খুঁজুন
রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সন্ত্রাসী আস্তানা উপড়ে ফেলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সন্ত্রাসী আস্তানা উপড়ে ফেলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরসহ আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী আস্তানা উপড়ে ফেলার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস যে বা যারাই দেখাক না কেন, তাদের আস্তানা পুরোপুরি নির্মূল করা হবে।

রোববার (৩১ মে) চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে নগরের সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় পার্বত্য বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের সব সংসদ সদস্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী ফকির হোসেন বিজিবি, র‍্যাব, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠককে চট্টগ্রামের ইতিহাসে অন্যতম ‘হাই-লেভেল মিটিং’ বলে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক, তা নির্মূল করতে হবে। সন্ত্রাসীরা যে দুঃসাহস দেখিয়েছে, আমরা রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে তা যথাযথভাবে অ্যাড্রেস করব। তাদের আশ্রয়স্থল যেখানেই হোক এবং যারাই তাদের প্রশ্রয় দিক না কেন, সবকিছু চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জঙ্গল সলিমপুর, সলিমপুর ও আলীনগর এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের উচ্ছেদের আশঙ্কার বিষয়ে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো সাধারণ বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করা হবে না। যারা সেখানে বিভিন্নভাবে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ওই অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা ও একাডেমি গড়ে তোলার জন্য ম্যাপ অনুযায়ী জায়গা নির্ধারণের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, লিংক রোডের পাশে কারাগারের জন্য প্রস্তাবিত জায়গাটি ভিজিট করা হয়েছে। কারা অধিদপ্তর ও আইজি প্রিজন জায়গাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর সেখানে দ্রুত পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

অভিযানের সক্ষমতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে শুধু প্রথাগত পুলিশিং নয়; বরং পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ প্রায় ৪ হাজার সদস্যের যৌথবাহিনী হেলিকপ্টার সহায়তায় অত্যন্ত সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। সবাই রাষ্ট্রের কল্যাণে এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এক হয়ে কাজ করছে।

জঙ্গল সলিমপুর ছাড়াও চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালীর মতো এলাকাগুলোতেও সন্ত্রাস দমনে সমন্বিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনি গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন।

এর আগে, রোববার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামের লিংক রোডের পাশে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি সরজমিনে আরও নিখুঁতভাবে যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

Feb2

জঙ্গল সলিমপুর আর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
জঙ্গল সলিমপুর আর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অভয়ারণ্য হিসেবে থাকতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি আশপাশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতেও সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির তথ্য রয়েছে এবং পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।

রোববার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই আলীনগর, জঙ্গল সলিমপুর এলাকা আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা বা অভয়ারণ্য থাকবে না। এর আশপাশে বেতুয়া ও চা বাগান নামে দুটি পাহাড়ি এলাকা রয়েছে। এসব এলাকাতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনার তথ্য আমরা পেয়েছি। সেখান থেকেও তাদের উচ্ছেদ করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সারা দেশে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজি- এই চারটি অপরাধকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে। পরিকল্পিত যৌথ ও সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে এসব অপরাধ নির্মূলে কাজ করা হবে।

তিনি জানান, বিদ্যমান আইনগুলো যুগোপযোগী না হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন অনলাইন ও অফলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন ধরনের বেটিং কার্যক্রম চালু রয়েছে। কিন্তু বিদ্যমান আইনি কাঠামো দিয়ে সেগুলো কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী সংসদ অধিবেশনেই এ বিষয়ে আইন আনার চেষ্টা করা হবে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদক সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান আনা হবে। বর্তমানে হাজার হাজার মাদক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হলে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, এভাবেই আমরা দেশকে বাঁচাতে পারব, যুব সমাজকে রক্ষা করতে পারব।

কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং মোকাবিলায় কিছু আইনি সংস্কার প্রয়োজন। বর্তমানে কিশোর অপরাধীদের জন্য বিদ্যমান আইনের কিছু সুযোগ-সুবিধা অপব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে অনেকেই গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। তাই এ ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করব। রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যে কার্যকরভাবে বিদ্যমান এবং আইনি কাঠামো যে শক্তিশালী-তা বাস্তবেই প্রমাণ করা হবে।

সলিমপুর প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসলে যা হবে, তা হলো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব এবং আইনের শাসনের বাস্তব প্রয়োগ মানুষ দেখতে পাবে।

এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিতদের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, র‌্যাব এবং এলজিইডিসহ বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ছিলেন।

স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

শেষ হচ্ছে ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি। প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটিয়ে এবার কর্মস্থলে ফেরার পালা। তাই স্বজনদের মায়া ছেড়ে ধীরে ধীরে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।

যদিও এখনো ফিরতি যাত্রায় তেমন ভিড় দেখা যায়নি। রোববার (৩১ মে) সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশন, কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিন সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রেন, বাস ও লঞ্চে করে মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। তবে ফিরতি যাত্রায় এখনো চাপ কম। অনেক পরিবারই গ্রামের বাড়িতে থেকে গেছে।

যাদের অফিস-আদালত খুলছে, জরুরি কাজ রয়েছে কিংবা কর্মস্থলে দ্রুত যোগ দেওয়া প্রয়োজন, মূলত তারাই আগে ঢাকায় ফিরছেন। ফলে রাজধানীতে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করলেও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি কর্মচাঞ্চল্য।

ঢাকায় ফেরা এক চাকরিজীবী বলেন, ‘কাল থেকে অফিস খোলা। তাই ঈদ আনন্দ শেষে স্বজনদের মায়া ছেড়ে চলে এলাম।’

এদিকে, আজও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। কমলাপুরে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ফেরার চেয়ে ছাড়ার সংখ্যাই বেশি।

অন্যদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ। এসব লঞ্চে আসছেন আসছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।

এবার ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ঘাট এলাকায় তেমন কোনো ভোগান্তি বা দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি যাত্রীদের। অনেকে আবার স্পিডবোটে নদী পার হচ্ছেন।

যাত্রীরা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও, গণপরিবহনে কিছুটা বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। তবে এবারের ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রা বিগত বছরগুলোর চেয়ে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত পুরোদমে শুরু হওয়ায় বিকেলের দিকে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়তে পারে।

ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত

ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটির পর সোমবার (১ জুন) দেশের অফিস-আদালত আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে। ২৫ মে থেকে শুরু হওয়া ছুটি আর একদিন ভোগ করবেন চাকরিজীবীরা।

সোমবার সকাল ৯টায় শুরু হয়ে অফিস-আদালত চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ঈদ শেষে গ্রামের বাড়ি থেকে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ইতোমধ্যে আসা শুরু করেছেন। ছুটি দীর্ঘ হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশিরভাগই আজকের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছাতে শুরু করেছেন। এ জন্য ট্রেন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে কর্মজীবী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে আজও ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন অনেকে।

গত ২৫ মে থেকে শুরু হওয়া ছুটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল রোববার (৩১ মে)। সারা দেশে গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগে থেকেই ৬ দিন ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছিল সরকার।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়িয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য বেসরকারি চাকরিজীবীরা এই ছুটি ভোগ করেন। তবে, ঈদের ছুটির আগে ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস করেছেন চাকরিজীবীরা।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। ঈদুল আজহার আগে ২৬ ও ২৭ মে দুদিন ও পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ভোগ করেন চাকরিজীবীরা।

আগের অভিজ্ঞতার আলোকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ৭ মে ছুটি আরও একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। ওইদিন মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২৫ মে ছুটি ঘোষণা এবং এর আগে ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর, গত ২৪ মে সাত দিন ছুটি ও দুদিন অফিস খোলা রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এতে টানা ৭ দিনের ছুটি পেয়ে যান চাকরিজীবীরা। টানা ছুটি শেষে আগামী সোমবার আবার নিয়মিত অফিস কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।