খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রাম হবে দেশের প্রধান লজিস্টিক্যাল হাব: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 3:02 pm
চট্টগ্রাম হবে দেশের প্রধান লজিস্টিক্যাল হাব: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রামকে দেশের প্রধান লজিস্টিক্যাল ও অর্থনৈতিক হাবে পরিণত করতে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, বন্দর, বিমানবন্দর, ফ্রি জোন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও রেল অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সফরে এসে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসছে।

দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। যে অঞ্চলের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। কারণ এখানে সমুদ্রবন্দর রয়েছে।

পাশাপাশি ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণেও চট্টগ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় চট্টগ্রামকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর ওপারে প্রায় ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি জোন প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে একাধিক বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি পূর্ণাঙ্গ লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কার্গো ও প্যাসেঞ্জার হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রামে একটি চাইনিজ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লাকসাম অংশের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে ট্রেনে যাতায়াতের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমে আসবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক করিডর একটি শক্তিশালী লজিস্টিক্যাল হাবে পরিণত হবে এবং দেশের বন্দরগুলো আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়িকেও কেন্দ্র করে বড় ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক্যাল সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই বাজেটে পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিতে এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবও যুক্ত হয়েছে। প্রথমে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে, এরপর সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগানো হবে। সরকারের তৃতীয় ও চতুর্থ বছর থেকে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে এবং বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে।

বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেট বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ দেশে আসছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

Feb2
Feb2

স্বাস্থ্যসেবায় গুণগত পরিবর্তন আনার তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 3:16 pm
স্বাস্থ্যসেবায় গুণগত পরিবর্তন আনার তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শুধু বাজেট বরাদ্দ বা বিনিয়োগ বাড়ালেই স্বাস্থ্যসেবার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না। স্বাস্থ্যসেবার পুরো ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজাতে হবে এবং গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। চিকিৎসক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের নিজেদের দায়িত্ব ও পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে- প্রয়োজনীয়তা, অগ্রাধিকার, কার্যকারিতা এবং পরিবেশগত বিবেচনা। অতীতের মতো দুর্নীতি বা ব্যক্তিস্বার্থে নয়, যেসব প্রকল্প থেকে জনগণ সর্বোচ্চ উপকার পাবে, সেসব প্রকল্পেই বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ পুরো স্বাস্থ্যখাতেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে।

তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে।

কারণ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যকর হলে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কমবে। মানুষের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে বড় হাসপাতালগুলোর ওপরও চাপ কমে আসবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা আগের মতো চলতে থাকলে কোনো পরিবর্তন আসবে না। দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাস্থ্যখাতে কিছু খারাপ চর্চা স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে পুরো প্রক্রিয়াকে ‘রিসেট’ করতে হবে। কীভাবে গুণগত পরিবর্তন আনা যায়, সে বিষয়ে চিকিৎসক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের নিজস্ব পরিকল্পনা সরকারের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিতে প্রস্তুত। স্বাস্থ্যখাতে এবারের মতো এত বড় বরাদ্দ অতীতে কখনও দেওয়া হয়নি। তবে সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বৈশ্বিক সেরা চর্চাগুলো অনুসরণ করে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ বা অর্থ ব্যয় করলেই পরিবর্তন আসবে না; সেবার মান বাড়াতে প্রশাসনিক ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের বিভিন্ন দায়, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সরকার সাহসী বাজেট দিয়েছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ হলেও বিএনপি সরকার অতীতেও তা সফলভাবে করেছে এবং এবারও বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে।

মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন চাহিদার বিষয়েও আলোচনা হয়। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার ইতিবাচক রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন প্রমুখ।

এদিকে ডেঙ্গু প্রকোপ বাড়ার কারণে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ১৬ নম্বর মেডিসিন ওয়ার্ডে ৫০ বেডের ডেঙ্গু ব্লক প্রস্তুত করা হয়েছে। দুপুরে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ডেঙ্গু ব্লক উদ্বোধন করেন।

আ. লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 2:50 pm
আ. লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।

তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।

জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।

তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।

জুলাই অভ্যুত্থান কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 2:25 pm
জুলাই অভ্যুত্থান কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা ব্যক্তির নয় দাবি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এটি গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন।

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যদের স্মৃতিচারণ ও আকুতি শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার ও তার পরিবার এবং দেশের মানুষের ওপর বিগত ১৭ বছরে যে অবিচার করা হয়েছে- আল্লাহ তাকে এখন সেই সবের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রতিশোধ নিতে চান না।

তিনি আরও বলেছেন, আমি ১৭ বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। দেশে ফিরে এসে আমার অনেক সহকর্মীকে পাইনি। আমার ছাত্রদলের অনেককে আমি রেখে গিয়েছিলাম। তাদের অনেককে পাইনি। অনেকে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যারা জুলাই হত্যাকাণ্ডে দায়ী তাদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন অবিচার না হয়; সেটিও লক্ষ রাখতে হবে। সময় নিয়ে হলেও যে হত্যাকারী তার সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হবে।

‘৩৬ জুলাই’ অর্থাৎ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’।

অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো কয়েকজন শহীদের পরিবারের সদস্য মঞ্চে এসে তাদের সন্তান ও স্বজনদের হারানোর লড়াকু দিনগুলোর স্মৃতি তুলে ধরেন। এ সময় এক শহীদ জননী তার সন্তানের আত্মত্যাগের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে উপস্থিত সবার মধ্যে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের পাশাপাশি সামনের সারিতে বসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি। অকপটেই তার চোখে পানি চলে আসে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দু’চোখে পানি টলমল করতে দেখা যায়।