খুঁজুন
, ,

নতুন সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 9:38 am
নতুন সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অভিনেতা জয় চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) দিনভর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কামাল মো. কিবরিয়া লিপুর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন জানায়, সমিতির মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে এবার ৪৮০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু হয়। দীর্ঘ গণনা প্রক্রিয়া শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং শনিবার ভোরে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জয় চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।

এবারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিএফডিসিপাড়া ছিল উৎসবমুখর। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল—আরমান–মুক্তি পরিষদ এবং শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদ। প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল পরিচিতি ও ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে সরগরম ছিল পুরো চলচ্চিত্রাঙ্গন।

Feb2
Feb2

শেষ ষোলোয় কে কার মুখোমুখি, কার খেলা কখন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 11:04 am
শেষ ষোলোয় কে কার মুখোমুখি, কার খেলা কখন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে শেষ হয়েছে শেষ বত্রিশের রোমাঞ্চকর লড়াই। ৩২ দলের মধ্যে টিকে আছে এখন মাত্র ১৬টি দল। জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের মতো পরাশক্তির বিদায়, প্যারাগুয়ের রূপকথা কিংবা কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শ্বাসরুদ্ধকর জয়, সব মিলিয়ে জমে উঠেছিল নকআউটের লড়াই।

এবার শুরু হচ্ছে শেষ ষোলোর মহারণ। এখান থেকেও প্রতিটি ম্যাচই হারলেই বিদায়। আজ রাত থেকে ৮ জুলাই ভোর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে আটটি ম্যাচ। এরপর ৮ জুলাই একদিন বিরতি দিয়ে ৯ জুলাই থেকে শুরু হবে কোয়ার্টার ফাইনাল।

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী শেষ ষোলোর সূচি:

১. কানাডা বনাম মরক্কো (৪ জুলাই , রাত ১১:০০টা): দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউট জয় পেয়েছে কানাডা। এবার তাদের সামনে শক্ত প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করেছে।

২. প্যারাগুয়ে বনাম ফ্রান্স (৪ জুলাই দিবাগত রাত ৩:০০টা): জার্মানিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চমক দেখানো প্যারাগুয়ের সামনে এবার কিলিয়ান এমবাপ্পের ফর্মে থাকা ফ্রান্স।

৩. ব্রাজিল বনাম নরওয়ে (৫ জুলাই দিবাগত রাত ২:০০টা): জাপানকে হারিয়ে আসা ব্রাজিলের সামনে এবার আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে। ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষে নয়, কারণ নরওয়েকে এখনো হারাতে পারেনি সেলেসাওরা।

৪. মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড (৬ জুলাই সকাল ৬:০০টা): স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নামছে হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টে এখনো কোনো গোল হজম করেনি মেক্সিকো।

৫. পর্তুগাল বনাম স্পেন (৬ জুলাই দিবাগত রাত ১:০০টা): রোনালদোর পর্তুগালের সামনে এবার টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট স্পেন। শেষ ষোলোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াইগুলোর একটি এটি।

৬. যুক্তরাষ্ট্র বনাম বেলজিয়াম (৭ জুলাই সকাল ৬:০০টা): স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সামনে শক্তিশালী বেলজিয়াম। লাল কার্ডের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান।

৭. আর্জেন্টিনা বনাম মিসর (৭ জুলাই রাত ১০:০০টা): কেপ ভার্দেকে অতিরিক্ত সময়ে হারিয়ে আসা আর্জেন্টিনার সামনে এবার মোহাম্মদ সালাহর মিসর, যারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠেছে।

৮. সুইজারল্যান্ড বনাম কলম্বিয়া (৭ জুলাই দিবাগত রাত ২:০০টা): আলজেরিয়াকে হারানো সুইজারল্যান্ড ও ঘানাকে বিদায় করা কলম্বিয়ার ম্যাচ দিয়েই শেষ হবে শেষ ষোলোর লড়াই।

ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কলম্বিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 10:39 am
ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কলম্বিয়া

২০১৪ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে চমক দেখায় কলম্বিয়া। ৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আবারও সেই পথেই হাঁটছে দক্ষিণ আমেরিকান দলটি। শেষ ৩২ পর্বের শেষ ম্যাচে তারা ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চতুর্থবার শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিলো।

শেষ ষোলোতে কলম্বিয়ার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। এর আগে ২০১৮ সালে শেষবার বিশ্বকাপে খেলেও শেষ ষোলোতে উঠে বিদায় নেয় কলম্বিয়ানরা। কাতারের আসরে খেলার টিকিট তারা পেয়েছিল না।

শেষ ৩২ এর ম্যাচে কানসাস সিটিতে পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে কলম্বিয়া। ৬১ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রেখে লক্ষ্যে তারা ৮টি শট নেয়। এর মধ্যে চারটি বড় সুযোগ পেয়েও নষ্ট করেছে তারা, বিশেষ করে পুয়ের্তা ও দিয়াজ।

তাদের সুযোগ নষ্টের পর ঘানা গোলকিপার লরেন্স আতি জিগির দারুণ সেভে মোজিকাকে ঠেকান। তাতে কলম্বিয়া ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। ১৪ মিনিটে জন আরিয়াসের গোলই গড়ে দিলো ম্যাচের পার্থক্য।

দিয়াজ তো ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোল করেই ফেলেছিলেন। কিন্তু সূক্ষ্ম অফসাইডের কারণে তার গোল বাতিল হয়। তাতে এক গোলে জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে কলম্বিয়াকে।

আর পুরো ৯০ মিনিটে কোনো শট নিতে না পারা ঘানা আবারও দক্ষিণ আমেরিকান কোনো দলের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো।

দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে কর্ণফুলী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 9:25 am
দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে কর্ণফুলী

একসময় চট্টগ্রামের প্রাণ হিসেবে পরিচিত কর্ণফুলী নদী আজ দখল, দূষণ ও অপরিকল্পিত শিল্পায়নের চাপে ক্রমেই প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। যে নদীকে ঘিরে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, শিল্পাঞ্চল ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটেছে, সেই নদীতেই এখন প্রতিদিন বিনা বাধায় ফেলা হচ্ছে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য, নগরের পয়োবর্জ্য, প্লাস্টিক-পলিথিন, গৃহস্থালির কঠিন বর্জ্য এবং কৃষিতে ব্যবহূত বিভিন্ন রাসায়নিক। দীর্ঘদিনের এই অনিয়ন্ত্রিত দূষণে কর্ণফুলীর পানি, তলদেশ, জীববৈচিত্র্য এবং নদীনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকা ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাম্প্রতিক সমীক্ষাও সেই উদ্বেগকেই আরো স্পষ্ট করেছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সমীক্ষা অনুযায়ী, কর্ণফুলী নদীর ৭৯টি স্থানে দূষণের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭৭টি স্থানেই দূষণের মাত্রা ভয়াবহ। শুধু চট্টগ্রাম নগরীতেই ২৩টি স্থান দিয়ে দূষণকারী বর্জ্য নদীতে পড়ছে। নগরের ১৯টি খাল এখন কার্যত শিল্প ও গৃহস্থালির বর্জ্য বহনের নালায় পরিণত হয়েছে। এসব খাল দিয়ে প্রতিদিন ডায়িং কারখানা, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালি এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের তরল ও কঠিন বর্জ্য সরাসরি কর্ণফুলীতে গিয়ে মিশছে। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী ও কর্ণফুলী উপজেলা জুড়েও।

সমীক্ষায় উঠে এসেছে, কর্ণফুলী উপজেলার নদী তীরে গড়ে ওঠা সিমেন্ট কারখানা, তেল শোধনাগার, চিনি শিল্প, ফিশিং কমপ্লেক্স, বিদ্যুেকন্দ্র, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্প থেকে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। নগরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল, ডায়িং কারখানা, তেলের ডিপো, সার কারখানা এবং অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক বর্জ্য ড্রেন ও খালের মাধ্যমে সরাসরি নদীতে গিয়ে পড়ছে। কৃষিজমিতে ব্যবহূত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারও বৃষ্টির পানি ও খালের মাধ্যমে নদীতে মিশে দূষণের মাত্রা আরো বাড়িয়ে তুলছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার তথ্য উদ্ধৃত করে সমীক্ষায় বলা হয়েছে, নগরীতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৩ কোটি লিটার স্যুয়ারেজ বর্জ্য উত্পন্ন হয়। কার্যকর স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা না থাকায় এর অধিকাংশই কোনো ধরনের পরিশোধন ছাড়াই কর্ণফুলীতে গিয়ে পড়ে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পকারখানার অপরিশোধিত তরল বর্জ্য। পরিবেশ অধিদপ্তরের ২০১৬ সালের জরিপেও উল্লেখ করা হয়েছিল, প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি লিটার গৃহস্থালি ও পয়োবর্জ্য নদীতে পতিত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে দূষিত বর্জ্য জমতে জমতে নদীর পানির স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে, কমছে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ এবং ধীরে ধীরে ধ্বংস হচ্ছে নদীর প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র।

কর্ণফুলীর আরেকটি বড় সংকট হয়ে উঠেছে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ। রাউজান থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তর জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ২৫০ মেট্রিক টন প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য নগরী থেকে বিভিন্ন খাল ও নালার মাধ্যমে কর্ণফুলীতে এসে পড়ে। গবেষণা সংস্থা সিপিডির এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের উপকূলীয় নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩৯ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এই প্লাস্টিক নদীর তলদেশে জমে শুধু নাব্যতা কমাচ্ছে না, মাছ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনচক্রও ব্যাহত করছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নদী ড্রেজিং করতে গিয়ে নদীর তলদেশে দুই থেকে তিন মিটার পুরু পলিথিন ও প্লাস্টিকের স্তর পাওয়া গেছে। ড্রেজারের পাইপে বারবার প্লাস্টিক আটকে যাওয়ায় স্বাভাবিক খনন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীর তলদেশে এভাবে প্লাস্টিক জমতে থাকলে ভবিষ্যতে নাব্যতা রক্ষা আরো কঠিন হয়ে পড়বে।

সরেজমিনে শাহ আমানত সেতু, চাক্তাই ও রাজাখালী খাল এলাকায় দেখা গেছে, নদীর তীর জুড়ে ছড়িয়ে আছে পলিথিন, প্লাস্টিক ও নানা ধরনের কঠিন বর্জ্য। কোথাও কোথাও বর্জ্য জমে পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। চাক্তাই ও রাজাখালী খাল দিয়ে প্রবাহিত কালো, দুর্গন্ধযুক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত পানি সরাসরি কর্ণফুলীতে গিয়ে পড়ছে। একই চিত্র বোয়ালখালীর কালুরঘাট, শিকলবাহা, গোমদণ্ডী, শাকপুরা, পতেঙ্গা, কর্ণফুলী উপজেলা এবং নাসিরাবাদ শিল্পাঞ্চলসংলগ্ন এলাকাতেও দেখা যায়। বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য খাল ও ড্রেনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, চট্টগ্রামের প্রাণ কর্ণফুলী নদী আজ দখলে দূষণে বিপর্যস্ত। নদীর তীর দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। যার কারণে কর্ণফুলী ক্রমশ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন ৩৭টি খাল দিয়ে নগরীর কয়েক হাজার টন প্লাস্টিক, পলিথিন ও মানবসৃষ্ট বর্জ্য নদীতে এসে পড়ছে। এতে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে জীববৈচিত্রকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। মাছের প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে। তাই কর্ণফুলীর প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এবং নদীকে জীবন্ত রাখা দেশের সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়া এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ নিতে হবে।