খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমান গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক- বেলায়েত বুলু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক- বেলায়েত বুলু

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে স্বাগত মিছিল ও সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ময়দানে মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু ও সঞ্চালনায় ছিলেন নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ।

মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক ও আশাব্যঞ্জক অধ্যায়। তিনি শুধু বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বই নন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক। ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়ে তিনি প্রবাস থেকেই যে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা দেশবাসী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

সমাবেশের সঞ্চালক চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা মানে গণতন্ত্রের পথে নতুন প্রত্যাশা, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন গতি। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি আরও সুসংগঠিত হবে এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার পথে অগ্রসর হবে।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মাঈনুদ্দিন রাশেদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জহিরুল হক টুটুল, আবু বক্কর রাজু, রাজীব উদ্দিন আকন্দ, মহসিন কবির আপেল, রিফাত হোসেন শাকিল, দিদার হোসেন, হারুনুর রশিদ, গোলাম সরোয়ার, মো. আলমগীর, কামরুল হাসান, এন মোহাম্মদ রিমন, আরিফুর রহমান চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আব্দুল হাই, আকতার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, এম এ হানিফ, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, আব্দুল মান্নান, মো. রাসেল খাঁন, ইঞ্জিনিয়ার নুরুজ্জামান শিমুল, আব্দুল মান্নান আলমগীর, সাইফুল আলম দিপু, ইকবাল হোসেন রুবেল, মোঃ জাহিদুল ইসলাম (দপ্তরের দায়িত্বে), নোমান সিকদার সোহাগ, রিদওয়ানুল হক রিদু, আকবর হোসেন মানিক, ইমরান সিদ্দিকী জ্যাকশন, জাকির হোসেন মিশু, জাফর হোসেন রনি, কাজী মহিউদ্দিন, মো. মাহী রুবেল, ইকবাল হোসেন জিসান, মোঃ জসিম উদ্দিন, মো. ইব্রাহীম, মো. বাকের, রাশেদ পাটোয়ারী, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিউল আলম শফি, আব্দুল্লাহ আল হাসান সোনামানিক, আলতাফ হোসেন, সাজিদ হাসান রনি, মোঃ দুলাল, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আকতার হোসেন, ইউসুফ সুমন, ইয়াসির আরাফাত, রিয়াজ উদ্দিন রাজু, রাহাত উল্লাহ রবিন, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান মোহন, আরমান শুভ, মোঃ মিজান, মোঃ শামীম, তৌসিফ চৌধুরী, নুরুল কবির পলাশ, মোঃ ওসমান, আশরাফ টিপু, আইনুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল খালেক, আব্দুল্লাহ আল ফিরোজ টিপু সহ থানা ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু ও সদস্য সচিব ইন্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ এর নেতৃত্বে মিছিলটি জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাজির দেউড়ি নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…