খুঁজুন
, ,

বৈষম্যবিরোধী ও সমন্বয়ক পরিচয়ের কী হবে, জানালে নাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 March, 2025, 7:32 pm
বৈষম্যবিরোধী ও সমন্বয়ক পরিচয়ের কী হবে, জানালে নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী অথবা সমন্বয়ক পরিচয়ের এখন কোনো অস্তিত্ব নেই। এ সময় ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে দেওয়া নিজের বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে মর্মে যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

শুক্রবার (৭ মার্চ) বিকালে জাতীয় নাগরিক কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় নিজের দেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব নয়, এভাবে বলিনি। বলেছি পুলিশ যে নাজুক অবস্থায় আছে, সেই অবস্থায় থেকে নির্বাচন সম্ভব না। আমরা নির্বাচনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি।

তিনি বলেন, রয়টার্সের ইন্টারভিউতে কিছু মিস কোড হয়েছে। আমি বলেছিলাম যে আমাদের আর্থিক বিষয়ে সমাজের যে সচ্ছল মানুষ বা শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছেন, তারা মূলত আমাদের সহযোগিতা করে। আমরা একটা ক্রাউড ফান্ডিংয়ের দিকে যাচ্ছি। অনলাইন এবং অফলাইন কেন্দ্রিক। ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে কার্যালয় স্থাপনসহ ইলেকশন ফান্ডিং রিচ করব। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এটা নিয়ে ভুল তথ্য এসেছে। এটা সংশোধনের জন্য অনুরোধ থাকবে।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পুলিশ প্রশাসনের কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা নেই। তাদের সক্ষমতার পরীক্ষা হয় না দীর্ঘদিন ধরে। নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি অবশ্য উন্নত করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীর ওপর সহিংসতা, ধর্ষণের মতো ঘটনা ও ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

জেএন/এমআর

Feb2
Feb2

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 3:57 pm
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত- বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান। অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন। অ্যামচেম প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, প্রায় দুই মাস আগে সংগঠনটির নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা-ছেলে-ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 12:52 pm
ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা-ছেলে-ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা:: গত ৮, ৯ ও ১০ আগস্ট কিছু পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে ও “ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা, ছেলে, ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমি ইউপি সদস্য মুনির উদ্দিনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদের বিস্তারিত পড়ে আমি অবাক ও হতভম্ব হই। সব চেয়ে বড় অবাক হওয়ার বিষয় হলো সব পত্রিকার শিরোনাম একই। সংবাদে আমার বিরুদ্ধে উদ্যেশ্য প্রণোদিত ভাবে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনেছে।

আমি এহেন উদ্যেশ্য প্রণোদিত, অসত্য ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এহেন উদ্যেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশে নিবৃত থাকার দাবি জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে।
‎২০২২ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আমি আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী সকল প্রার্থীর যোগ ফলের অধিক ভোট পেয়ে বিপুল ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হই। আমার এই জনপ্রিয়তাকে মেনে নিতে পারছে না এলাকার কিছু চাটুকার ও কুচক্রী মহল। তারাই নানা ভাবে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। যারফলে মনগড়া কাহিনী সাজিয়ে সত্যকে গোপন করে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এহেন অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে। আমার বোন সাবরিনা ইয়াছমিন পারিবারিক মামলা নং ৪৪৩/২০ মুলে তালাক প্রাপ্ত হয়। ফলে সেই বিধবা ভাতার আওতায় আসে। পরে তার পূণরায় বিবাহ হলেও তার নাম তালিকা থেকে বাদ যায়নি। তালিকা থেকে কারো নাম বাদ দেওয়া বা সংযোজন করা কোনটার এখতিয়ার আমার নেই। তবে বিয়ের পর থেকে আমার বোনের ভাতার সম্পূর্ন টাকা একটি মাদ্রাসায় দিয়ে দেওয়া হয়।

‎আমার বাবার প্রতিবন্ধী ভাতা ও মায়ের বয়স্ক ভাতার তালিকা হয় ২০১৮ সালে । আমি মেম্বার নির্বাচিত হই ২০২২ সালে । সুতরাং তাদের ভাতার তালিকার বিষয়ে আমাকে জড়িয়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা  ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয়, আমার ভাতিজা হাচ্ছান বীন আলম সাজিদ ও আমার ছেলে আবরার বীন মুনির সাআদ। উভয়ের সমাজ সেবা কর্তৃক প্রতিবন্ধী আইডি কার্ড রয়েছে। যার আইডি নং যথাক্রমে আবরার-আইডি নং -২০১৫১৫১০৪৯৫১১০২১৩১-০২ ও হাচ্ছান-আইডি নং -২০১০১৫১০৪৯৫১২২৫১৬। ২০২২ সালে উপজেলা প্রশাসন থেকে ২০ জনের প্রতিবন্ধী তালিকা দেওয়ার নির্দেশ দিলে প্রতিবন্ধী না পাওয়াতে ১৬ জনের তালিকা জমা দেওয়া হয় ।

‎সংবাদে  সেলিনা আক্তার জন্মগতভাবে বাকপ্রতিবন্ধী। আমার বাঁধায় তালিকা ভুক্ত হয়নি কথাটা ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট। যেখানে ২০ জনের চাহিদা ছিলো সেখানে ১৭ জনের তালিকা দেওয়া কি এমন বিষয় ছিলো ? এছাড়া তারা চেয়ারম্যানের কাছেও যেতে পারতো।

“দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস” পত্রিকায় ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা-ছেলে-ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি উদ্যেশ্য প্রণোদিত, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র মূলক। আমি এহেন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এহেন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপি’র নেতৃত্বে মুন্না-মানিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 11:38 am
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপি’র নেতৃত্বে মুন্না-মানিক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে লায়ন এ.এম মুন্না চৌধুরীকে এবং সদস্য সচিব হয়েছেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক জোবাইরুল আলম মানিক।

রবিবার(১০ আগস্ট) এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক(দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি কমিটি অনুমোদন করেন।

আগামী ছয় (০৬) মাসের জন্য নিম্নোক্ত ৬৮ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়:

আহ্বায়ক: লায়ন এ.এম মুন্না চৌধুরী

সিনিয়র-যুগ্ম আহ্বায়ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাস্টার ও শামসুল আলম।

যুগ্ম আহ্বায়ক: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলাম, জয়নুল আবেদীন কায়সার, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ কাইয়ুম।

সদস্যসচিব: জোবাইরুল আলম মানিক

সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব: মোঃ মুশফিকুর রহমান চৌধুরী মিশকাত

যুগ্ম সদস্যসচিব: মাওলানা আনাস মাহমুদ, মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, ফরিদুল আলম, মীর মনসুরুল ইসলাম, জহির উদ্দিন, রোকজিনা আক্তার (তানিয়া আমিন), জিয়াউর করিম, মোহাম্মদ আরজু, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, মোঃ নুরুল আমীন, মঈনুদ্দিন সাকিব, মোঃ রিদওয়ানুল করিম হৃদয়, তারেকুল ইসলাম মিনহাজ।

সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, সিফাত চৌধুরী।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ আকাশ নূর, মোঃ হাসিন ইশরাক চৌধুরী, লায়ন মোহাম্মদ উল্লাহ মাহমুদ, শহিদুল ইসলাম সাহেদ, এ.কে.এম মোর্শেদ, তৌহিদুল ইসলাম মাসুম, সাকিবুল ইসলাম, ইয়াসিনুর রহমান, হারুনুর রশিদ, সাইফুর রহমান আরিফ, ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর, দেলোয়ার মাহমুদ, মোহাম্মদ নাইমুল হাসান, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম কাদেরী।

দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক: ইরফান মাহমুদ আল সাঈদ

সহ-সম্পাদক: জহির উদ্দিন চৌধুরী হিমেল

আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট আরমান উদ্দিন আজাদ

উপ-সম্পাদক: এ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান, এ্যাডভোকেট মুহিবুল্লাহ মুহিব।

প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক: ইমরান হোসেন তারা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক: মোহাম্মদ শাহেদুল আলম, জাফর ইসলাম চৌধুরী, রিয়াজ মোহাম্মদ সাকিব তালুকদার, শাহেদুল আলম শিকদার।

কোষাধ্যক্ষ: মোঃ সাইফুল ইসলাম (রাব্বি)

সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: শেখ বদিউল আলম নোমান

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: সৈয়দ মোঃ শাহরিয়ার ইমন।

শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মোসলেম উদ্দিন শাকিল

সহ-সম্পাদক: মোঃ এমরানুল ইসলাম

নারী বিষয়ক সম্পাদক: ডালিয়া বড়ুয়া

সহ-সম্পাদক: জুবাইদা হক তানজু, মরিয়ম বেগম।

সদস্য: আব্দুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ সায়েমুল হক, হাফেজ মিজানুর রহমান কাদেরী, আবরার হাবিব, রাশেদুল আলম সৌরভ, হায়দার আলী, এস. এম. মোজাম্মেল ইসলাম, সুমাইয়া সুলতানা নাহিন,আরফাতুর রহমান, নাঈম উদ্দিন।