খুঁজুন
, ,

টাইব্রেকারে জিতে ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মিসর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 5:48 am
টাইব্রেকারে জিতে ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মিসর

১৯৩৪ বিশ্বকাপেই কেবল নকআউটে খেলেছিল মিসর। যদিও ওই আসরই ছিল সরাসরি নকআউট পদ্ধতিতে, যেখানে হাঙ্গেরির কাছে হেরে তাদের যাত্রা শেষ হয়। ৯২ বছর পর চলতি বিশ্বকাপের নকআউটে ‍উঠেই মোহামেদ সালাহ’র দল ইতিহাস গড়েছিল। এবার টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবার শেষ ষোলোয় উঠল মিসর।

অস্ট্রেলিয়া নকআউটে প্রথম জয়ের অপেক্ষায় নেমেছিল টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে। ভাগ্যের ছোঁয়ায় তারা ম্যাচে সমতাও টেনেছিল। ৫৫ মিনিটে ১-১ সমতা হয় স্কোরলাইনে। তবে ৯০ মিনিটের বাকি সময় এবং অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে ১২০ মিনিটেও তাতে আর কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি কেউই। এরপর সকারুজদের হৃদয় ভেঙে মিসর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিলো।

অস্ট্রেলিয়া টাইব্রেকারের শুরুটাই করেছে মিস দিয়ে, হ্যারি শুটারের শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর তাদের চতুর্থ শট নেওয়া লুকাস হেরিংটনও ভুলে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন। বিপরীতে মিসরের পক্ষে শট নেওয়া চারজনই (মাহমুদ সাবের, রামি রাবিয়া, মোহামেদ সালাহ ও আবদেল মাজিদ) জালে জড়িয়েছেন বল। ফলে আর পঞ্চম শট নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। জয় নিশ্চিত হয় ৪-২ ব্যবধানে।

ম্যাচজুড়েই অবশ্য আধিপত্য ছিল মিসরের। ৫৮ শতাংশ পজেশন রাখা সালাহ’র দল ১৪ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে সকারুজদের ১৬ শটের স্রেফ একটি লক্ষ্যে ছিল। এর আগে ম্যাচের ১৩ মিনিটে মিসর লিড পায় ইমান আশুরের দারুণ এক হেডে দেওয়া গোলে। আর ৫৫ মিনিটে মিসরের মোহাম্মদ হানির দেওয়া আত্মঘাতী গোলে অস্ট্রেলিয়া সমতায় ফেরে।

সাতবার আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন হলেও মাত্র চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছে মিসর। এ ছাড়া আগের তিন আসরে তারা কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি। সালাহ’র দল এবার নকআউট নিশ্চিত করে এক জয় ও দুই ড্রতে। শেষ ৩২–এর ম্যাচটিতে চোট থেকে ফিরেও নিজের মতো করে এই লিভারপুল ও মিসরীয় কিংবদন্তি একের পর এক সুযোগ তৈরি করেছেন। আর বাকি সতীর্থরা তার চাপ কমাতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে সম্মিলিতভাবে। আগামী ৭ জুলাই আটালান্টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে নামবে মিসর, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা অথবা কেপ ভার্দে।

এ ছাড়া সালাহ টাইব্রেকারেও গোল করেছেন ঠান্ডা মাথার এক চিপ শটে। পরে গ্যালারিভর্তি দর্শকের সঙ্গে আনন্দের অশ্রুচোখে উল্লাসে মাতেন, আর মাথায় পরেন মিসরীয় ফারাও’র মুকুট। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান শিবিরে রাজ্যের হতাশা। নকআউটে তাদের প্রথম জয়ের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হলো আরও চার বছরের জন্য।

Feb2
Feb2

কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 8:03 am
কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

অবিশ্বাস্য, নাটকীয় এবং সম্ভবত বিশ্বকাপের অন্যতম রোমাঞ্চকর খেলা উপহার দিলো আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে। বিশ্বকাপের নবাগত দেশটি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে শেষ মিনিট পর্যন্ত হাল ছাড়েনি। ১২০ মিনিটে ৫ গোলের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত জিতে শেষ ষোলোয় উঠেছে আর্জেন্টিনা (৩-২)। কেপ ভার্দেকে কি পরাজিত বলা চলে? বিশ্বফুটবলে নিজেদের নামটি স্মরণীয় করে রাখতে যা করা দরকার কেপ ভার্দে সবটুকুই করেছে!

ম্যাচের পরতে পরতে টানটান উত্তেজনা, লড়াকু ও আত্মবিশ্বাসের অবিশ্বাস্য মানসিকতা দেখাল দুই দল। আর্জেন্টিনা ওই পথ পেরিয়েই তো ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জিতেছে। কিন্তু কেপ ভার্দে কীভাবে-কোথা থেকে এত প্রেরণা সঞ্চার করল? অবশ্য প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই স্পেন ও উরুগুয়েকে সমতায় আটকে রাখাই তো কম প্রেরণাদায়ক নয়!

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিল কেপ ভার্দে। ২৮তম মিনিটে প্রায় নিজেদের অর্ধ থেকে নিখুঁত এক পাস বাড়িয়েছেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। মেসির দৌড়ে যাওয়ার লাইনেই ছিল সেই বল। যা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সের ভেতর ৭ গজ দূরত্ব থেকে শট নেন তিনি। সেই জোরালো শট কেপ ভার্দে গোলরক্ষক দোসিমার দিয়াজ ভোজিনহার ঠেকানোর সাধ্য ছিল না।

এর আগে বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ সপ্তম ম্যাচে গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন মেসি। এবার অষ্টম ম্যাচেও গোল পেলেন টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যাকে মেসি ২০-এ নিয়ে গেলেন। নিজের রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে তুঙ্গে থাকা ফর্ম দিয়ে প্রতিপক্ষকে ক্ষত-বিক্ষত করে চলছেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক।

দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা কিছুটা ছন্দ হারাতেই সুযোগটা নিয়েছে কেপ ভার্দে। ৫৯ মিনিটে তারা ডেরয় দুয়ার্তের গোলে আর্জেন্টিনার জাল কাঁপিয়ে স্কোরলাইন ১-১ পরিণত করেছে। রায়ান মেন্দেস ডান প্রান্ত দিয়ে বল বাড়ালে দুয়ার্তে ফাঁকা জায়গা দিয়ে দৌড়ে দুর্দান্ত এক শটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান। আর্জেন্টিনার লিড নেওয়া গোলে অ্যাসিস্ট করা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ দ্রুত এগিয়ে এলেও দুয়ার্তেকে ঠেকাতে পারেননি।

৯০ মিনিটের আগপর্যন্ত সময়টাতে ছিল ভোজিনহার বীরত্বের গল্প। মেসির দুটি দারুণ ‍ফ্রি-কিক বাঁচিয়েছেন তিনি, আরও কয়েকটি দারুণ আক্রমণ পরাস্ত হয়েছে তার সামনে এসে। ফলে ১-১ স্কোরলাইন নিয়ে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। তবে বেশিক্ষণ আর্জেন্টিনাকে অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। আলবিসেলেস্তেদের প্রথম গোলেও বলের যোগান দিয়েছিলেন লিসান্দ্রো। নিজেদের রক্ষণ থেকে তিনি নিঁখুত পাস দিয়েছিলেন। দল যখন লিড পেতে মরিয়া ছিল, আবারও দৃশ্যপটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সেন্টারব্যাক।

৯১ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল আরেকজনের স্পর্শ পেয়ে একপাশে ফাঁকায় থাকা লিসান্দ্রো পেয়ে যান। হয়তো ধারণা ছিল তিনি ক্রস করবেন, কিন্তু তা না করে দুরূহ কোণ থেকে জোরালো শটে ভোজিনহাকে বোকা বানিয়ে জাল কাঁপিয়েছেন। ১০৩ মিনিটে সেই গোল শোধ করেছেন কেপ ভার্দের সিডনি ক্যাব্রাল। বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে তিনি ভেতরের দিকে কাট করেন। ফিরতি বল পেয়ে ডান পায়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শট নিয়েই যেন অবাক করা দৃশ্যের জন্ম দিলেন ক্যাব্রাল। হয়তো বলটি এভাবে ফাঁকি দেবে ধারণাও ছিল না এমি মার্টিনেজের।

আর্জেন্টিনাকে আবারও লিড পেতে অপেক্ষা করতে হলো ৮ মিনিট। মেসির নেওয়া নিখুঁত কর্নার পেয়ে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো হেড দেন, বল জালে জড়িয়ে যাওয়ার আগে সেটি কেপ ভার্দে ডিফেন্ডার হাতে লেগেছে। ফলে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে আর্জেন্টিনা লিড পায় ৩-২ ব্যবধানে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেছে কেপ ভার্দে। আর্জেন্টিনাও স্বস্তিতে ছিল না। আক্রমণ এবং রক্ষণ দু’দিকেই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। শেষমেষ রেফারির শেষ বাঁশিই যেন স্কালোনি শিষ্যদের হাফ ছেড়ে বাঁচার সুযোগ এনে দিলো!

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 11:37 pm
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আজ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও হাটহাজারীতে দুঃস্থ, অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পৃথক পৃথক এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল এবং তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়া বায়েজিদের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন এবং ৪৪নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। অন্যদিকে, হাটহাজারী গড়দুয়ারা ইউনিয়নে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মাঝে তাৎক্ষণিক নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

ঐসকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের সেবক হিসেবে বিপদে-আপদে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের পরম কর্তব্য। সরকারের এই মানবিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সাময়িক ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই বা স্থায়ী অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি তাঁর বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং মানুষের কল্যাণে আত্মনিবেদনের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চেতনাকে অন্তরে ধারণ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি। একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন, মানবিক ও প্রগতিশীল এক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান সুরক্ষিত থাকবে।

সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 8:57 pm
সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

২০১২ সালে হাইকোর্ট এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সাফাই সাক্ষী দিতে আসা সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের পর গুমের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমান। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আমাদের একটা রিকুইজিশন দিয়েছিল। সেই রিকুইজিশনের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সুখরঞ্জন বালীকে কিডন্যাপের সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত ছিল। গতকাল রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করেছি। ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার সময়ে ফজলুর রহমান ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী সুখরঞ্জন বালী হাইকোর্ট এলাকায় গাড়ি থেকে নামলে তাকে একটা থাপ্পড় মারেন ফজলুর। এরপর শার্টের কলার ধরে তাকে ডিবির গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এই ঘটনায় তিনি ও তার টিম প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।