খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগ্নভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে দখল করা হয়েছে। বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এটা নাই। এটা হয়ে গেছে হচ্ছে ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে।

বুধবার (৮এপ্রিল) সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১১ দিনের বিকেলের সেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬ উত্থাপনের পর সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে যে বিলটা আনা হয়েছে। সেই বিলে যদি আমরা দেখি এখানে কমিশন বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বুঝানো হয়েছে। এখানে দুই এর ‘ঘ’তে সংজ্ঞার মধ্যে আমরা যদি দেখি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার এটার ব্যাখ্যাটা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তি স্বার্থে সংঘঠিত যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে। এটাকে একভাবে দেখা হবে। আর আরেকটা হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্য যেই কার্যাবলীগুলো সংগঠিত হয়েছে। সেটাকে একভাবে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রবলেমের জায়গাটা যেটা সেটা হচ্ছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে যে ধরনের সংগঠিত হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেটাকে কে ডিফাইন করবে? সেটাকে কিন্তু ডিফাইন করবে এই আইন অনুযায়ী জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। অর্থাৎ এই ইনডেমনিটিটা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপরে নির্ভর করবে। এবার এই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের যে অধ্যাদেশ সেটা কিন্তু ইতোমধ্যে ল্যাপস করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এখন এই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনটা এটা যদি ২০০৯ সালের অনুযায়ী যদি চলে তাহলে সেটা কিন্তু পুরোপুরি সরকার নিয়ন্ত্রিত একটা মানবাধিকার কমিশন। যেই মানবাধিকার কমিশন বিরোধী দল ও মতকে দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। ভিকটিম ব্লেমিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। যেই মানবাধিকার কমিশন গুম খুনের বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই মানবাধিকার কমিশনকে যদি আমরা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি এবং ওই মানবাধিকার কমিশনের মধ্য দিয়েই যদি আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই কার্যক্রমগুলোকে বিচারের এবং নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে এই নিরীক্ষণ কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

তিনি বলেন, আমরা এই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে যদি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে একটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি তাদের মাধ্যমে আমরা নিরপেক্ষ ধরনের অনুসন্ধান আমরা কতটা পাব, সেটা নিয়ে কিন্তু আমরা সন্ধিহান, সেই জায়গা থেকে এই বিলটিকে যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই, এটাকে যদি আমরা ফাংশনাল করতে চাই তাহলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবশ্যই-অবশ্যই সেটাকে স্বায়িত্বশাসিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে, নিপীড়িত হয়েছে, তারাই এটাকে একটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখতে চাচ্ছে। এই অজুহাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যদি অটোনমাস হয়ে যায় তাহলে সেটাকে এটার জবাবদিহিতা কিভাবে নিশ্চিত হবে?

‘যেভাবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো নগ্য করা হচ্ছে সেজন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে দলীয়করণ করা হবে না, আবার বাপের দোয়া একটা মানবাধিকার কমিশন বা বিরোধীদল দমন কমিশন করা হবে না, এটার প্রতি কিন্তু আমাদের আস্থা নাই।’

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিলটা পাস হওয়ার আগে আমাদের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই বিল হচ্ছে হওয়া নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। না হয় বিসিবির মতো আমরা আবার বাপের দোয়া কমিশন দেখতে পাব। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো আবার দলীয়করণ দেখতে পাব। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যেভাবে এক ধরনের দলীয়করণ করা হয়েছে, আমরা সেটি দেখতে পাব।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।