খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুরকে উৎসর্গ করে অমর একুশে গ্রন্থমেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২০, ২:১৬ অপরাহ্ণ
বঙ্গবন্ধুরকে উৎসর্গ করে অমর একুশে গ্রন্থমেলা

চলতি বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করার পর মেলা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

এবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ(মুজিববর্ষ) উপলক্ষে অমর একুশে গ্রন্থমেলা তাঁকেই উৎসর্গ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের চেতনার অংশ। সেই চেতনা এবং স্বপ্নকে প্রতিভাত করার জন্য আমরা জাতির পিতাকে এই গ্রন্থমেলা উৎসর্গ করলাম।’

আজ বৃহস্পতিবার অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২০ নিয়ে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এ ঘোষণা দেন।

হাবীবুল্লাহ সিরাজী জানান, আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সৃজনশীলতার সমন্বয়ে এবারের মেলাটি চলবে। প্রতিদিন যে আলোচনা অনুষ্ঠান হবে, সেটা বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে।

মহাপরিচালক বলেন, “এবারের বইমেলায় ‘আমার দেখা নয়া চীন’ গ্রন্থ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা নানা মাপে, নানা মাত্রে বঙ্গবন্ধুকে ধরার চেষ্টা করব।”

হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুকে ভাবলে ভাবি ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত। কিন্তু উনি কত বড় মাপের লেখক ছিলেন, তা কেউ বলে না। সেটি বাংলা একাডেমি করবে।’

বাংলা একাডেমির সদস্য সচিব জালাল উদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নামে এবারের বইমেলা উৎসর্গ করছি। এ ক্ষেত্রে বিশাল ব্যাপার হলো আমরা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাচ্ছি। এবারের বইমেলা বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্র করে যেভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে, ইতিহাসে তা আগে কখনো করা হয়নি।’

‘গত ১৩ জানুয়ারি লটারির ব্যবস্থার কাজ শেষ করেছি। গতকাল ২৯ তারিখে স্টল নির্মাণের কাজ শেষ। ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকাল ১১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বই নিয়ে প্রবেশ করা যাবে। কালও করা যাবে। ২ তারিখ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করার পর উন্মুক্ত করা হবে।’

এ ছাড়া এবারের মেলায় ‘বঙ্গবন্ধু পাঠাগার স্থাপন’ করা হবে, যেখানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা অসংখ্য বই পাওয়া যাবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে চার ভাগে ভাগ করা হবে বলে জানান জালাল উদ্দিন। সেগুলো হলো শিখর, সংগ্রাম, মুক্তি ও অর্জন।

মেলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য দুটি গেট থাকবে। এক্সিট গেট থাকবে একটি। নামাজ পড়ার জন্য ও টয়লেট ব্যবস্থাপনা থাকবে উন্নত। অন্যদিকে ব্রেস্ট ফিডিং ও হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে। দুটি ফুড কোর্ট থাকবে উদ্যানের পশ্চিম ও পূর্ব কোণে। খাবারের মান এবং দাম ক্রেতার অনুকূলে থাকবে। এসব মান রক্ষা না করলে বাতিল করা হবে।

জালাল উদ্দিন বলেন, করোনাভাইরাসের ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ সচেতন থাকবে।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এবারের বইমেলার পৃষ্ঠপোষকতা করছে বিকাশ ও ক্রসওয়াক।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…