খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 April, 2025, 9:47 pm
চট্টগ্রামে বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকায় ডিসি হিলে সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদযাপন পরিষদের অনুষ্ঠান মঞ্চ ভাঙচুর করা হয়েছে।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত হামলায় অংশ নেয়। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলের মঞ্চের কাঠামো ভেঙে ফেলার পাশাপাশি চেয়ার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলা হয়।

যদিও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, হামলা বলতে শুধু ব্যানার খুলে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৭টি সংগঠন অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে থাকে। জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন (জাসাস) বলেছে তারা এই প্রোগ্রাম আয়োজন করতে দিতে চায় না। কিন্তু তারা লিখিত কোনোকিছু দেয়নি। তারা কয়েকজনের নাম দিয়েছে বলেছে এরা প্রোগ্রামে থাকতে পারবে না। পরে তারা দলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্বৈরাচারের দোসরদের প্রোগ্রাম করতে দেবে না। সন্ধ্যার দিকে এসে তারা শুধু ব্যানার খুলে নিয়েছে।

সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী টিটু বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আনুমানিক কয়েকজন ছেলে-মেয়ে এসে ‘স্বৈরাচারের দোসরেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ স্লোগান দেয়। একপর্যায়ে তাদের উগ্রতা দেখে আমরা একপাশে সরে দাঁড়াই। এরপর তারা ডেকোরেশনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলল এবং মঞ্চের পেছনের কাপড়ও ছিঁড়ে ফেলে। হামলার পর পুলিশ সদস্যরা এসেছেন। আগামীকাল অনুষ্ঠান করার মতো অবস্থা এখন আর নেই। আমি শুনেছি, আমরা যখন ডিসি অফিসে মিটিং করেছিলাম ওইদিন ওখানে যারা উপস্থিত ছিল তাদের কয়েকজন হামলার সময়ও ছিল। ব্যাক স্টেজের ডিজাইন তারা ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছে। আগামীকালের অনুষ্ঠান আমরা বাতিল করছি।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে ডিসি হিলে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হয়। শর্ত হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর নামের তালিকা প্রশাসনকে আগেই দেখাতে বলা হয়। একই সঙ্গে পহেলা বৈশাখের এ অনুষ্ঠান দেখভাল করার জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদারকি কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।

রোববার ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ অভিযোগ তুলে প্রায় ২০টি সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ডিসি হিলের পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এদিন বিকেলে জেলা প্রশাসন থেকে সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন পরিষদের সংগঠকদের কাছে এই তালিকা পাঠানো হয়।

এর আগে এদিন সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সম্মিলিত বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন মঞ্চ নামে একটি সংগঠন মানববন্ধন করে। ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার চিহ্নিত দোসরদের নেতৃত্বে বাংলা নববর্ষ অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন আয়োজনের প্রতিবাদে’ এই মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মূলত জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন (জাসাস), বিএনপির সহযোগী সংগঠন মিলে এই কর্মসূচির আয়োজন করে। জেলা প্রশাসক বরাবরে দেওয়া স্মারকলিপিতে এই সংগঠনগুলোকে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

সুদীপ্ত বিশ্বাস বিভু নামে একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, চট্টগ্রামের ডিসি হিলে বৈশাখী মঞ্চ ভাঙচুর করা হয়েছে। ২০ থেকে ২২ জন লোক সন্ধ্যার সময় অতর্কিতে ডিসি হিলে ঢুকে ভাঙচুর করে চলে গেছে। শুরু থেকেই চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান পালনে বিভিন্নভাবে বাধা দিয়ে আসছিল। অনুমতি দেওয়া হয়েছে একেবারে শেষ মুহূর্তে। প্রশাসনের তরফ থেকে আয়োজকদের হুমকির সুরে বলা হয়েছে অন্তত ২০ থেকে ২২টা সংগঠনকে যেন অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠতে দেওয়া না হয়। এর সঙ্গে ছিল নানামুখী অসহযোগিতা ও চাপ প্রয়োগ।

Feb2
Feb2

পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:31 am
পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ২ টন খনিজ কয়লা ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি কাঠের বোট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। জব্দ করা কয়লার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বোট দুটি থেকে প্রায় ২ টন খনিজ কয়লা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি সাম্পান বোটও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা কয়লা ও বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 9:22 am
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

রেলপথে নাশকতা ঠেকাতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করছে, তারা নাশকতাকারী এবং জুলাই-আগস্টে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন না করে নাশকতা করছে। দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে এবং তারা পালিয়ে গেছে। এখন জনসমর্থন না থাকায় পরাজিত ও পলাতক সেই শক্তি নাশকতার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা বাস্তবায়ন করেছে। নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ, আরএনবি, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাশকতাকারীরা যেসব স্থান দিয়ে রেলস্টেশনে প্রবেশ করতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিডিয়ার সামনে কথা বলতে অভ্যস্ত নন। তবে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের স্থান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে বোঝা যায়, যারা এই কাজ করেছে তারা পরিকল্পনা করেই এসেছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, যেখানে আগুন লাগানো হয়েছে সেখানে অন্ধকার ছিল। স্টেশনে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এর বাইরে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা নাশকতাকারী, তারা নাশকতার চেষ্টা করবেই। নাশকতা করে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যায়নি। বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এবং তারাই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। নাশকতাকারীদের জনগণ ও প্রশাসন মিলে প্রতিহত করবে।

রেলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে প্রশাসন, আরএনবি, পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়েছে। এখন আরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে কোনো দিক দিয়ে অঘটন না ঘটে। দুষ্কৃতিকারীরা চেষ্টা করবে, একই সঙ্গে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টাও করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে। তবে এর কারণে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:42 am
যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন।