খুঁজুন
, ,

যুবদল নেতাকে হত্যার পর কারাগারে, জামিনে বেরিয়ে আরেক নেতাকে খুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 16 June, 2026, 9:31 am
যুবদল নেতাকে হত্যার পর কারাগারে, জামিনে বেরিয়ে আরেক নেতাকে খুন

গত বছরের ২২ এপ্রিল চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার সদর ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মো. ইব্রাহিমকে দোকানে ডেকে নিয়ে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তদন্তে নেমে দিদারুল আলমকে শনাক্ত করে পুলিশ। অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। মামলাটিতে উচ্চ আদালত থেকে ওই বছরের ২০ অক্টোবর জামিন পান দিদারুল। তার আগেও ২০২৪ সালে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরিয়ে যান দিদারুল।

গত ১৩ জুন রাউজানের বাগোয়ান এলাকায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫) কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে দিদারুলের উপস্থিতি নিশ্চিত হয় পুলিশ।

জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ ওয়েবসাইটে খোঁজ নিয়ে দিদারুলের বিরুদ্ধে অন্তত ৯টি মামলা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাকলিয়া থানার হত্যা এবং বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও চুরির মামলা পাওয়া গেছে। প্রতিবারই এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দ্রুত সময়ে কারামুক্ত হন তিনি।

রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, রাউজানের যুবদল নেতা ইব্রাহিম হত্যা মামলায় দিদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি উচ্চ আদালত থেকে ৬ মাসে জামিনে বেরিয়ে যান।

১৩ জুন গুলিতে নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পিয়ারুল হক চৌধুরীর ছোট ভাই। আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এ লক্ষ্যেই এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর খুব কাছের লোক ছিলেন মাকসুদুল। হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও স্থানীয়ভাবে কর্ণফুলী নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং আধিপত্য বিস্তারের বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় আসছে। রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী বাজার-সংলগ্ন চম্পাতলী ঘাট এলাকার একটি বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করতেন নিহত মাকসুদুল। একই সঙ্গে রাঙ্গুনিয়ার সীমান্তবর্তী রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলার ঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীপাড়ের আরেকটি বালুমহালও তার নিয়ন্ত্রণে ছিল।

বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, খুনের তদন্তে বালুমহাল সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা উচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাকসুদের ওপর হামলাকারীরা সবাই সশস্ত্র ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজনের হাতে শটগান এবং তিনজনের হাতে পিস্তল ছিল। গুলির মুখে জীবন বাঁচাতে মাকসুদুল দৌড়ে একটি দোকানের সামনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। সেখানে তাকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীদের দুজন খুব কাছ থেকে গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।

হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া এক যুবকের মুখে কালো মুখোশ থাকলেও সিসিটিভি ফুটেজে বাকিদের চেহারা স্পষ্ট দেখা গেছে। ফাঁকা গুলি ছোঁড়ার সময় তারা স্থানীয়দের ঘটনাস্থলে আসতে নিষেধ করে এবং দ্রুত দোকানপাট বন্ধ করে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া পাঁচ অস্ত্রধারীই স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- ধামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম, মো. আফসার, মো. ইউসুফ ও মো. জাবেদ। এছাড়া সহযোগী হিসেবে মিশনে যোগ দেয় মো. আইয়ুব, মোম ইউসুফ ও মো. পারভেজ নামের স্থানীয় দুই সন্ত্রাসী। চিহ্নিতদের মধ্যে শটগান হাতে থাকা ধামা ইলিয়াস ও আফসারের বাড়ি কদলপুর ইউনিয়নে। পিস্তলধারী দিদারুল আলমের বাড়ি নগরের পাঁচলাইশ এলাকায় এবং মো. ইউসুফের বাড়ি রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। সহযোগী পারভেজের বাড়ি গশ্চি ইউনিয়নের নোয়াহাট এবং আইয়ুবের বাড়ি কদলপুর ইউনিয়নে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস ও অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের দুদিন পার হলেও এখনো মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মুহাম্মদ জাকির (৪২) নামে সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা লিখিত এজাহার দায়ের করতে আসবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করছি খুব দ্রুতই মামলা হবে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় জাকির নামে এক ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় ৪-৫ জন অস্ত্রধারী ছিল। জড়িত সবাইকে শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিবার থানায় এলে এবং পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখলে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই রাউজানে সহিংসতা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয়। বর্তমানে ফজলে করিম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও তার পতনের পর সৃষ্ট ক্ষমতার দ্বন্দ্ব রাউজানকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। দিন-রাত অস্ত্রের মহড়া, প্রকাশ্যে গুলি, বাড়িতে ঢুকে হত্যা, অপহরণের পর মরদেহ উদ্ধার কিংবা চলন্ত গাড়িতে গুলি করে হত্যার মতো ঘটনা এখন অনেকটাই এ জনপদের নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ, চাঁদাবাজি এবং পাহাড় ও নদীর বালু ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সন্ধ্যার পর অনেক এলাকায় মানুষের চলাচল কমে গেছে। আতঙ্কে সন্তানদের বাইরে যেতে দিচ্ছেন না অভিভাবকরা। মাকসুদুলসহ গত ২২ মাসে উপজেলায় অন্তত ২৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডই রাজনৈতিক বিরোধ ও সন্ত্রাসী দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নিহতদের বড় একটি অংশ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।

সবশেষ মাকসুদুল হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল-নেতা নেই। তারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপকর্ম করে থাকে। রাজনীতিবিদদেরও বুঝতে হবে, দাগি সন্ত্রাসীদের বুঝেশুনে কাছে টানতে হবে। আমি সন্ত্রাসীদের পক্ষে নই, আমি এসব খুনিকে ঘৃণা করি।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।