খুঁজুন
, ,

৩ ফুট করে খোলা হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 9:41 am
৩ ফুট করে খোলা হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িসহ হ্রদ তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাটের ওপেনিং বাড়িয়ে সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে। এরপর বাঘাইছড়ির প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

‎কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে কাচালং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে।

‎বাঘাইছড়ি পৌরসভার বটতলী, এফ ব্লক, পুরাতন মারিশ্যা, মাস্টারপাড়া, মাদ্রাসাপাড়া, লাইল্যাঘোনা, উলুছড়ি, বাঘাইহাট, পশ্চিম মুসলিম ব্লক ও মধ্যমপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। কোথাও কোথাও সড়ক ও বসতবাড়িতে পানি ওঠায় দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয়রা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় গেটগুলোর ওপেনিং পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে। বর্তমানে ১৬টি গেট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে।

‎কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় গেটগুলোর ওপেনিং বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ পরিবর্তন করা হতে পারে।

গেটগুলোর ওপেনিং তিন ফুট করার পর রোববার দুপুর থেকে বাঘাইছড়ির প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকা থেকে পানি সরে যাওয়ায় সেখানে পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

এদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় রাঙামাটি শহরের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সেতুটিতে প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ রেখেছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

‎হ্রদের পানির উচ্চতা, বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Feb2
Feb2

জামিনে বেরিয়ে খুন হলেন ‘পিচ্চি জাহেদ’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 9:36 am
জামিনে বেরিয়ে খুন হলেন ‘পিচ্চি জাহেদ’

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) তালিকাভুক্ত ৩৩০ জন দুষ্কৃতকারীর ১ নম্বরে থাকা জাহেদুল ইসলাম (৩৫) ওরফে ‘পিচ্চি জাহেদ’কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ এলাকায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় তার গতিরোধ করে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে পুরানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ এলাকার একটি সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন জাহেদ। এ সময় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তখন তাকে ঘিরে ধরে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তারা। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে জননিরাপত্তার স্বার্থে নগরীতে ৩৩০ জন দুষ্কৃতকারীর প্রবেশ ও অবস্থানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ওই তালিকার এক নম্বরে ছিলেন জাহেদুল ইসলাম ওরফে ‘পিচ্চি জাহেদ’। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

এ বছরের ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সাতকানিয়ার পুরানগড় এলাকায় সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০৪টি ইয়াবা ও ১৫টি দেশীয় অস্ত্রসহ জাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরে আসেন। এর কয়েক মাসের মধ্যেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হলো।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, জাহেদ দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের অপরাধজগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ও অস্ত্রের কারবার, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অপরাধী গ্রুপগুলোর বিরোধ কিংবা পুরোনো শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লালদিয়া টার্মিনাল হবে বৈশ্বিক লজিস্টিকস হাব : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 30 August, 2026, 3:25 pm
লালদিয়া টার্মিনাল হবে বৈশ্বিক লজিস্টিকস হাব : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে ঘিরে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক লজিস্টিকস ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, লালদিয়া টার্মিনাল শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের জন্য একটি কার্যকর প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আধুনিক বন্দর অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন (গ্রাউন্ড ব্রেকিং) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্প একটি উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ। একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে বিশ্বের সেরা লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠান, আধুনিক বাণিজ্যিক অবকাঠামো, উন্নত বন্দর ও আধুনিক শহর প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে লালদিয়া টার্মিনালের মতো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বন্দর ও বাণিজ্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এই বাণিজ্য খাতকে ঘিরে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও অনেকাংশে বন্দরের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর লক্ষ্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে নেতৃত্বের ভূমিকায় আনতে হবে। সরকারের দায়িত্ব হবে প্রয়োজনীয় নীতি, সহায়তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও এ অংশীদারত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। সরকার ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করছে।

লালদিয়া টার্মিনাল দ্রুত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমির খসরু বলেন, প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা সময়মতো নিশ্চিত করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে সহযোগিতাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত থাকবেন, তাদের কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে। কর্মী, প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব।

বন্দরকে দেশের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমুদ্রবন্দর ও বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

আমির খসরু বলেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস হাবে পরিণত করতে চায়। এটি শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের জন্য প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে শুধু লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, একটি কার্যকর ও উন্মুক্ত বাজার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 30 August, 2026, 12:07 pm
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ডেলিভারিতে আমরা যে পাইলট প্রজেক্টটি করেছি, তাতে ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি বা ভুল হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য এবং এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এখানে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় বা দলীয় পক্ষপাতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত বাংলাদেশে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে সঠিক উপায়ে এবং দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমাদের দেশে বিতরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতি বা অপচয় হয়ে থাকে। এটি মূলত দুর্নীতির মাধ্যমে, অপচয়ের মাধ্যমে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি কাজে আমরা সরকার, বেসরকারি খাত এবং বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোর মধ্যে একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলছি। এটি শুধু বন্যা পরবর্তী বা বন্যা পুনর্বাসনের কাজ নয়, আমরা একটি সৃজনশীল অর্থনীতি বা নতুন অর্থনৈতিক মডেল চালু করেছি; সেখানেও সরকার, ব্যক্তিখাত ও এনজিওগুলোর একটি যৌথ অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সবাই মিলে যৌথভাবে আমরা এই কাজগুলো পরিচালনা করছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথম সারির সাড়া প্রদানকারী বা প্রাথমিক সাহায্যকারী হিসেবে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কিন্তু এর পরের যে কাজগুলো থাকে- যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা কিংবা অন্যান্য পুনর্বাসন। সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সমাজের বিভিন্ন স্তরে যাদের কাজের পরিধি রয়েছে, সেই এনজিও ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকারের সম্পদ পুনর্বণ্টন এবং তাদের সম্পদ সংযোগের মাধ্যমে সার্বিক পুনর্বাসনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের পক্ষে সবসময় একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা একটি বড় সমস্যা। এতে দুর্নীতি ও অপচয় হয়। কিন্তু ডেলিভারি ব্যবস্থায় যখন আপনি বেসরকারি খাত ও এনজিওদের রাখবেন, তখন একদিকে যেমন কাজ দক্ষতার সঙ্গে হয়, অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতি কমে যায় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আমি আনন্দিত যে, আজকের এই বন্যা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্র-পত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগ দেখিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে এই দক্ষ ডেলিভারি সিস্টেম কাজ করছে। এটি তদারকি বা পাহারাদারের কাজ করছে, এর দক্ষতার জন্য কাজ করছে এবং সরকারের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করছে। আজকের এই উদ্যোগে ব্র্যাকসহ অন্যান্য সংস্থাও বিভিন্ন কাজ করছে। এই সম্মিলিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। সাধারণ মানুষের সঠিক পুনর্বাসন সম্পন্ন না হলে প্রকৃত সহায়তা হয় না, আর সেই কাজটিই তারা হাতে নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এসময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।