খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউনিসেফ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
ইউনিসেফ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী

-2

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ সন্মাননায় ভূষিত করেছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল- ইউনিসেফ।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের ইউনিসেফ ভবনে ‘অ্যান ইভনিং টু অনার হার এক্সিলেন্সি প্রাইম মিনিস্টার শেখ হাসিনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তার হাতে এ সন্মাননা তুলে দেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর।

এ সময় ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাস্যাডর বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি টোয়েন্টির অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।

ইউনিসেফকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই সন্মান আমার একার নয়, বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষ করে দেশের ও বিশ্বের সব শিশুদের। এ সম্মাননা তাদের উৎসর্গ করলাম।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড এবং শিক্ষা ছাড়া কোনও জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। এ বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার বিভিন্ন মাধ্যমের শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, লাখ লাখ তরুণ তাদের দক্ষতার সঙ্গে আমাদের জীবন ও জীবিকা নির্বিঘ্ন করে চলেছে। একটি দায়িত্বশীল ও জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজ গঠন করতে আমাদের অবিচল পদক্ষেপেরও প্রকাশ করে এই স্বীকৃতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন যুবকদের সম্ভাবনা কাজে লাগানো ব্যতীত দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। আমরা জ্ঞানসম্পন্ন একটি তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যারা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সহায়তা করতে পারবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকার দক্ষতা উন্নয়নের দিকে গুরুত্বারোপ করেছে এবং যুবকদের যথাযথ জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তোলার করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। যুবসমাজকে নিজ নিজ কর্মসংস্থানের জন্য যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা তাদের নিজ নিজ কর্মসংস্থানের জন্যও উৎসাহ দিচ্ছি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য ইউনিসেফকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের শুভেচ্ছাদূত এবং দেশের ক্রিকেট আইকন সাকিব আল হাসান বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকেই শিশুদেরকে নীতিমালার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে বাংলাদেশ। শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, শিক্ষায় শিশুদের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করার পাশাপাশি স্কুলে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। আর এই প্রচেষ্টায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এই ক্রিকেট সুপারস্টার আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন, সরকারের নীতি ও কর্মসূচি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সাম্য এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্জনে আরও ভূমিকা রাখবে।

তরুণদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে ‘ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট পলিসি বাস্তবায়ন’, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ভূমিকার জন্য শেখ হাসিনার সরকারের প্রশংসা করেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর।

Feb2

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।

১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত মীমাংসা হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোটে অংশগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো দল মিলে এতবড় জোট গঠন হয়নি। আজকের এই ঐক্য একটি মডেল হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিবে। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসনে প্রার্থী দিবে।

জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বিডিপি ২টি, নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দিবে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের আসন কতটি সে বিষয়টি জানাননি ড. তাহের।

এছাড়া, এই জোটের বহুল আলোচিত দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন রেখে দিয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।

এদিকে, ১৬ জানুয়ারি বিকাল ০৩:০০ টায় ‘নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্বের খেলা শুরুর কথা ছিল। তবে কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটে’র অংশ হিসেবে আজ বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন তারা। ফলে বিপিএলে আজকের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়। তবে দিন শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছার কথা জানায় কোয়াব।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, নারী বিশ্বকাপ বাছাই ও চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও বিপিএলের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে কোয়াব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলির ওপর পড়তে পারে। বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।’

নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কোয়াব বলেছে, ‘বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

‘পাশাপাশি, পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।’