খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেসে আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেসে আগুন

ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন (৭০৯) বি-বাড়ীয়া স্টেশন পৌঁছালে ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পাওয়ার কারের ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ঢোকার সময়ই এর পাওয়ার কারে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পাওয়ার কারটিতে এক হাজার লিটার ডিজেল মজুদ ছিল বলে জানা যায়।

পারাবত এক্সপ্রেসের ক্ষতিগ্রস্থ পাওয়ার কার

আগুন লাগার পরপরই পাওয়ার কারের বগি থেকে সামনের কোচগুলো আলাদা করে নেয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। এতে কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।

ওই ট্রেনের যাত্রী মোরশেদ বলেন, হঠাৎ আগুন আগুন চিৎকারে বাইরে বেরিয়ে আসি। দেখতে পাই, পাওয়ার কারে আগুন জ্বলছে। এরপরই ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভাতে ছুটে আসে। এসময় পাওয়ার কারের সামনের কোচগুলো খুলে নেওয়া হয়। তবে পেছনের বগিগুলো তখনো সংযুক্ত ছিল ট্রেনে। তবে ইঞ্জিনের আগুন বগিগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আগেই ফায়ার সার্ভিস সক্রিয় হয়।

মোরশেদ আরও জানান, ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে, সেটা কেউ বলতে পারছেন না। তবে আগুনে কোনো যাত্রীর ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা দেখিনি।

ঘটনাস্থল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার জাকারিয়া হায়দার জানান, স্টেশনে ঢোকার মুহূর্তেই পারাবত ট্রেনের পাওয়ার কারে আগুন লাগে— এমন সংবাদ পেয়ে দ্রুত ছুটে যান তারা।

তিনি জানান, ইঞ্জিন (পাওয়ার কার) থেকে ধোঁয়া বের হলেও আগুন মূলত নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কুলিংয়ের জন্য পানি ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইঞ্জিন থেকে তেল চুঁয়ে পড়ে যেকোনো সময় বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। সে কারণে ফায়ার সার্ভিসের আরও টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৬টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে গিয়েছিল।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…