খুঁজুন
, ,

মুজিব শতবর্ষ লোগো নির্দেশিকা প্রকাশিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 January, 2020, 6:36 pm
মুজিব শতবর্ষ লোগো নির্দেশিকা প্রকাশিত

মুজিববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে মুজিব শতবর্ষ লোগো নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে।

সরকারি, বেসরকারি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মুজিববর্ষ সম্পর্কিত যেসব ডিজাইন ও স্মারক তৈরি করবে তার মানের সমতা নিশ্চিত করতে নির্বাচিত ও অনুমোদিত ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো ব্যবহারের জন্য এই নিদের্শিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই নির্দেশিকার কপি সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়া মুজিববর্ষের ওয়েবসাইট (http://mujib100.gov.bd) থেকেও এ নিদের্শিকা ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে।

লোগো ব্যবহার নিদের্শিকায় উল্লেখিত দশটি মূল নির্দেশনা হলো: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির নির্ধারিত রঙ, বর্ণবিণ্যাস এবং আকৃতি ব্যতীত অন্য কোনো প্রকারে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না।

এছাড়া সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সকল ইমেইল, সরকারি পত্র, স্মারকপত্র, আধা-সরকারি পত্রে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের লোগোর সঙ্গে যথাযথভাবে মুজিববর্ষের লোগোটি ব্যবহার করা যাবে।

সরকারি মালিকানাধীন সকল বাস, ট্রেন, দাপ্তরিক গাড়ি, নৌযান, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে চলমান বাংলাদেশ বিমান, সামরিক এয়ারক্রাফট ও ক্রুজে উপযুক্ত স্থানে লোগোটি ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে এবং সাজসজ্জায় মুজিববর্ষ লোগোর নির্দেশিকা অনুসরণ করে নির্ধারিত ও আনুপাতিক হারে নান্দনিকভাবে লোগোটি ব্যবহার করা যাবে।
জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুভেচ্ছা কার্ড এবং আমন্ত্রণপত্রে উক্ত লোগো ব্যবহার করা যাবে।

জাতীয় পাঠ্যপুস্তক এবং সকল সরকারি তথ্য বাতায়নে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, নোটপ্যাড, স্টেশনারি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি সকল প্রচার সামগ্রীতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে।

বিভিন্ন ক্রীড়া, সাহিত্য, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার অনুষ্ঠানের আয়োজনে, প্রকাশনার ক্ষেত্রে লোগো ব্যবহার করা যাবে এবং জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের লক্ষ্যে নির্বাচিত লোগোটি ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

এদিকে কোনো ব্যক্তিগত বা বেসরকারি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক প্রোডাক্ট, সেবার উদ্দেশ্যে এই লোগোর ব্যবহার করা যাবে না বলে আজ এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়। সিগারেট, এলকোহল, আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা অনুরূপ দ্রব্যাদিতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না।

এ নির্দেশিকায় উল্লেখিত লোগোর ধরন, লোগোর পটভূমির রঙ, লোগোর চতুর্দিকের ফাঁকা জায়গা, গাঢ় পটভূমিতে লোগোর ব্যবহার, লোগোর মুদ্রণে রঙের নির্দেশনা, লোগোর ব্যবহারিক অবস্থান এবং লোগো ব্র্যান্ডিং এর উদাহরণ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলেও তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।

Feb2
Feb2

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাতের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 2:51 pm
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাতের

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশার ওষুধ ছিটিয়ে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব নয়, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, নগরীকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে হলে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও যাতে পানি জমে মশার বংশবিস্তার না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোড়ের শান্তিনগর এলাকায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রামে ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ারসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে। নিজের ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

তিনি বলেন, মশক নিধন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে নাগরিকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি। শুধু সিটি কর্পোরেশনের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে উদ্যোগী হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

মেয়র বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে সিটি কর্পোরেশন নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এসব কার্যক্রমের সুফল পেতে হলে নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোও জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাকলিয়ায় আয়োজিত এ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নগরবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিমুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, ইসমাইল বাবুল, মোহাম্মদ সেকান্দর, আবদুর রহিম, ফরিদুল হক লিটন, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হাজী মোহাম্মদ ইমরান উদ্দিন, সদস্য সচিব মহিউদ্দিন মিজান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাদের, আরিফুল ইসলাম ডিউক, নাসরিন আক্তার প্রমুখ।

৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ চলছে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 1:05 pm
৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ চলছে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের পর নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আরও কয়েকটি মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

শনিবার কল্পলোক আবাসিক এলাকার ১ নম্বর খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কারকাজের উদ্বোধন এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কল্পলোক মডেল মসজিদ চত্বর মাঠ প্রাঙ্গণে কল্পলোক আবাসিক সমাজকল্যাণ সমিতি (১ম পর্যায়) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আমি অঙ্গীকার করেছিলাম, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তুলব। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হালিশহর এইচ ব্লক মাঠ, হালিশহর বহুরূপী মাঠ, ফিরোজশাহ মাঠ, হালিশহর এস ব্লক মাঠ (বি ব্লক সংলগ্ন) এবং হালিশহর বিডিআর মাঠসহ বেশ কয়েকটি মাঠ উন্নয়ন করে খেলার উপযোগী করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হালিশহর শিশু পার্ক মাঠ, হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ মাঠ, বাকলিয়া স্টেডিয়াম ও বাকলিয়া স্কুল মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডেও নতুন খেলার মাঠ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

খেলাধুলার সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং সুস্থ দেহ ও সুস্থ মন গঠনের অন্যতম হাতিয়ার। শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। তাই প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ গড়ে তোলা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।”

তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমাদের লক্ষ্য, খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তোলা।”

অনুষ্ঠানে কল্পলোক আবাসিক সমাজকল্যাণ সমিতি (১ম পর্যায়)-এর সভাপতি এম. আব্দু শুক্কুর সভাপতিত্ব করেন। এতে মুখ্য উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন লিপু, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা কল্পলোক আবাসিক এলাকার খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁরা বলেন, মাঠ ও পার্কের উন্নয়ন এলাকার শিশু-কিশোর, তরুণ এবং সাধারণ বাসিন্দাদের খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়াবে। পাশাপাশি এসব উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

কল্পলোকের খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কারের এ উদ্যোগ নগরীতে পরিকল্পিত উন্মুক্ত স্থান সম্প্রসারণ এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কল্পলোক আবাসিক সমাজকল্যাণ সমিতির (১ম পর্যায়) সভাপতি এম. এ. শুক্কুরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আবদুল্লাহ আল হারুন, অ্যাডভোকেট আজিজুল হক, আমির হক ও মোহাম্মদ আবুল হোসাইন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আলী আকবর।

ভারতের দেওয়া ২৫০ রানের লক্ষ্যকে মামুলি বানিয়ে জিতল ক্যারিবীয়রা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 7:04 am
ভারতের দেওয়া ২৫০ রানের লক্ষ্যকে মামুলি বানিয়ে জিতল ক্যারিবীয়রা

লক্ষ্য ২৫০ রান। ১৮ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৪০। ভারতের বিপক্ষে রাঁচিতে দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে জয় পেতে শেষ দুই ওভারে ক্যারিবীয়দের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১০ রান। একই ব্যবধান ছিল সেঞ্চুরি থেকেও দূরত্বে থাকা অধিনায়ক শাই হোপের। অক্ষর প্যাটেলের করা ১৯তম ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতানোর পাশাপাশি শতকও পূর্ণ করেন তিনি।

অক্ষরের ওভারের প্রথম বলটি ডিপ মিডউইকেট দিয়ে সীমানাছাড়া করেন হোপ। পরের বলটি এক্সট্রা কাভারে ঠেলে দিলেও রান নেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। তৃতীয় বলে ওয়াইড লং অন দিয়ে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি ও জয়—দুটিই একসঙ্গে উদ্‌যাপন করেন তিনি। মাত্র ৪৫ বলে শতক পূর্ণ করা হোপের দুর্দান্ত ইনিংসে ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটে জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে ক্যারিবীয়রা। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে রান তাড়া করে জয়ের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহের লক্ষ্য অতিক্রম করার ঘটনা।

আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ডের ম্যাচেও ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়ানে সেই রেকর্ড গড়েছিল তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৫৯ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ম্যাচটি জিতেছিল স্বাগতিকেরা।

রাঁচিতে আজকের ম্যাচের শুরুতে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের এমন দাপুটে জয়ের আভাস পাওয়া যায়নি। ভারতের পেসার মায়াঙ্ক যাদব প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই ক্যারিবীয়দের স্কোর ৫ রানে ২ উইকেটে নামিয়ে দেন। এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ২৭ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে ফিরলে ক্রিজে আসেন শেরফান রাদারফোর্ড।

রাদারফোর্ডকে নিয়ে পরের ৯ ওভারে ১২০ রান যোগ করেন হোপ। ৩৭ বলে ৭টি ছক্কায় ৮৪ রান করে রাদারফোর্ড যখন আউট হন, তখনও জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ৩৫ বলে ৭২ রান।

সেই চাপ সামলে শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন হোপ। রোমারিও শেফার্ডের সঙ্গে তাঁর জুটিতে মাত্র ২৬ বলে আসে ৭৪ রান। শেফার্ডও ছিলেন আক্রমণাত্মক; ১৩ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।

আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে এটি হোপের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তাঁর ৪৫ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছক্কায়। এর আগে গত বছর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন এই ক্যারিবীয় অধিনায়ক।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তোলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। ৪১ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি।

এ ছাড়া তিলক বর্মা ১৮ বলে অপরাজিত ৪৪, ঈশান কিষান ২২ বলে ৪৩ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৮ বলে ৪০ রান করেন। ভারতের বড় সংগ্রহও শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি হোপের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সামনে।