খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এনসিপি ফের গোপালগঞ্জ যাবে, প্রতিটি ঘরে গণঅভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে: নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫, ২:৩২ অপরাহ্ণ
এনসিপি ফের গোপালগঞ্জ যাবে, প্রতিটি ঘরে গণঅভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘গোপালগঞ্জের প্রতিটি ঘরে ঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে। গোপালগঞ্জ মুজিববাদীদের হবে না, বাংলাদেশপন্থীদের হবে।’

নাহিদ লিখেছেন, ‘আমরা আবারও গোপালগঞ্জে যাব। জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রতিটি উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে কর্মসূচি করব।’

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বৃহস্পতিবার দুপুরে নাহিদ ওই পোস্ট দেন। তিনি লিখেছেন, ‘পুরো বাংলাদেশের প্রতি আমাদের যে কমিটমেন্ট গোপালগঞ্জের প্রতিও সে কমিটমেন্ট। গোপালগঞ্জের অধিবাসীদের প্রতি রাজনৈতিক বৈষম্যের আমরা বিরোধিতা করি। গোপালগঞ্জ ও পুরো বাংলাদেশকে আমরা মুজিববাদী সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত করব।’

নাহিদ লিখেছেন, ‘আমরা যুদ্ধের আহ্বান নিয়ে যাই নাই। আমাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালায়। যে রকম জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সব সময় একটা গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়।’

‘গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের এত হত্যাযজ্ঞের পরও ৫ আগাস্টের পরে অনেকে ‘‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’’ আনতে চেয়েছিল। তাদের মনে রাখা উচিত আওয়ামী লীগ কোন রাজনৈতিক দল নয়, আর এটা একটা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন।’

পোস্টের একাংশে নাহিদ লিখেছেন, ‘আমরা চারজনের মৃত্যুর কথা শুনেছি। কোন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে আমরা সমর্থন করি না, প্রত্যাশা করি না। সন্ত্রাসীদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থা যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতো তাহলে এ পরিস্থিতি তৈরি হতো না।’

এনসিপির আহ্বায়ক আরও লিখেছেন, ‘এ দায়ভার সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে। আমরা পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সন্ত্রাসীদের বিচার দাবি করছি। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে। শুধু গোপালগঞ্জ নয় সারাদেশে এ গ্রেফতার অভিযান চালাতে হবে।’

Feb2

নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই। তাই প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি থেকে মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের ৩ দিন পর শপথ পাঠ করাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সামনে দুটি অপশন আছে। রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে হয়তো আমাদের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। এটা যদি না হয়, তাহলে আমাদের যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ পড়াবেন। সে ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে, তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথগ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই।

তিনি বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন ১২ ফেব্রুয়ারি ইলেকশনের পর তাদের শপথ পাঠ করানোর কথা হচ্ছে স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন আমাদের এখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ, আরেকজন জেলে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এই অবস্থায় তাদের দ্বারা শপথ পাঠ করানোর সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।

আমাদের আইনে আছে তারা (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) যদি শপথ পাঠ করাতে না পারেন তাহলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি শপথ পাঠ করাবেন। এটা হচ্ছে এক। দুই হচ্ছে তিন দিনের মধ্যে যদি এই শপথ না হয় তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

এখন বিষয়টি নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সিনিয়র সচিব আসবেন, তার সঙ্গে কথা বলব। আইনটা দেখব। তারপর চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রধান উপদেষ্টাকে আমার অভিমত জানাব।

আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ১০ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ১০ জন

বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চু ও বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ফরিদা আক্তার ববিতাসহ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি এ বছরের একুশে পদক পাচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব জানান, চলচ্চিত্রে অভিনেত্রী ববিতা, চারুকলায় প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), ব্যান্ড মিউজিকে ওয়ারফেজ, নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস এবং নৃত্যে অর্থী আহমেদ একুশে পদক পাচ্ছেন।

আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবঃ জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবঃ জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স সংলগ্ন রেল স্টেশনের বাউন্ডারির ভিতর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন উপলক্ষে আজ ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবীর ভূঁইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন ও সিএমপি’র ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, পিএসসি।

২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ বিভাগসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মর্কতা-কর্মচারীরা দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ২০২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ৯ জন শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন অনেকে। তাঁদের অবদান আমরা কখনো ভূলতে পারবো না। নির্বাচনের এ সময়ে কোন স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের প্রোগ্রাম আমাদের নেই। এর পরও আমরা শুধুমাত্র জুলাই অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং তাঁরা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ দেখতে পায় সে লক্ষ্যে রেল স্টেশনের বাউন্ডারির ভিতরেই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছি। আমরা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের স্মৃতি। এটির রক্ষণাবেক্ষন ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। সে দিন যারা শহীদ হয়েছে, নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে, তাদের স্মৃতি যে কোনভাবে আমরা ধরে রাখবো। আমাদের শহীদ পরিবারের সন্তানেরা সেদিন যে উদ্দেশ্যে শহীদ হয়েছিল সে উদ্দেশ্যে আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব।