হযরত শাহ জাহান শাহ(রা:) খোশরোজ শরীফ উপলক্ষে সুফিবাদ সেমিনার অনুষ্ঠিত
হযরত শাহ্ জাহান শাহ্ (রাঃ) এর কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ, খতমে কোরআন, খতমে গাউসিয়া, নাত ও হামদ সহ দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ধলই শাহী দরবার শরীফে হযরত শাহজাহান শাহ (রা:) এর খোশরোজ শরিফ উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ধলই দরবার শরীফ সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারের হলরুমে এই খোশরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়।
খোশরোজ শরীফ উপলক্ষে মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ধলই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এজাহার মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে, এনামুল হক চৌধুরীর সেলিমের সঞ্চালনায় ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম মোহাম্মদ আলী মাস্টারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সুফিবাদ ও হযরত শাহ জাহান শাহ(রাঃ) এর উপর এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে সুফিবাদ ও হযরত শাহ জাহান শাহ (রাঃ) কে নিয়ে লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. শেখ শাদী,উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মেজবাউল আলম; দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সম্পাদক সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাজার পরিচালনা কমিটি, আ.ম.ম সফিউল আলম, মাওলানা আবদুল হাই,মাস্টার মোহাম্মদ আলী,মাওলানা তফাজ্জল আহাম্মদ চৌধুরী, মাওলানা ইলিয়াছ চৌধুরী, মো: নুরুল আলম চৌধুরী, মো: শাহনেওয়াজ চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: হারুন, এইচ.এম জলিল উদ্দিন, মাওলানা সোহরাব হোসেন, নাছির উদ্দীন মেম্বার, শাহ আলম চৌধুরী প্রমুখ।
সেমিনার শেষে মাওলানা সিব্বির আহামদ ওসমানির মিলাদ কিয়াম ও মোনাজাতের মাধ্যমে সেমিনারের সমাপ্তি ঘটে।
পরে উপস্থিত ভক্তবৃন্দ ও মুসল্লীদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে বক্তরা হযরত শাহ্ জাহান শাহ্ (রা:)এর সংক্ষিপ্ত জীবনী নিয়ে আলোচনায় বলেন খ্রিষ্টীয় পঞ্জদশ শতকের গোড়ার দিকে আরকান রাজা কর্তৃক চট্টগ্রাম দখলের এ সময়কালের সাথে হযরত শাহ্ জাহান শাহ্ ( রহ.) চট্টগ্রাম আগমনের সময়কালটি অনেকটাই সমসাময়িক বলে মনে হয়। কারণ ধলই দরবার শরীফের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় পূর্বপুরুষগণ মাজার শরীফ প্রশস্ত ও মেরামত করার সময় একটি শিলালিপি পেয়েছিলেন। তাঁর শিলালিপিটি গবেষণা করে তার ওফাত দিবস নির্ধারণ করেছে বক্তরা আরো বলেন মাজার সংস্কারের কাজের সময় মাজার সন্নিহিত অপর একটি কবরের কিছু মাটি খুঁড়া হয়ে যায়। এতে কবরের অভ্যন্তরে একজন সদ্য সমাহিত লাশের মত ধবধবে সাদা কাফন ও একটা “আসা” বা লাঠি দেখা যায়। এগুলো থেকে সুগন্ধি বের হতে থাকে বলে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন