খুঁজুন
, ,

বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন: খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 15 January, 2026, 7:46 pm
বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন: খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে আজীবন আপোষহীন ভূমিকা পালন করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কোনদিন আপোষ করেননি। তিনি নিজের জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাইতো মৃত্যুর পর এদেশের মানুষ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা দেখিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এতো বিশাল জানাজা আর কখনো হয়েছে বলে আমাদের জানা নাই। এমনকি পৃথিবীর ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) দুপুরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জমি বরাদ্দ দাতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্যোগে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে আয়োজিত শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন ও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারী জাহিদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আমীর খসরু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী অতিথিবৃন্দ তাঁকে সম্মান জানানোর জন্য এসেছিলেন। তারা সকলেই বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই বিরল সম্মান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর একজন সাধারণ গৃহবধূ হয়েও বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ইতিহাস গড়েছেন। ১৯৯১ সালে জনগণের ভালোবাসায় তিনি প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়গুলোতেও গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করেন।

আমীর খসরু বলেন, প্রতিটি দুর্যোগে বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে মানবতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তির কথা ভেবেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য মানবিক ও গণতান্ত্রিক নেত্রী।

তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ দরবারে প্রার্থনা করেন আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতের সুউচ্চ স্থানে অধিষ্টিত করেন। তিনি চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এই শোক সভা আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন অনন্য সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেন। চট্টগ্রামের প্রতি ছিল তাঁর অগ্রাধ ভালোবাসা। তাইতো বারবার ছুটে এসেছেন তিনি চট্টগ্রামে। সম্ভবত চট্টগ্রামেই তাঁর সর্বশেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ছাড়াও চট্টগ্রামের ইউএসটিসি, ডায়বেটিক হসপিটাল, শাহী কিডনি হাসপাতাল এসকল প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আজ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপন, ক্যান্সার বিভাগে ওভাল মেশিন স্থাপন তাঁর আমলেই হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবং এদেশের মানুষের মনের মনিকোঠায় তিনি আজীবন স্মরণিয় হয়ে থাকবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডোনার) ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর। বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারী রেজাউল করিম আজাদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা.মো. আব্বাস উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী কমিটির ট্রেজারার অধ্যক্ষ লায়ন ড. মোহম্মদ সানাউল্লাহ, অর্গানাইজিং সেক্রেটারী মো. সাগির, স্পোর্টস এন্ড কালচারাল সেক্রেটারী ডা. ফজল করিম বাবুল, ডোনার মেম্বার মো. হারুন ইউসুফ ও ইঞ্জি. মো. জাবেদ আবছার চৌধুরী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল ইসলাম তানভীর, সাইফুল আলম, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা.অসীম কুমার বড়ুয়া, হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নূরুল হক, অটিজম ও শিশু বিকাশ কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ডা.মাহমুদ আহমেদ চৌধুরী আরজু, পরিচালক (মেডিকেল এ্যাফেয়ার্স) ডা. এ. কে. এম. আশরাফুল করিম, পরিচলক (ফিন্যান্স) রফিকুল আলম, উপ পরিচালক (প্রশাসন) মোশাররফ হোসাইন, উপ পরিচালক (ফিন্যান্স) মনজুর আলম চৌধুরী, উপ পরিচালক (প্রশাসন, আইসিএইচ) ডা. মো. আবু সৈয়দ চৌধুরী, নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মিসেস স্মৃতি রানী ঘোষ, নার্সিং ইনষ্টিটিউটের অধ্যক্ষ মিসেস ঝিনু রানী দাশ সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপকবৃন্দ, ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:11 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’