খুঁজুন
, ,

জ্বালা‌নিতে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ খরচের কথা আইএমএফকে জা‌নিয়েছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 24 March, 2026, 5:39 pm
জ্বালা‌নিতে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ খরচের কথা আইএমএফকে জা‌নিয়েছে বাংলাদেশ

মধ্যপ্রা‌চ্যের চলমান সংক‌টের ম‌ধ্যে দে‌শের জ্বালা‌নি আমদা‌নি‌তে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ খরচ হ‌বে, তা আইএমএফকে জা‌নি‌য়ে‌ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের স‌ঙ্গে বৈঠ‌কের পর সাংবা‌দিক‌দের এক প্রশ্নের জবা‌বে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের নেতৃ‌ত্বে এক‌টি প্রতি‌নি‌ধিদল শুরু‌তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প‌রে অর্থমন্ত্রীর স‌ঙ্গে বৈঠ‌কে ব‌সেন আইএমএফের প্রতি‌নি‌ধিদল।

মধ্যপ্রা‌চ্যের চলমান প‌রি‌স্থি‌তির কার‌ণে জ্বালা‌নি আমদা‌নি‌তে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ যা‌বে। সরকার সে‌টি দে‌বে কি না, জান‌তে চাওয়া হয় অর্থমন্ত্রীর কা‌ছে। জবা‌বে তি‌নি ব‌লেন, সেটাও আলোচনার ম‌ধ্যে এ‌সে‌ছে। আমরা স্প্রিং মি‌টিং‌য়ে ওয়া‌শিংটন যা‌চ্ছি, সেখা‌নে বিস্তা‌রিত আলোচনা হ‌বে।

যুদ্ধ প্রেক্ষাপ‌টে আইএমএফ কো‌নো পরামর্শ দি‌য়ে‌ছে কিনা-জান‌তে চাই‌লে আমির খসরু বলেন, যু‌দ্ধের প্রেক্ষাপট আছে। ব্যাংকিং সেক্ট‌রের চ্যালেঞ্জ আছে, শেয়ার বাজা‌রে চ্যালেঞ্জ আছে। ট্যাক্স ও জি‌ডি‌পির ব্যাপার আছে। সরকা‌রের মাত্র এক মাস হ‌য়ে‌ছে। এরম‌ধ্যে রমজান মাস ছিল। এরম‌ধ্যে যুদ্ধ শুরু হ‌য়ে‌ছে। এ রকম প‌রি‌স্থি‌তির ম‌ধ্যে জ্বালা‌নি সংকট সত্ত্বেও প‌রিবহ‌নে কো‌নো সমস্যা হয়নি। ঈ‌দের সময় সবাই বা‌ড়ি‌তে যে‌তে পে‌রে‌ছে, ভাড়া বাড়েনি; দ্রব্যমূল্য স্থি‌তিশীল ছিল। এবার গা‌র্মে‌ন্টে‌সে অ‌স্থিরতা ছিল না। এটা হ‌য়ে‌ছে আমা‌দের অর্থ‌নৈ‌তিক ব্যবস্থাপনার কার‌ণে।

অর্থমন্ত্রী ব‌লেন, আমরা স‌ঠিক সম‌য়ে সিদ্ধান্তগু‌লো নি‌য়ে‌ছি ব‌লে এসব সুফল পাওয়া গে‌ছে। আমরা চেষ্টা ক‌রে যা‌চ্ছি। কিন্তু সরকার‌তো একা পার‌বে না। সবাইকে সহ‌যো‌গিতা কর‌তে দেশবাসীর কা‌ছে আহ্বান করব। সবাই‌কে সহানুভূ‌তিশীল হ‌তে হ‌বে, সংযমের ম‌ধ্যে আস‌তে। যে‌হেতু যু‌দ্ধে সরকা‌রের কো‌নো হাত নেই, যুদ্ধ হ‌চ্ছে অন্য জায়গায়। আমরা হ‌চ্ছে এটার ভুক্ত‌ভোগী। এজন্য আমা‌দের‌কে একটু সংয‌মের দি‌কে যে‌তে হ‌বে, সরকার‌কে সহ‌যো‌গিতা কর‌তে হ‌বে।

আইএমএফের ঋণ ছা‌ড় নি‌য়ে মন্ত্রী জানান, ওটা জুলাই‌তে আলাপ হ‌বে। পরে রি‌ভিউ জুলাই‌তে হ‌বে। এ‌প্রিলে ওয়া‌শিংট‌নে মি‌টিং আছে, সেখা‌নে আমরা এগু‌লো নি‌য়ে আলোচনা করব।

ঋণ কর্মসূচি আদায়ের প্রস‌ঙ্গে তি‌নি জানান, ওটা চল‌ছে। আলাপ-আলোচনা চল‌ছে। আইএমএফের যে শর্ত সেগু‌লো আমরা আলোচনা ক‌রে‌ছি। যতটুকু সম্ভব বাংলা‌দে‌শের অর্থ‌নৈ‌তিক প্রেক্ষাপ‌টে যেগু‌লো এখন সম্ভব নয় সেগু‌লো ক্রমান্ব‌য়ে কর‌তে হ‌বে। একস‌ঙ্গে সব করা যা‌বে না। কারণ, অর্থনী‌তি যে জায়গায় দাঁ‌ড়ি‌য়ে আছে সেখা‌ন থে‌কে উত্তরণ কর‌তে গে‌লে আমা‌দের‌কে আমা‌দের ম‌তো ক‌রে চিন্তা কর‌তে হ‌বে।

অর্থমন্ত্রী ব‌লেন, আইএমএফের স‌ঙ্গে আমা‌দের বেশ ক‌য়েক বছর ধ‌রে প্রোগ্রাম চল‌ছে। অতী‌তের সরকা‌রগু‌লো অর্থনী‌তি‌কে যেখা‌নে রে‌খে গে‌ছেন, তা থে‌কে উত্তর‌ণে আমা‌দের অ‌নেকগু‌লো সংস্কার দরকার। ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছে। শেয়ার বাজার খুব খারাপ অবস্থায় আছে। ট্যাক্স ও জি‌ডি‌পির অবস্থা খুবই ক‌ঠিন। এগু‌লো থে‌কে উত্তর‌ণে আমরা এ‌কের পর এক পদ‌ক্ষেপ নি‌য়ে যা‌চ্ছি।

আমির খসরু ব‌লেন, উন্নয়ন প্রকল্প যেগু‌লো আছে সেগু‌লো থম‌কে গে‌ছে। অন্তর্বর্তী সরকা‌রের সময় অ‌নেক কিছু থম‌কে গে‌ছে, সেগু‌লো‌কে রিভাইব কর‌তে হ‌বে। আর এগু‌লো রিভাইব কর‌তে গে‌লে আমা‌দের অর্থনী‌তি‌কে একটা জায়গায় নি‌তে হ‌বে। অর্থনী‌তি‌কে একটা জায়গায় নেওয়ার জন্য এরইম‌ধ্যে আমরা কিছু পদ‌ক্ষেপ নি‌য়ে‌ছি, আরও কিছু পদ‌ক্ষেপ নি‌তে হ‌বে। আমরা যে পদ‌ক্ষেপগু‌লো সেটার প্রতিফলন বাজেটে দেখ‌তে পা‌বেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।