খুঁজুন
, ,

কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 9 August, 2026, 2:59 pm
কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

রাষ্ট্রপতি পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের বৈঠক শেষে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমরা ১১ দলের পক্ষ থেকে অংশ নেব। আমরা প্রার্থী দেবো। যেহেতু ১১ দল আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি পার্লামেন্টে এবং বাইরে গণভোটের জন্য, সেই জায়গায় আমাদের কমন প্রার্থী থাকবে, ঐক্যবদ্ধ প্রার্থী থাকবে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের পক্ষ থেকে এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হবেন ১১ দলেরই শরিক দল এলডিপির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশের একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বিভিন্ন সময় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন, ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার কারণ ব্যাখ্যা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘১১ দলে আমরা মনে করি দেশের এই যে সংকট একটা চলছে, এই সময় দেশে যে ধরনের অভিভাবকত্ব প্রয়োজন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমরা মনে করি কর্নেল অলি আহমেদ উপযুক্ত এবং উনার অভিভাবকত্বে বা উনার নেতৃত্বে এই সংকটগুলো নিরসন হওয়া সম্ভব।’

আজ ১১ দলের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আলোচনায় অনেকগুলো বিষয় এসেছে। বিশেষত বিএনপি সরকারের নির্বাচন পরবর্তী যে অবস্থান, আমাদের গণভোট, জুলাই সনদ, সেই বিষয়গুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে সরকারের দ্বিচারিতা…।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার কমিশনে দীর্ঘদিন ধরে যে আলোচনা হয়েছিল, সেখানে কিন্তু রাষ্ট্রপতি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে হবে, সেটার একটা নতুন ফর্মুলা প্রস্তাবিত হয়েছিল, যাতে আমরা সবাই মিলে একটা সর্বজনগ্রাজ্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে পারি। সেই নির্বাচন প্রক্রিয়াও সংশোধনের প্রস্তাব এসেছিল এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের জায়গায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আরও কীভাবে বাড়ানো যায় এসব আলোচনা হয়েছিল। আমাদের প্রত্যাশা ছিল যে নির্বাচনের পরে আসলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন জুলাই সনদ অনুযায়ী।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের গণভোটের যে ম্যান্ডেট জনগণ দিয়েছে, ৭০ শতাংশ জনগণ আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছিল। সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হবে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ হবে। এর মধ্য দিয়ে আমরা নতুনভাবে সংস্কারকৃত সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে পারব। এটা আমাদের প্রত্যাশা ছিল।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে এবং তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো কিছুতে, কোনো ধারাতেই নেই। সংস্কার পরিষদের শপথ তারা নেয়নি, অধিবেশন ডাকেনি এবং সব প্রতিষ্ঠানকে তারা দলীয়করণ করছে। নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ করছে। আমাদের যে লড়াই ছিল, নিরপেক্ষ সরকার, নির্বাচন কমিশন, তা আমরা দেখলাম যে এই সরকারও আসলে পূর্ব স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু প্রথম অধিবেশনের একদম প্রথম দিনই বলেছিলাম যে ফ্যাসিবাদের দোসর সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি থেকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়া হয়, জুলাই সনদ অনুসারে। সেই রাষ্ট্রপতিকে তারা ছয় মাস রেখে দিলো এবং তাকে এখনও কোনো ধরনের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে না। এটাও আমাদের কাছে সন্দেহজনক।’

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি নির্বাচন-পরবর্তী পাঁচ বছর যখন অতিক্রম হবে, এই রাষ্ট্রপতি সে সময় থাকবেন এবং তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে হবে, এই রাষ্ট্রপতি যিনি রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন, হবেন, তার ভূমিকা কী হবে, এই পুরো বিষয়টা কিন্তু জাতির সামনে একটা সন্দেহ তৈরি করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির অধীনে ইতিহাসে আমরা দেখেছি, তারা সবসময় চেষ্টা করেছে এই ট্রানজিশনের সময়গুলো যাতে নিজেদের হাতে ক্ষমতা থাকে, সেটা তারা বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশে অনেকগুলো রাজনৈতিক সাংবিধানিক সংকট তারা তৈরি করেছে।’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী বাস্তবে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিয়ম দেখে এসেছি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা থাকে, তাদের প্রাধান্য থাকে এবং তাদের ওই ভোটে কাস্টিং ভোটটাই মূলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়।’

তিনি বলেন, আমি মনে করি যে, এই অংশগ্রহণটাই একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ। রাজনীতিতে গণতন্ত্রের জন্য আমরা মনে করি যে এই প্রক্রিয়াটা অংশগ্রহণমূলক, প্রতিযোগিতামূলক হওয়া উচিত।’

এসময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন

Feb2
Feb2

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 9 August, 2026, 3:46 pm
সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।

সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।

পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

সমুদ্র উপকূলে কল-কারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 9 August, 2026, 3:34 pm
সমুদ্র উপকূলে কল-কারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যার্তদের সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমুদ্র হলো জনগণের বড় সম্পদ। সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় কল-কারখানা স্থাপন করে এই অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এতে বেকার সমস্যার সমাধান হবে।

লবণ চাষিদের কল্যাণে শিগগির মূল্য নির্ধারণের ঘোষণাও দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এখানকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যেন বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ না পায়।

তারেক রহমান বলেন, ‘কিছুদিন ধরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিভ্রান্ত করে জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগনের ভোটে নির্বাচিত বলে মানুষের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব। আর চলতি বছর ৪১ লাখ নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে।’

নারীদের স্বাবলম্বী করতে ও তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব বলেও জানা প্রধানমন্ত্রী।

বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের হাতে বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ। জনগণের সমর্থন থাকলে আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।’

সমাবেশে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, এরপর দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদরাসায় শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর বিকেল সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল পৌনে ৪টায় হাটহাজারী ডাকবাংলোয় যাত্রা বিরতি করবেন।

বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সহায়তা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় চট্টগ্রামের ‘রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ’ হোটেল মিলনায়তনে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর আগে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে গেলেও মহেশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে এবারই প্রথম সফর করছেন।

 

 

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা পেলো নতুন বাড়ির চাবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 9 August, 2026, 3:21 pm
বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা পেলো নতুন বাড়ির চাবি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া গ্রামের একটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নতুন বাসগৃহ নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া নতুন বাড়ির আঙিনায় একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং হাঁস-মুরগি দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা সফরের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দুপুরে সেখানে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

তার আগে সকালে কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে হেলিকপ্টারযোগে তিনি বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতে পৌঁছান।

বাঁশখালীর অত্যন্ত সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর সমুদ্রসৈকতের তীরে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এসব তথ্য জানান।