খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্দেশ মানছেনা পাউবো

কৃষকের পানি গিলছে হালদাভ্যালী চা-বাগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
কৃষকের পানি গিলছে হালদাভ্যালী চা-বাগান

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বারোমাসিয়া খালের গতি পরিবর্তন করে অবৈধভাবে পানি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে শিল্পপতি নাদের খানের মালিকানাধীন হালদা ভ্যালী চা-বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পক্ষান্তরে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন পাম্প বসিয়ে একতরফা পানি উত্তোলন না করতে বাগান কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। কিন্তু বাগান কর্তৃপক্ষ তা এখনো মানছেন না। এদিকে, পানি না পেয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকার কৃষক। এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসন বলছে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রান্তিক কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার্থে ১৯৮০ সালে উপজেলার নারায়ণহাট ইদিলপুর এলাকায় একটি মাঝারি ধরনের স্লুইসগেট স্থাপন করে সরকার। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে এটি ব্যবহার করে শত শত কৃষক তাদের চাহিদামতো বোরো চাষাবাদ করেন। কিন্তু প্রতিবছরই বাগান কর্তৃপক্ষের গোয়ার্তুমির কারণে এলাকার শত শত কৃষক তাদের চাহিদামতো চাষাবাদ করতে পারেন না। ফলে কৃষকের মাঝে বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

পাম্প দিয়ে পানি তুলছে হালদাভ্যালী চা বাগান

সরেজমিনে দেখা যায়, ইদিলপুর স্লুইসগেটের উপরে বারোমাসিয়া খালের গতিপথ পরিবর্তন এবং খালের বিভিন্নস্থানে ৬টি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পাম্প বসিয়ে পানি উত্তোলন করছে চা-বাগান কর্তৃপক্ষ। সেসব স্থানের বাসিন্দারা বলেছেন বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু বলা বা এখানে থাকা কোন ভাবেই কারো সম্ভব নয়। ফলে কর্তৃপক্ষের শাসন-শোষণে সবাই জিম্মি। তারা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি ও প্রশাসনের নজরদারী চান।

স্থানীয় কৃষক মো. মুছা বলেন, ‘ধান রোপনের শুরুতে পানি পেলেও মাঝামাঝি সময়ে এসে খালে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়না। হালদাভ্যালী চা-বাগান খালের বেশিরভাগ পানি অবৈধভাবে উত্তোলন করে নেওয়ায় আমরা চরমভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছি। ন্যায্য পানি না পেয়ে শত শত একর জমির চাষাবাদ নষ্ট হচ্ছে। এই মুহুর্তে পানির ব্যবস্থা না হলে কৃষকেরা চরমভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে।’

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাহার বলেন, ‘বাগানটি সব শেষ করে দিচ্ছে। তারা কারো কথা শুনেন না। পাউবোর নোটিশও মানেন না। এই মৌসুমে পানির চরমভাবে সংকট। আবার সেই ক্রান্তিকালে আমাদের মরার উপর খরার ‘ঘা’। এ অবস্থা থেকে আমরা মুক্তি চাই।’

বারোমাসিয়া পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. ফজলুল করিম বলেন, ‘এলাকার শত কৃষক পানির জন্য কষ্ট পাচ্ছেন- এটি ভাবতেই কষ্ট হয়। কিন্তু বাগান কর্তৃপক্ষকে কিছু বলতে পারি না। কৃষকেরা বোরোতে স্বপ্ন বুনেন। দেশের চাহিদা মেঠাতে তারা দিনরাত পরিশ্রম করেন। এভাবে হলে আমরা কীভাবে বাচঁবো।’

হালদাভ্যালী চা-বাগানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক মো. মহসিনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হয়। তিনি ফোন ধরেন নি। পরে সেই মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হয়। বার্তার কোন জবাবও তিনি দেননি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চট্টগ্রামের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সোহাগ তালুকদার বলেন, ‘বাগান কর্তৃপক্ষ এভাবে একতরফাভাবে পানি উত্তোলন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে এই নীতি সকলের জানা দরকার। তাদের আমরা (১১ মার্চ) তিনদিনের সময় বেঁধে দিয়েছি। না মানলে প্রশাসনের সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘পাউবো তাদের নোটিশ দিয়ে সময় বেঁধে দিয়েছেন। আশা করবো বাগান কর্তৃপক্ষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। অন্যতায় দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…