খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সামরিক স্বৈরশাসকরাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের খলনায়ক:প্রফেসর ড. ইফতেখার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
সামরিক স্বৈরশাসকরাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের খলনায়ক:প্রফেসর ড. ইফতেখার

আন্তর্জাতিক সমাজবিজ্ঞানী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বিশ্ব ইতিহাসে ২৪ জানুয়ারি মানবতা বিরোধী বর্বরতম একটি কালো দিন। আমরা জালিওয়ানবাগ হত্যাকান্ড সহ অনেক নৃশংস বর্বরতার কথা জানি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা সদত্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে কলঙ্কের তিলক পরিয়ে দেয়। আরো লজ্জা ও কলঙ্কের বিষয় কুখ্যাত সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের রক্ষায় কালো আইন ইনডেসনিটি অধ্যাদেশ জারী করে বিশ্বশ্রেষ্ঠ খলনায়ক হিসেবে ঘৃণিত ও নিন্দিত হয়েছেন।

তিনি আজ বিকেলে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম গণহত্যায় নিহত শহীদ স্মরণে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যকান্ডের খালেদা জিয়ার শাসনামলে এদেশে উগ্রমৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটে।

একাত্তরের ঘৃণিত চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক দালালদের মনত্রী বানানো হয়। গণতান্ত্রিক সংবিধানকে কাঁটা ছেড়া করে অসাম্প্রদায়িক ও ধর্ম নিরপেক্ষতা জলঞ্জলি দিয়ে বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়। তবে আশার কথা বিএনপি-জামাত জোট যখন ক্ষমতাসীন ছিল তখন নারকীয় গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করার পর চট্টগ্রাম গণহত্যার বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেছেন।

মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে তখনই শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত গণহত্যা চালায়। এই হত্যাকান্ড বর্বরতম ও জঘন্য। এই অপকর্ম অমানবিক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন ২৪ জানুয়ারির চট্টগ্রাম গণহত্যার সময় আমি মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। সেদিন সিএমপি কমিশনার রকিবুল হুদার নির্দেশে শেখ হাসিনার ট্রাক বহরে গুলিবর্ষণের বিভীষিকা ও নির্বিচারে গণহত্যার একটি কলঙ্কিত কালো দিন।

প্রদীপ প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, মামলার বিচারিক রায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ৫ পুলিশ সদস্যের মধ্যে অন্যতম সিএমপি’র তৎকালীন উপ পরিদর্শক গোপাল চন্দ্র মন্ডল (জে.সি.মন্ডল) বিদেশে পলাতক। যে দেশে তিনি রয়েছেন সে দেশের সাথে কূটনৈতিক প্রক্রিয়অর মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হোক। চট্টগ্রাম গণহত্যায় নিহতদের মধ্যে অনেকের পরিবার বিপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। সরকারকে সে সমস্ত পরিবারের পুর্নবাসন করার দাবি জানান। চট্টগ্রাম গণহত্যা মামলার বাদী এডভোকেট শহীদুল হুদা ১৯৯২ সালে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তিনি বেঁচে নেই। তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তাঁকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ারও আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের কো চেয়ারম্যান চসিক কাউন্সিলর আলহাজ্ব এইচ এম সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান সমন্বয়ক সাংস্কৃতিক সংগঠক মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ২৪শে জানুয়ারি চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শফর আলী, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, সরাইপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আমিন, চসিক কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক সায়রা বানু রশ্মি, নগর যুবলীগের সদস্য সুমন দেবনাথ, ওয়াহিদুল আলম শিমুল, আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হক সওদাগর, মুজিবুর রহমান, সাইদুর রহমান পুতুল, নারী নেত্রী ঝুমা আলমগীর, সাংস্কৃতিক সংগঠক রুপম মুৎসুদ্দী টিটু, কবি সজল দাশ, নগর ছাত্রলীগের সদস্য নাছির উদ্দিন কুতুবী, শ্রমিক নেতা শাহ আলম ভূইয়া প্রমুখ।

২৪ জানুয়ারি গণহত্যা দিবসের নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…