খুঁজুন
, ,

৭ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ বন্ধের হুঁশিয়ারি আদানির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 3 November, 2024, 3:38 pm
৭ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ বন্ধের হুঁশিয়ারি আদানির

বকেয়া ৮৫০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ না করা হলে ৭ নভেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে বাংলাদেশকে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩১ অক্টোবর বকেয়া পরিশোধের নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭০ মিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র খোলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে উল্লেখিত শর্ত পূরণ করেনি বিপিডিবি।

এর আগে বকেয়া পরিশোধ না করায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দেয় ভারতের আদানি গ্রুপ। গত বৃহস্পতিবার দিনে প্রতিষ্ঠানটির ঝাড়খণ্ডের গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে গড়ে মাত্র ৫৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেয়েছে বাংলাদেশ। যদিও গত বুধবার পর্যন্ত গড়ে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ডলার সংকটের কারণে সময়মতো অর্থ পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সক্ষমতা এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। আদানির পাওনা প্রায় ১০ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। এ ছাড়া দেশের কয়লাভিত্তিক বড় দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র এস আলম ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও উৎপাদন কমেছে।

সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি আদানি পাওয়ারের (ঝাড়খণ্ড) প্রতিনিধি ও যৌথ সমন্বয় কমিটির সভাপতি এম আর কৃষ্ণ বকেয়ার বিষয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ডলারের জন্য প্রয়োজনীয় এলসি প্রদান করেনি এবং ৮৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের (১০ হাজার ৮৬ কোটি টাকা) বকেয়াও শোধ করেনি। সময়মতো এলসি না দেওয়া এবং বকেয়া পরিশোধ না করায় চুক্তির ব্যত্যয় ঘটেছে, যা আদানি বিদ্যুতের সরবরাহ বজায় রাখতে বাধাগ্রস্ত করছে। বকেয়া পরিশোধ ও এলসির অভাবে কয়লা সরবরাহকারী এবং কেন্দ্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটানো যাচ্ছে না। চিঠিতে আদানি পিডিবিকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানায়। না হলে ৩১ অক্টোবর থেকে সরবরাহ বন্ধ করা হতে পারে বলেও জানায়।

এদিকে এস আলম গ্রুপ তাদের এক হাজার ২২৪ মেগাওয়াট সক্ষমতার বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পিডিবির কাছে দুই হাজার কোটি টাকা পাবে। এসএস পাওয়ার ১-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তান ঝেলিং একটি চিঠিতে পিডিবিকে জানিয়েছে, দ্রুত বকেয়া পরিশোধ করা না হলে কয়লা আমদানির জন্য এলসি খোলা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লা সংকটের কারণে ইউনিট-২ বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও ইউনিট-১ বর্তমানে গড়ে ৩৫০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন করছে। রামপালেরও পিডিবির কাছে বড় অঙ্কের পাওনা জমেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ২৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট।

Feb2
Feb2

দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:35 pm
দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে দ্রুত সম্পৃক্ত হতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 8:51 pm
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে দ্রুত সম্পৃক্ত হতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

“বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান, মানবতার হাত বাড়ান” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও গতিশীল, সমন্বিত ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), চট্টগ্রাম মহানগরের বন্যার্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক জনাব নাজিমুর রহমান। সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেন, বন্যার তাৎক্ষণিক সংকট অনেক এলাকায় কমতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। অনেক পরিবার এখনও ঘরবাড়ি, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জীবিকার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো পুনর্বাসন কার্যক্রমে দ্রুত সম্পৃক্ত হওয়া। মহানগর বিএনপির প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা মানবিক এই উদ্যোগে অংশ নিন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব বলে আমি বিশ্বাস করি।

সভায় নেতৃবৃন্দ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চলমান ত্রাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তথ্য সংগ্রহ, প্রয়োজন নিরূপণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। পাশাপাশি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে যাতে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব করা সম্ভব হয়।তাই পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল এবং শিহাব উদ্দিন মুবিন।

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ক্যাম্পের পানি পান করে ৩ পুলিশ সদস্য অসুস্থ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 8:31 pm
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ক্যাম্পের পানি পান করে ৩ পুলিশ সদস্য অসুস্থ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের খাওয়ার পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রোবার (২৬ জুলাই) সকালে ডিউটিরত অবস্থায় এই ঘটনা ঘটে। ওই পানির নমুনা সংগ্রহ করে এরইমধ্যে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পের পাশের একটি ঘর থেকে নিয়মিত খাওয়ার পানি সংগ্রহ করতেন পুলিশ সদস্যরা। রোববার সকালে ওই পানি পানের কিছুক্ষণ পরই কয়েকজন সদস্য অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। পরে পানি পরীক্ষা করে দেখা যায়, পানিগুলোর রং সাদা এবং তাতে উৎকট গন্ধ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা অসুস্থ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, জঙ্গল সলিমপুরের একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পানির মধ্যে কিছু ‘মিশিয়ে’ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, ‘বিষাক্ত পানি পান করে আমাদের তিনজন পুলিশ সদস্য অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যে মহলটি বারবার চাইছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখান থেকে চলে যাক, এটি তাদেরই একটি হীন চক্রান্ত হতে পারে।’

তিনি আরও জানান, ‘এ ঘটনায় গভীর তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।’