খুঁজুন
, ,

দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে কর্ণফুলী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 9:25 am
দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে কর্ণফুলী

একসময় চট্টগ্রামের প্রাণ হিসেবে পরিচিত কর্ণফুলী নদী আজ দখল, দূষণ ও অপরিকল্পিত শিল্পায়নের চাপে ক্রমেই প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। যে নদীকে ঘিরে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, শিল্পাঞ্চল ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটেছে, সেই নদীতেই এখন প্রতিদিন বিনা বাধায় ফেলা হচ্ছে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য, নগরের পয়োবর্জ্য, প্লাস্টিক-পলিথিন, গৃহস্থালির কঠিন বর্জ্য এবং কৃষিতে ব্যবহূত বিভিন্ন রাসায়নিক। দীর্ঘদিনের এই অনিয়ন্ত্রিত দূষণে কর্ণফুলীর পানি, তলদেশ, জীববৈচিত্র্য এবং নদীনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকা ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাম্প্রতিক সমীক্ষাও সেই উদ্বেগকেই আরো স্পষ্ট করেছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সমীক্ষা অনুযায়ী, কর্ণফুলী নদীর ৭৯টি স্থানে দূষণের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭৭টি স্থানেই দূষণের মাত্রা ভয়াবহ। শুধু চট্টগ্রাম নগরীতেই ২৩টি স্থান দিয়ে দূষণকারী বর্জ্য নদীতে পড়ছে। নগরের ১৯টি খাল এখন কার্যত শিল্প ও গৃহস্থালির বর্জ্য বহনের নালায় পরিণত হয়েছে। এসব খাল দিয়ে প্রতিদিন ডায়িং কারখানা, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালি এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের তরল ও কঠিন বর্জ্য সরাসরি কর্ণফুলীতে গিয়ে মিশছে। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী ও কর্ণফুলী উপজেলা জুড়েও।

সমীক্ষায় উঠে এসেছে, কর্ণফুলী উপজেলার নদী তীরে গড়ে ওঠা সিমেন্ট কারখানা, তেল শোধনাগার, চিনি শিল্প, ফিশিং কমপ্লেক্স, বিদ্যুেকন্দ্র, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্প থেকে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। নগরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল, ডায়িং কারখানা, তেলের ডিপো, সার কারখানা এবং অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক বর্জ্য ড্রেন ও খালের মাধ্যমে সরাসরি নদীতে গিয়ে পড়ছে। কৃষিজমিতে ব্যবহূত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারও বৃষ্টির পানি ও খালের মাধ্যমে নদীতে মিশে দূষণের মাত্রা আরো বাড়িয়ে তুলছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার তথ্য উদ্ধৃত করে সমীক্ষায় বলা হয়েছে, নগরীতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৩ কোটি লিটার স্যুয়ারেজ বর্জ্য উত্পন্ন হয়। কার্যকর স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা না থাকায় এর অধিকাংশই কোনো ধরনের পরিশোধন ছাড়াই কর্ণফুলীতে গিয়ে পড়ে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পকারখানার অপরিশোধিত তরল বর্জ্য। পরিবেশ অধিদপ্তরের ২০১৬ সালের জরিপেও উল্লেখ করা হয়েছিল, প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি লিটার গৃহস্থালি ও পয়োবর্জ্য নদীতে পতিত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে দূষিত বর্জ্য জমতে জমতে নদীর পানির স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে, কমছে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ এবং ধীরে ধীরে ধ্বংস হচ্ছে নদীর প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র।

কর্ণফুলীর আরেকটি বড় সংকট হয়ে উঠেছে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ। রাউজান থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তর জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ২৫০ মেট্রিক টন প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য নগরী থেকে বিভিন্ন খাল ও নালার মাধ্যমে কর্ণফুলীতে এসে পড়ে। গবেষণা সংস্থা সিপিডির এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের উপকূলীয় নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩৯ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এই প্লাস্টিক নদীর তলদেশে জমে শুধু নাব্যতা কমাচ্ছে না, মাছ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনচক্রও ব্যাহত করছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নদী ড্রেজিং করতে গিয়ে নদীর তলদেশে দুই থেকে তিন মিটার পুরু পলিথিন ও প্লাস্টিকের স্তর পাওয়া গেছে। ড্রেজারের পাইপে বারবার প্লাস্টিক আটকে যাওয়ায় স্বাভাবিক খনন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীর তলদেশে এভাবে প্লাস্টিক জমতে থাকলে ভবিষ্যতে নাব্যতা রক্ষা আরো কঠিন হয়ে পড়বে।

সরেজমিনে শাহ আমানত সেতু, চাক্তাই ও রাজাখালী খাল এলাকায় দেখা গেছে, নদীর তীর জুড়ে ছড়িয়ে আছে পলিথিন, প্লাস্টিক ও নানা ধরনের কঠিন বর্জ্য। কোথাও কোথাও বর্জ্য জমে পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। চাক্তাই ও রাজাখালী খাল দিয়ে প্রবাহিত কালো, দুর্গন্ধযুক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত পানি সরাসরি কর্ণফুলীতে গিয়ে পড়ছে। একই চিত্র বোয়ালখালীর কালুরঘাট, শিকলবাহা, গোমদণ্ডী, শাকপুরা, পতেঙ্গা, কর্ণফুলী উপজেলা এবং নাসিরাবাদ শিল্পাঞ্চলসংলগ্ন এলাকাতেও দেখা যায়। বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য খাল ও ড্রেনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, চট্টগ্রামের প্রাণ কর্ণফুলী নদী আজ দখলে দূষণে বিপর্যস্ত। নদীর তীর দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। যার কারণে কর্ণফুলী ক্রমশ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন ৩৭টি খাল দিয়ে নগরীর কয়েক হাজার টন প্লাস্টিক, পলিথিন ও মানবসৃষ্ট বর্জ্য নদীতে এসে পড়ছে। এতে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে জীববৈচিত্রকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। মাছের প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে। তাই কর্ণফুলীর প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এবং নদীকে জীবন্ত রাখা দেশের সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়া এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

Feb2
Feb2

উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 6:02 pm
উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গত ১৪ আগস্ট ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বাদে আসর উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ইমামে রাব্বানী শেখ আবুল বারাকাত আল বদরউদ্দিন আল ফারুকী মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রা.) এর ফাতেহা শরীফ ও মাহবুবে ইয়াজদানী আওলাদে রাসুল ও আওলাদে গাউছে পাক হুজুর সৈয়্যাদ আশরাফ জাহাংগীর সিমনানী (রা.) এর ফাতেহা শরীফ এবং মুজাদ্দিদে দ্বীনে মিল্লাত ইমামে আহলে সুন্নাত সৈয়দুনা সরকার আলা হযরত শাহ আহমদ রেজা ফাজেলে বেরলভী (রা.) পবিত্র ফাতেহা শরীফ ও আসন্ন ১১ রবিউল আওয়াল উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে পবিত্র জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। আঞ্জুমানে আল আমিন সুবলুস সালাম বাংলাদেশ হাটহাজারী চট্টগ্রাম এর প্রতিষ্টাতা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আবু বক্কর কাদেরীর উপস্থাপনায় ছদারত করেন বড় হুজুর কেবলা অলিয়ে কামেল উস্তাযুল উলামা শায়খুল মশায়েখ বাহারুল উলুম হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ নুরুল মোনাওয়ার (রহঃ) এর এজাজতপ্রাপ্ত গদিনশীন আওলাদে পাক জা-নোশিনে মোনাওয়ার হুজুর শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ছালেকুল মাওলা (মা,জি,আ), সাজ্জাদানশীন- উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফ।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন আল কাদেরী, প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নুর মুহাম্মদ রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ ইলিয়াস, মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ।

আলোচনায় অংশগ্রহন করেন মাওলানা রিদওয়ান, নাত পরিবেশন করেন শায়েরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ আরফাত রেজা কাদেরী। উক্ত অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারায় গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:44 pm
আনোয়ারায় গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামের আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া (রহ.) দরবার শরীফ থেকে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বটতলী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে ঐতিহাসিক স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট (শুক্রবার) আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া (রহ.) দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে মেহমান-এ-আলা হিসেবে তাকরীর করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক সফল অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আল-কাদেরী। মাহফিলের উদ্বোধন করেন উপজেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আহমদ কবির।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আবু, ইসলামী চিন্তাবিদ এস এম হামেদ হোসাইন এবং হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের কো-চেয়ারম্যান মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মাওলানা এনাম রেজা।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আবদুল মোমেন আনোয়ারী, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জানে আলম নেজামী, অধ্যক্ষ ডি.আই.এম. জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আহমদ নুর আল-কাদেরী, মাওলানা আহমদ উল্লাহ, শায়ের মাওলানা এনামুল হক এনাম, মাওলানা আবুল কাশেম বিন সৈয়দ ফারুকী, মাওলানা সাইফুল আলম, কবি ও সাহিত্যিক মুহাম্মদ আলী আজগর, সাবেক মেম্বার আমীর আহমদ, সমাজসেবক মুহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন, যুবনেতা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জাকারিয়া, জিয়াউল হক রুভেল, মাহবুব আলম, মোহাম্মদ ওসমান তাহেরী, হুমায়ুন কবির ছোটন, মুহাম্মদ শাকিল, আবদুল মাবুদ সাগরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মাহফিলে বক্তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও ইসলামী চেতনা ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আগামী ২৬ আগস্ট, বুধবার, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আওলাদে রাসুল শাহিন শাহে ছিরিকোটির বংশধর পীরে বাঙ্গাল সৈয়দ মুহাম্মদ ছাবের শাহ (মজিআ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ার বৃহত্তম জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-তে সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটি বাতিলের যেকোনো উদ্যোগ বা ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মোকাবিলা করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।

বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:27 pm
বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর নগরের নসিমন ভবনস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয় জামে মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ মহানগর ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের কথা স্মরণ করা হয়। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে নিহত দলীয় নেতাকর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মফিজুর হক ভুঁইয়া, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, ইস্কান্দার মির্জা, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, খোরশেদ আলম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মশিউর আলম স্বপন, মোশারফ হোসেন ডিপটি, জাফর আহমেদ, মাহাবুব রানা, নুর উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ।

পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশ, জাতি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।