খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:49 pm
চট্টগ্রামে ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক আজ ২২ জুলাই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

“মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন”-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ (কর্ণফুলী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) এবং স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সিডিসি, সংশপ্তক, অপরাজেয় বাংলাদেশ, ঘাসফুল, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থা।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিও-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), চট্টগ্রামের প্রসিকিউটর নেজাম উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে এবং সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই সামাজিক মহামারী থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে কেবল প্রশাসনিক পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়; বরং খেলাধুলা, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ইতিবাচক বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। বক্তারা সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সভায় চট্টগ্রাম এলাকার প্রায় ২৫০ জন যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন, যাদেরকে মাদকের বিরুদ্ধে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

আলোচনা পর্ব শেষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যুব ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পলি শারমিন-এর মনোজ্ঞ পরিবেশনায় এক মাদকবিরোধী কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংগীত ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ ও মাদকমুক্ত জীবন গড়ার অনুপ্রেরণামূলক বার্তা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন সিডিসি-র নির্বাহী পরিচালক লুৎফুন্নেছা রূপসা,ঘাসফুলের উপ-পরিচালক মারুফুল করিম চৌধুরী, স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো: আলী সিকদার, সংশপ্তকের প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভিন, অপরাজেয় বাংলাদেশের ইনচার্জ জিন্নাত আরা বেগম, এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার পিযুষ দাশ গুপ্ত।

এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষে ডেনিস তপ্ন, রীতা দোলন রোজারিও, শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা, পায়েলে খ্রীস্টিনা দাশ ও স্মীতা দে ও ঘাসফুলের প্রকল্প সমন্বয়কারী সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সার্বিক সমন্বয় করেন।

Feb2
Feb2

ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসায় পুলিশ সুপার সাময়িক বরখাস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 2:32 pm
ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসায় পুলিশ সুপার সাময়িক বরখাস্ত

ডোপ টেস্টে বেনজোডায়াজেপিনস ও অ্যামফিটামিন/মেথঅ্যামফিটামিন পজিটিভ আসায় পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (টিআর) আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষরিত হয়।

এতে বলা হয়, পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বর্তমানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশ নিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তিনি প্রস্থান করেন।

কোর্স চলাকালে গত ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় Urine Benzo Diazepines (BZO) এবং Amphetamine/Methamphetamine Positive পাওয়া যায়।

আদেশে বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের এই ফলাফল ডিএসসিএসসি কোর্সের শৃঙ্খলার পরিপন্থি। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এটি অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ কারণে একই বিধিমালার বিধি অনুযায়ী ৩১ আগস্ট থেকে পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে গোপনে পুরস্কার দেবে র‌্যাব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 2:20 pm
হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে গোপনে পুরস্কার দেবে র‌্যাব

চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের সন্ধান দিতে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে র‌্যাব। অস্ত্রের তথ্য দিয়ে উদ্ধারে সহযোগিতা করলে গোপনে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের চান্দগাঁওয়ে র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের প্রায় ৮৪ শতাংশ এরই মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ১৬ শতাংশ অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তা সমাজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

র‌্যাব-৭ অধিনায়ক বলেন, হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে র‌্যাবের নেতৃত্বে বিশেষ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। কারও কাছে এমন অস্ত্র থাকলে তা র‌্যাবের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, যাদের কাছে অস্ত্র রয়েছে তাদের সবাই অপরাধী এমন নন। বিভিন্নভাবে অনেকের কাছে অস্ত্র চলে আসতে পারে। কেউ অস্ত্রটি কোথায় বা কীভাবে জমা দেবেন, তা নিয়ে ভয় পেতে পারেন। তাদের জন্য এটি একটি সুযোগ। গোপনে অস্ত্রের তথ্য দিলে বা উদ্ধারে সহযোগিতা করলে পুরস্কার দেওয়া হবে।

পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র পাওয়া গেলেও সেটি নিজে বহন না করে র‌্যাবকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। তথ্য পেলে র‌্যাবের সদস্যরা গিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করবেন বলেও জানান।

মতবিনিময় সভায় সম্প্রতি অপহরণের অভিযোগের অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন র‌্যাব-৭ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে তিনটি অপহরণের অভিযোগে র‌্যাবের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালিয়েছেন। পরে তদন্তে একটি ঘটনায় দেখা যায়, অনলাইন জুয়ায় তিন লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত এক ব্যক্তি পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য নিজেকে অপহৃত হিসেবে সাজিয়েছেন।

অন্য একটি ঘটনায় এক ব্যক্তি বান্দরবানের লামায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলেন। আরেকজন পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, র‌্যাব একটি বিশেষায়িত বাহিনী। সংবেদনশীল অভিযোগ পেলে আন্তরিকতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে মিথ্যা বা সাজানো অভিযোগের পেছনে দীর্ঘসময় ব্যয় হলে প্রকৃত গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের ঘটনায় র‌্যাবের জনবল ও সক্ষমতা ব্যবহারে সমস্যা হয়। তাই প্রকৃত ঘটনা জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে।

জঙ্গল সলিমপুর প্রসঙ্গে র‌্যাব-৭ অধিনায়ক বলেন, এলাকাটি র‌্যাবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগের বিষয়। সেখানে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের পর থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটেনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত জঙ্গল সলিমপুর থেকে র‌্যাবের ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিদেশিদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়েও সতর্ক করেছেন র‌্যাব-৭ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিদেশিদের যাতায়াত বেশি। এ সুযোগে অপরাধীরা ছদ্মবেশে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। সাম্প্রতিক দুটি ঘটনার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 1:32 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।