খুঁজুন
, ,

রেলওয়ের কোয়াটার খাতায় শুন্য থাকলেও বাস্তবে রেলকর্মচীরই দখলে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 January, 2020, 6:22 pm
রেলওয়ের কোয়াটার খাতায় শুন্য থাকলেও বাস্তবে রেলকর্মচীরই দখলে

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ে বিভাগের একটি কোয়াটার দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর যাবত নথিতে শুণ্য (খালি) হিসেবে থাকলেও তা একজন রেলকর্মচারীই দখল করে বসবাস করছেন বিনা বরাদ্দে।

ওই রেল কর্মচারীর একই শহরে নিজস্ব বাসা-বাড়ি থাকলেও তিনি কোয়াটার দখল করে সেখানে অবস্থান করছেন আর বাসা ভাড়া দিয়ে নিজের পকেট ভরছে। কিন্তু রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কোয়াটারের ভাড়া বাবদ কোন অর্থই পাচ্ছে না।

রেলওয়ে ভূ-সম্পতি কর্মকর্তা (আইওডাব্লু) এর সহযোগিতায় তিনি ওই কোয়াটারটি দখল করে বসবাস করলেও নিয়মানুযায়ী তার বেতন থেকে এক পয়সাও কর্তন হচ্ছেনা। ফলে সৈয়দপুর রেলওয়ে বিভাগ তথা বাংলাদেশ রেলওয়ে রাজস্ব হারাচ্ছে দীর্ঘ দিন থেকে।

সৈয়দপুর শহরের রেলওয়ে অফিসার্স কলোনী এলাকায় জেলা ডাকবাংলো সংলগ্ন ৬১০ নং ডাবল কোয়াটারটি মূলতঃ বরাদ্দ ছিল রেলওয়ে কারখানার জিওএইচ শপের তৎকালীন খালাসী মোস্তাক এর নামে। কিন্তু তিনি কোয়াটারটি ছেড়ে দিলে বিগত ২০০৯ সালের ২৩ নভেম্বর তারিখে এটি শুন্য তথা খালি ঘোষণা করে সৈয়দপুর রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (আইওডাব্লু)। এর পর প্রায় ১ বছর যাবত এটি খালিই ছিল। কিন্তু তারপর কোয়াটারটি কোন প্রকার বরাদ্দ না নিয়ে ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে দখল করেন জিওএইচ শপেরই গ্রেড-১ মিস্ত্রি মোঃ রফিকুল ইসলাম (টিকিট নং ২৫০৬৯)। তিনি তখন থেকে আজ অবধি সেখানে বসবাস করছেন। বিষয়টি বর্তমান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা অবগত হলেও কোয়াটারটি ওই রেল কর্মচারীর নামে বরাদ্দ প্রদান করা বা দখলমুক্ত করার বিষয়ে কোন ব্যবস্থাই নেননি। বরং তিনিই পরবর্তীতে ওই রেল কর্মচারীকে সহযোগিতা করেছেন সেখানে বিনা বরাদ্দে বসবাসের ক্ষেত্রে।

এ ব্যাপারে কথা হয় কোয়াটার দখলকারী রেলওয়ে কর্মচারী মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন কোয়াটারটি তার নামে বরাদ্দ নেই তবে তার শপের (জিওএইচ) একজন কর্মচারীর নামে বরাদ্দ রয়েছে। তার বদলে তিনি সেখানে বসবাস করছেন। এ ব্যাপারে আইওডাব্লুসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (আইওডাব্লু) মোঃ তহিদুল ইসলামকে মুঠোফোনে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সৈয়দপুরে তো অনেক কোয়াটার কোন কার নামে বরাদ্দ বা কার দখলে আছে সে ব্যাপারে সঠিক ভাবে কিছু বলা যাচ্ছেনা। আমি এখন অফিসের বাইরে আছি।

সৈয়দপুরের রেলওয়ে কোয়াটার ও বাংলো বরাদ্দ ও বরাদ্দ বাতিল বিষয়ক কর্মকর্তা (ব্যারাক মাস্টার) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ২০০৯ সাল থেকেই অফিসার কলোনীর ৬১০ নং ডাবল কোয়াটারটি শুন্য রয়েছে। এটি জিওএইচ শপের মোস্তাক নামের একজন খালাসীর নামে বরাদ্দ ছিল। পরবর্তীতে তিনি তা ছেড়ে দিলে তখন থেকেই এটি আজ পর্যন্ত শুন্য হিসেবে খাতায় রয়েছে। কিন্তু সেখানে রফিকুল ইসলাম নামে একজন রেলওয়ে কর্মচারী আইওডাব্লুকে ম্যানেজ করে দখলে রেখে বসবাস করছেন। খালি কোয়াটার রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব মূলতঃ আইওডাব্লু’র। তিনি কোন কোয়াটারে কাকে থাকার জন্য দিচ্ছেন সে বিষয়ে আমাদের কিছুই জানার নেই।

একটি সূত্রের অভিযোগ আইওডাব্লু মোঃ তহিদুল ইসলাম সৈয়দপুরে যোগদানের পর থেকে প্রায় শতাধিক কোয়াটার ও বাংলো যেগুলো খালি হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে সেগুলো বিভিন্ন ব্যক্তিকে বসবাসের সুযোগ করে দিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। সেসাথে কোন কোন কোয়াটারকে পরিত্যক্ত দেখিয়েও সেখানে বহিরাগতদের দখলে দিয়ে মাসোহারা আদায় করে চলেছেন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ওয়ার্কস ম্যানেজার (ডাব্লুএম) ও কোয়াটার এবং বাংলো বরাদ্দ কমিটি (হাউজিং কমিটি) এর চেয়ারম্যান শেখ হাসানুজ্জামান জানান, রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি তথা জায়গা, কোয়াটার, বাংলো দেখা শোনার দায়িত্ব মূলতঃ আইওডাব্লু’র। আমরা শুধু আমাদের রেলওয়ে কারখানার কোন কর্মকর্তা কর্মচারী বরাদ্দ নিলে বা ছেড়ে দিলে সে বিষয়ে লিখিতভাবে জানাই। বরাদ্দ প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাপ্ত বেতনের ৪০ ভাগ বেতন কর্তন করা হয় বেতন থেকে। তাছাড়া সৈয়দপুরের বেশিরভাগ রেলওয়ে কোয়াটার ও বাংলো অনেক বড় বড় মানুষ দখল করে রেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে নিউজ করেন রেলওয়ে কারখানার কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিউজ করে কি হবে। কোন কোয়াটার যদি কোন কর্মচারী আইওডাব্লু ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে বা তাদের অজ্ঞাতে দখল করে বাস করে সেক্ষেত্রে আমার করার কিছুই নেই। কেননা তার বেতন থেকে কর্তনও করতে পারবোনা। আর আইওডাব্লু আমার অধিনে নয় তিনি ইএন বা রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা পাকশী রেলওয়ে বিভাগের অধিনে। তাই তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ আমরা নিতে পারিনা।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।