খুঁজুন
, ,

সামরিক স্বৈরশাসকরাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের খলনায়ক:প্রফেসর ড. ইফতেখার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 January, 2020, 3:15 pm
সামরিক স্বৈরশাসকরাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের খলনায়ক:প্রফেসর ড. ইফতেখার

আন্তর্জাতিক সমাজবিজ্ঞানী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বিশ্ব ইতিহাসে ২৪ জানুয়ারি মানবতা বিরোধী বর্বরতম একটি কালো দিন। আমরা জালিওয়ানবাগ হত্যাকান্ড সহ অনেক নৃশংস বর্বরতার কথা জানি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা সদত্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে কলঙ্কের তিলক পরিয়ে দেয়। আরো লজ্জা ও কলঙ্কের বিষয় কুখ্যাত সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের রক্ষায় কালো আইন ইনডেসনিটি অধ্যাদেশ জারী করে বিশ্বশ্রেষ্ঠ খলনায়ক হিসেবে ঘৃণিত ও নিন্দিত হয়েছেন।

তিনি আজ বিকেলে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম গণহত্যায় নিহত শহীদ স্মরণে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যকান্ডের খালেদা জিয়ার শাসনামলে এদেশে উগ্রমৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটে।

একাত্তরের ঘৃণিত চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক দালালদের মনত্রী বানানো হয়। গণতান্ত্রিক সংবিধানকে কাঁটা ছেড়া করে অসাম্প্রদায়িক ও ধর্ম নিরপেক্ষতা জলঞ্জলি দিয়ে বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়। তবে আশার কথা বিএনপি-জামাত জোট যখন ক্ষমতাসীন ছিল তখন নারকীয় গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করার পর চট্টগ্রাম গণহত্যার বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেছেন।

মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে তখনই শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত গণহত্যা চালায়। এই হত্যাকান্ড বর্বরতম ও জঘন্য। এই অপকর্ম অমানবিক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন ২৪ জানুয়ারির চট্টগ্রাম গণহত্যার সময় আমি মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। সেদিন সিএমপি কমিশনার রকিবুল হুদার নির্দেশে শেখ হাসিনার ট্রাক বহরে গুলিবর্ষণের বিভীষিকা ও নির্বিচারে গণহত্যার একটি কলঙ্কিত কালো দিন।

প্রদীপ প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, মামলার বিচারিক রায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ৫ পুলিশ সদস্যের মধ্যে অন্যতম সিএমপি’র তৎকালীন উপ পরিদর্শক গোপাল চন্দ্র মন্ডল (জে.সি.মন্ডল) বিদেশে পলাতক। যে দেশে তিনি রয়েছেন সে দেশের সাথে কূটনৈতিক প্রক্রিয়অর মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হোক। চট্টগ্রাম গণহত্যায় নিহতদের মধ্যে অনেকের পরিবার বিপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। সরকারকে সে সমস্ত পরিবারের পুর্নবাসন করার দাবি জানান। চট্টগ্রাম গণহত্যা মামলার বাদী এডভোকেট শহীদুল হুদা ১৯৯২ সালে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তিনি বেঁচে নেই। তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তাঁকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ারও আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের কো চেয়ারম্যান চসিক কাউন্সিলর আলহাজ্ব এইচ এম সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান সমন্বয়ক সাংস্কৃতিক সংগঠক মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ২৪শে জানুয়ারি চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শফর আলী, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, সরাইপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আমিন, চসিক কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক সায়রা বানু রশ্মি, নগর যুবলীগের সদস্য সুমন দেবনাথ, ওয়াহিদুল আলম শিমুল, আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হক সওদাগর, মুজিবুর রহমান, সাইদুর রহমান পুতুল, নারী নেত্রী ঝুমা আলমগীর, সাংস্কৃতিক সংগঠক রুপম মুৎসুদ্দী টিটু, কবি সজল দাশ, নগর ছাত্রলীগের সদস্য নাছির উদ্দিন কুতুবী, শ্রমিক নেতা শাহ আলম ভূইয়া প্রমুখ।

২৪ জানুয়ারি গণহত্যা দিবসের নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।