খুঁজুন
, ,

বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে আট দলের সঙ্গে নির্বাচন করব : নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 December, 2025, 9:51 pm
বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে আট দলের সঙ্গে নির্বাচন করব : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য ও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে জামায়াতসহ সমমনা আট দলের সঙ্গে আমরা নির্বাচনে অংশ নেব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামীকাল চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির পক্ষ থেকে আমরা প্রথম থেকে বলে এসেছি যে, আমরা আসন্ন এই নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণ করতে চাই। আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে চাই। সে অনুযায়ী আমাদের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা চলছিল। আমরা সারাদেশ থেকে মনোনয়ন আহ্বান করেছিলাম, যারা প্রার্থী হতে চায়। পরে আরও দুটি দলের সাথে আমাদের একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছিল। সংস্কার প্রশ্নে তখন আমরা বলেছিলাম যে আমরা তিনটি দল মিলে যে সংস্কার জোট, আমরা একত্রে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।

তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির শাহাদাত বরণ এবং তাকে প্রকাশ্যে গুলি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অনেক বেশি পরিবর্তন হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড, এই শাহাদাত বরণের মধ্য দিয়ে আমরা বুঝতে পারছি, বাংলাদেশে আধিপত্যবাদী আগ্রাসী শক্তি এখনো কার্যকর রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যাদেরকে আমরা পরাজিত করেছিলাম, তারা নির্বাচন বানচাল করার জন্য এখনো চক্রান্ত করছে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা, সেটাকে ব্যাহত করার জন্য তারা চক্রান্ত করছে। এই জুলাই প্রজন্মকে নিঃশেষ করে দেওয়ার জন্য তারা চক্রান্ত করছে। সেদিন ওসমান হাদির গায়ে গুলি লেগেছে, কালকে আপনার গায়ে লাগবে, পরশুদিন আমার গায়ে লাগবে। কারণ প্রথম ও প্রধান টার্গেট করা হচ্ছে এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদের; সারা দেশের তরুণরা, নাগরিকরা, শহীদ পরিবার, যারা আহত যোদ্ধা রয়েছে তাদের।

ফলে এই পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আমাদের কাছে মনে হয়েছে এই মুহূর্তে এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য, প্রতিযোগিতাপূর্ণ করার জন্য এবং যাতে আধিপত্যবাদী কোনো শক্তি আমাদের এই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অগ্রযাত্রাকে ঠেকাতে না পারে সেজন্য আমাদের বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন। সেই তাগিদ থেকেই আমরা জামায়াতে ইসলামী ও তাদের যে সমমনা আট দল রয়েছে তাদের সাথে আমরা কথা বলেছি। তাদের যে নির্বাচনী সমঝোতা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি সে নির্বাচনী সমঝোতায় সম্মত হয়েছে। আমরা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি এবং এই সমমনা আট দল একত্রে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলের জোটকে নির্বাচনী জোট দাবি করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এটি নির্বাচনী সমঝোতা জোট। একদিকে যেমন নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য, অন্যদিকে প্রথম থেকে সংস্কার ও বিচারের প্রশ্নে আমরা কাজ করে যাচ্ছিলাম। সেই সংস্কার, বিচার ও আধিপত্যবাদবিরোধী, দুর্নীতিবিরোধী এই বিষয়গুলোতে আমাদের কর্মসূচি থাকবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের যে সংকটগুলো রয়েছে, যেখান থেকে এই বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। জুলাই প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী যে আমাদের আকাঙ্ক্ষা সেটা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, এজন্য আমরা একটা বৃহত্তর ঐক্যের জায়গায় পৌঁছেছি। আমরা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণাটি দিচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা আগামীকাল আমাদের প্রার্থী চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করব। সমঝোতায় আমাদের যারা প্রার্থী হবেন তারাই নমিনেশন ফরম জমা দেবেন। সারা বাংলাদেশে আমরা একত্রে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং তাদের সহযোগী সংগঠন গণভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করবে। যেখানে আমাদের প্রার্থী থাকবে না, সেখানে অন্য প্রার্থী থাকবেন। এই সমঝোতা তাদেরকে সহায়তা করবে। তাদের পক্ষে ক্যাম্পেইন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:34 am
হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত লং মার্চ সফলতায় অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুইদিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লং মার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের দ্বিতীয় দফার লং মার্চ। প্রথম দফা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর মেহেরবানীতে সফলভাবে এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরঞ্চ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। আজকে আট দফা, মনে রাখবেন, এটা নয় দফা হতে পারে, ১০ দফা হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে।’

এক দফায় পরিণত হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক দফায় যখন পরিণত হবে, তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে। আমরা বলি, সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন।’

দাবি না মানলে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে কোনো কাজ হবে না। আমরা কোনো কিছুকেই পরোয়া করব না। কারণ আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

১১ দলের সঙ্গে দেশের ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আজকে ১৮ কোটি মানুষ ১১ দলের সঙ্গে আছে। সেই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, এ লড়াই শুরু হয়েছে। দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:22 am
ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয়

লং মার্চ ঠেকাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সারা দেশে দেখতে পাচ্ছি—লং মার্চের পক্ষে যে ঐতিহাসিক গণজোয়ার শুরু হয়েছে, সেটাকে প্রতিরোধ করার জন্য গতকাল রাত থেকে আমাদের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তবে ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের এই গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা টু চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক লং মার্চ সফল করার পরে আজকে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি ঢাকা থেকে রংপুরের আমাদের সেই ঐতিহাসিক লং মার্চ। রংপুরের আজকের এই ঐতিহাসিক লং মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃত্বে, আট দফা দাবিতে।

তিনি বলেন, সরকার গুম আইন পাস করেছে, মানবাধিকার আইন পাস করেছে, র‌্যাবের নাম বদলিয়ে এসআরবি করেছে এবং এই সরকারের যেখানে দায়িত্ব ছিল মানবাধিকারের সুরক্ষা দেওয়া, তারা মানবাধিকার হরণ করার সব ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। শেখ হাসিনার সরকার জনগণের অধিকার হরণ করতে যেসব আইন এবং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, বর্তমান সরকারও ঠিক একই আইন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করতে শুরু করছে। আমরা বলতে চাই, বিগত ১৬ বছর আমরা লড়াই করেছিলাম মানবাধিকারের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি এখন সরকারে এসে নিজেরাই জনগণের মানবাধিকার হরণ করছে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, অতীতে তাদের স্থান হয়েছে ইতিহাসে। তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন। তিনি কি হেলিকপ্টার করে পালিয়ে দেশ থেকে যাবেন, নাকি সম্মানের সহিত ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করবেন?

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি, এরশাদও সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে তারেক রহমানকে তার যাওয়ার রাস্তা নিজেকেই বাছাই করে নিতে হবে।

লং মার্চ ঠেকাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমরা সারা দেশে দেখতে পাচ্ছি, লং মার্চের পক্ষে যে ঐতিহাসিক গণজোয়ার শুরু হয়েছে, সেটাকে প্রতিরোধ করার জন্য গতকাল রাত থেকে আমাদের যেই রাস্তা, যেই রোড, সেখানে আমাদের যেসব ব্যানার, ফেস্টুন, ১১ দলের সেই ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে এই লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দফা বাড়ছে। কিন্তু আমরা জানি, সব দফা কোথায় এসে ঠেকবে? এক দফায়। সেটার জন্য প্রস্তুত হন। ইনশাআল্লাহ, যত বাধাই হোক, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আজকের এই লং মার্চ সফল করব। ইনশাআল্লাহ। রংপুরে দেখা হবে।

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:16 pm
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।