণভাবে দেখতে পারিনি। আজ সকালে এসেছি।

আমার পাশে আছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ডান পাশে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান মাননীয় সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, জেলা প্রশাসক, আমার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা আছেন। আমরা এটা দেখলাম। এসে শুনলাম। এর অনেক রুম আমরা খালি দেখেছি। কারণ এটা রেনোভেশন হচ্ছে। সুন্দর করে রেনোভেট করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসগুলো সংরক্ষণ করা হবে। আমরা এরপর যাব জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে যেটি ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটা একটা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স আমরা নতুন করে করব। সেটি আমরা পরিদর্শন করব। আরও কিছু স্থাপনা পরিদর্শন করব।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যে মহান ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পর একটার পর একটা উনার পদক্ষেপ ছিল। উনি যুদ্ধ করেছেন। উনি বীরউত্তম হয়েছেন। উনি সেনাপ্রধান হয়েছেন। উনি সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য উনি একসময় বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে ফেলেছিলেন। যদিও ফ্যাসিবাদ এসে বারবার সেটি ভূলুণ্ঠিত করেছে। আমরা সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাঁর স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সব কিছু করবে।

কত দ্রুত জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের মেরামত কাজ শেষ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এ বিষয়ে। এ জন্য আজ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এ স্থাপনাটি এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স যেটিকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মের আসলে এগুলো জানতে হবে। তাদের এখানে আসতে হবে, দেখতে হবে। আমাদের ইতিহাস যদি না জানি তাহলে জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব না। ভূমিকম্পের কারণে এখানে কিছু ডেমেজ হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে মেরামত করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেব ইনশাআল্লাহ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই দিনেই শুরু হয়েছিল। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন পর্যন্ত। তখন থেকেই প্রতি বছর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম জোরদারের জন্য জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। বছরের পর বছর ধরে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়ে আসছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে মনে হচ্ছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।