খুঁজুন
, ,

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 11:37 pm
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আজ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও হাটহাজারীতে দুঃস্থ, অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পৃথক পৃথক এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল এবং তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়া বায়েজিদের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন এবং ৪৪নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। অন্যদিকে, হাটহাজারী গড়দুয়ারা ইউনিয়নে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মাঝে তাৎক্ষণিক নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

ঐসকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের সেবক হিসেবে বিপদে-আপদে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের পরম কর্তব্য। সরকারের এই মানবিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সাময়িক ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই বা স্থায়ী অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি তাঁর বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং মানুষের কল্যাণে আত্মনিবেদনের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চেতনাকে অন্তরে ধারণ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি। একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন, মানবিক ও প্রগতিশীল এক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান সুরক্ষিত থাকবে।

Feb2
Feb2

সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 8:57 pm
সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

২০১২ সালে হাইকোর্ট এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সাফাই সাক্ষী দিতে আসা সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের পর গুমের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমান। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আমাদের একটা রিকুইজিশন দিয়েছিল। সেই রিকুইজিশনের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সুখরঞ্জন বালীকে কিডন্যাপের সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত ছিল। গতকাল রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করেছি। ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার সময়ে ফজলুর রহমান ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী সুখরঞ্জন বালী হাইকোর্ট এলাকায় গাড়ি থেকে নামলে তাকে একটা থাপ্পড় মারেন ফজলুর। এরপর শার্টের কলার ধরে তাকে ডিবির গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এই ঘটনায় তিনি ও তার টিম প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।

রাতে চোরাই ডিজেলের কারবার, অয়েল ট্যাংকারসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 6:28 pm
রাতে চোরাই ডিজেলের কারবার, অয়েল ট্যাংকারসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

কর্ণফুলী নদীতে অভিযান চালিয়ে চোরাই ডিজেল কারবারি চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ।

এ সময় একটি অয়েল ট্যাংকার, ১২ হাজার ৭০০ লিটার চোরাই ডিজেল এবং ডিজেল স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত একটি পাম্প মোটরসহ পাইপ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরঘাট নৌ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে কর্ণফুলী নদীর চট্টগ্রাম বন্দরের ৬ নম্বর ভেসেল পয়েন্ট জেটি সংলগ্ন এলাকায় ওটি ইশরাত নামের একটি অয়েল ট্যাংকারে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ট্যাংকার থেকে ১২ হাজার ৭০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।

ডিজেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ট্যাংকারে থাকা সুপারভাইজার, মাস্টার ও স্টাফসহ ছয়জনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— আরিফুল ইসলাম (৩০), সাইদুল ইসলাম ওরফে ইশাদ (২২), আব্দুল হালিম (৩৫), নুরুল মোস্তফা (২৬), জালাল আহমদ (৬০) ও নুরুল আমিন (৫০)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছেন, বিভিন্ন উৎস থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করা ডিজেল ট্যাংকারে ভর্তি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাবাজার ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে কর্ণফুলী নদী ও আশপাশের ঘাট এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে চোরাই ডিজেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় নৌ পুলিশের এসআই মো. মোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার ছয়জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই জনের বিরুদ্ধে চ বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নৌ পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম ২০১৭ সালের একটি হত্যা মামলার আসামি। এছাড়া আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে ফেনীর ছাগলনাইয়া থানায় দুটি ডাকাতি ও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।

ইরান থেকে শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা কারবার, গ্রেপ্তার ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 2:39 pm
ইরান থেকে শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা কারবার, গ্রেপ্তার ৩

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সিসার চালানসহ মাদক কারবারি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ডিএনসি বলছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুই সহোদর ইরান থেকে সিসা বিক্রির কার্যক্রম শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করত।

গ্রেপ্তাররা হলেন আহমেদ শরীফি (৩৪) ও মেহদাদ শরীফি (৩৪) ইরানি বংশোদ্ভূত নাগরিক। এছাড়া অপর ব্যক্তি হলেন মো. মাকসুদ আলম (৪০)।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, রাজধানীর গুলশান ও ভাটারা এলাকায় সমন্বিত বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক পরিমাণ সিসা উদ্ধারসহ একটি আন্তঃজেলা অনলাইন মাদক সরবরাহকারী চক্রের মূলহোতা দুই সহোদরসহ মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গ্রেপ্তারকালে তাদের কাছ থেকে ৬৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা , ৪১টি হুক্কা, ৪০ কেজি সিসা সেবনের কয়লা, ৫টি মোবাইল ফোন ও বিপুল পরিমাণ সিসা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় আহমেদ শরীফি ও মেহদাদ শরীফি নামের এই দুই সহোদরের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনার মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশে অনলাইনে অবৈধ সিসা ও সিসা সেবনের উপকরণ বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে। ওই পেইজের মাধ্যমে অর্ডার করা দুইটি সিসা র চালান দেশীয় কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পাঠানো হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি বিশেষ রেইডিং টিম গত ২ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায়। সেখান থেকে ওই ফেসবুক পেজের নামে পাঠানো ১ কেজি সিসা সহ একটি পার্সেল জব্দ করা হয়। তারপর একই দিন রমনা থানাধীন মালিবাগ থেকে একই পেজের নামে পাঠানো আরও ১ কেজি সিসা সহ দ্বিতীয় পার্সেলটি জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জব্দ করা পার্সেল দু’টির প্রেরক-ঠিকানা যাচাই করে অভিযানিক দল একই দিনে গুলশান থানাধীন কালাচাঁদপুরে একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই দুই সহোদরকে ভাড়া বাসা থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৪৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা এবং ২০টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার দুই সহোদর জানায়, তাদের সরবরাহ করা সিসা র একটি বড় অংশ আসত মো. মাকসুদ আলম নামে আরেক ব্যক্তির কাছ থেকে, যিনি ভাটারা থানাধীন নূরেরচালা এলাকায় বসবাস করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাতে অভিযানিক দলটি নূরেরচালাস্থ একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে মাকসুদ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে আরও ১৮ কেজি সিসা ও ২১টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, গ্রেপ্তার দুই সহোদর বাংলাদেশি নাগরিক হলেও তাদের পূর্বপুরুষ ইরানি। তারা দুইজনও দীর্ঘ সময় ইরানে অবস্থান করেছেন। সেখানে থাকার সময় তারা সিসা ব্যবসার কার্যক্রম, বাজারব্যবস্থা এবং সরবরাহ পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফিরে তারা একই ব্যবসায়িক মডেল অনুসরণ করে অনলাইনে সিসা বিক্রির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেন। তারা একটি ফেসবুক পেজ চালু করেন, যা বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা বিক্রয়কারী প্রথম দিকের পেজগুলোর অন্যতম। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ, পণ্যের ছবি প্রকাশ, অর্ডার গ্রহণ, মূল্য নির্ধারণ এবং ডেলিভারির সমন্বয় করতো। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর দেশীয় কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পার্সেল পাঠাতো।

ডিএনসি জানায়, চক্রটি মূলত বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) ব্যবহার করে পণ্যের মূল্য গ্রহণ করত। বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত একাধিক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তারা অর্থ সংগ্রহ করত, যাতে প্রকৃত লেনদেনের উৎস ও সুবিধাভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা যায়। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এসব আর্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট এবং অর্থের প্রবাহ যাচাই করা হচ্ছে।

ডিএনসি আরও জানায়, অভিযানে জব্দ করা মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ডিভাইস এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিস্তৃত গ্রাহক ডাটাবেস উদ্ধার করেছে ডিএনসি। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য ক্রেতার তথ্য, যোগাযোগের ইতিহাস, অর্ডারের বিবরণ এবং লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিয়মিত ক্রেতা, পরিবেশক, সহযোগী এবং এই নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান ডিএনসির অতিরিক্ত এই পরিচালক।