খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়াইনি: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়াইনি: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দেশে এখন পর্যন্ত তেলের দাম বাড়ানো হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। আমরা দলীয় ইশতেহারে ও স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। আমি বিশ্বাস করি ব্যক্তিগতভাবে পুঁথিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তন অত্যন্ত বেশি জরুরি। বিএনপি সরকার যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে বারবার চেষ্টা করেছে এর প্রমাণ দিতে।’

‘বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছে’ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও, আমরা জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্তটি নেইনি। এ খাতে প্রতিদিন শতশত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার চেষ্টা করছে আন্তরিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কারণ বর্তমান সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার।’

‘আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জনগণের বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে আমরা যদি সবাই রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে এমনকি পারিবারিক পর্যায়ে যদি অমিতব্যায়িতা পরিহার করি, তার জন্য আমি দেশের সব মানুষকে অনুরোধ জানাচ্ছি,’ বলেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের পথ-মত ভিন্ন হতে পারে, আমাদের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্ক বিরোধ থাকতে পারে। তবে আমাদের মধ্যকার বিতর্ক-বিরোধ যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়। দেশের স্বার্থে অবশ্যই সে ব্যাপারে আমাদের সবাইকে অত্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।’

‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, জনজীবনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে বর্তমানে এক বিশাল সংখ্যক কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে। এই জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ। শুধু অর্থনীতি নয়, শিক্ষা ব্যবস্থায়ও বিপর্যয় নেমে এসেছিল। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও অবশ্যই কর্মমুখী করতেই হবে।’

‘নারীদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সহজে সফল হবে না। এভাবে প্রতিটি সেক্টরকে চিহ্নিত করে সরকার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার আগেই আমরা বিস্তারিতভাবে দেশের জনগণের সামনে দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম। রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা প্রকাশ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সই করেছিলাম। জনগণ আমাদের প্রতিটি অঙ্গীকারের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। এবার আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পালা,’ বলেন তিনি।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন। পদকপ্রাপ্ত গুণীজন ও প্রতিষ্ঠানকে তিনি তার নিজের ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

Feb2

১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই পদক প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি জাইমা রহমান।

স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্য ১৪ ব্যক্তি হলেন- মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।

এ ছাড়া স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো- মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

কর্ণফুলি টানেলকে কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত বাড়ানো প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
কর্ণফুলি টানেলকে কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত বাড়ানো প্রয়োজন

কর্ণফুলি টানেল দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই টানেলকে আরও কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত ও লজিস্টিক সুবিধা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন, সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত কর্ণফুলী টানেলের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সেতু সচিব।

তিনি টানেলের আয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময় কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের জেটি সরেজমিনে দেখেন এবং পরে টানেলের টোল আয় বাড়াতে জেটির বহুমুখী ব্যবহারসহ রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

যাত্রাবাড়ী ও উত্তরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬২
দূষণকারীদের রেহাই নেই, গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ ইটভাটা
সেতু সচিব বলেন, কর্ণফুলী ড্রাই ডক জেটির সঙ্গে টানেলের সংযোগ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে টানেলের ব্যবহারকারী বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

টানেলের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির হেলথ মনিটরিং ইকুইপমেন্ট স্থাপন করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলের বায়ু চলাচল, ভূমিকম্পন সহনশীলতা এবং ফাটল বা ত্রুটি রিয়েল-টাইম ডাটার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। তিনি প্রকৌশলীদের বলেন, টানেলের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ধরনের ত্রুটি কাম্য নয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত দেশের মতো আমাদের এই মেগা প্রকল্পের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং যথাযথ মান বজায় রেখে এই সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, কর্ণফুলী টানেল সাইট অফিসের কর্মকর্তারা এবং কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাময়িকী টাইম-এর বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম। বুধবার ২০২৬ সালের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির ওই তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন এ সাময়িকী। এতে ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

টাইমের এ বছরের বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন খ্রিস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। এরপর লিডারস ক্যাটাগরির এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন যথাক্রমে মেক্সিকোর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আর এরপরই চতুর্থ স্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

লিডারস ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় বেছে নেওয়ার বিষয়ে টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট-লার্জ ক্যাম্পবেল বলেছেন, মাত্র কয়েক মাস পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, তারেক রহমান দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের গাছপালায় ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশে চিন্তামুক্ত এক নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিককে বিরোধী দলের আন্দোলনকারী থেকে দেশের প্রতীক্ষিত এক জাতীয় নেতায় পরিণত করেছে; স্বদেশ থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর দূরে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্য দিয়ে তার সেই নিয়তি পূরণ হয়েছে।

টাইমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লেখা প্রোফাইলে বলা হয়েছে, নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন, যিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানের ঢাকা ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর মারা যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

গত জানুয়ারিতে ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই সময় তার মাকে হারানোর শোক ছিল একদম টাটকা। তবে তিনি এই শোককে সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবারও চাঙা করার কাজে ব্যবহারের অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও তরুণ বেকারত্বের সমস্যায় জর্জরিত এবং আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এ সবকিছুরই দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন।

টাইম লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বা প্রাথমিক স্বস্তির সময়টুকু হয়তো অন্যদের তুলনায় সংক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু অনেক বছর রাজনৈতিক নির্বাসনে থাকার পর তিনি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। টাইম ম্যাগাজিনকে তারেক রহমান বলেছেন, ‘‘আমাদের একসাথে কাজ করা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন; যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’’