খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চসিক নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিতে নীল নকশার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:০২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিতে  নীল নকশার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে

আগামী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি যাতে অংশ নিতে না পারে সে জন্য এখন থেকে নানা ষড়যন্ত্র, হামলা মামলার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কারাগারে আটকে রেখে যেনতেন ভাবে ২০১৮ সালের মত নীল নকশার নির্বাচন বাস্তবাযনের কাজ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি।

আজ শনিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চট্টগ্রামের নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযাগ করেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের মতবিনিময় চলাকালে কোন কারণ ছাড়াই পুলিশী হামলা, ককটেল হামলা ও গুলি চালিয়ে নেতাকর্মীদের আহত করে কেন্দ্রিয় ছাত্রদল নেতাসহ কয়েজনকে গ্রেফতারের পর উল্টো অসংখ্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনার প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শাহাদাত বলেন, আগামী সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের নীল নকশা বাস্তবায়নে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে সিএমপির কতিপয় এক বির্তর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা। যিনি ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে যেভাবে গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছিল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ডা. শাহাদাত আরো বলেন, গত ২৮ জানুয়ায়ী মঙ্গলবার চট্টগ্রামে সফররত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নাছিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগর ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের তৃনমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল থেকে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচী চলাকালে কোতোয়ালী থানা ও ডিবি পুলিশ বিনা কারণে কার্যালয়ে ঢুকে নেতাকর্মীদের উপর বর্বর হামলা চালায়। এতে পুলিশ মারমুখি হয়ে নেতা কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে এবং গুলি চালায়। এসময় পুলিশ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যা শিষ্টাচার বহির্ভূত।

পুলিশের গুলিতে এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মাইনুদ্দীন শহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ. এম. রাশেদ খান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক কে. এম আব্বাস ও গাজী শওকত সহ ১০/ ১২ জন নেতা কর্মীসহ আহত হয়। তাদেরকে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদ আলম সর্দ্দার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দীন নিলয়, চট্টগ্রাম মহানগর
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম খলিল, মোঃ বেলালকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক টিম চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিটে ছাত্রদল নেতাদের সাথে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু পুলিশ সম্পূর্ণ বিনা কারণে ছাত্রদল নেতাদের উপর হামলা চালিয়ে আহত করে আবার তাদের নামে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ঐ সময়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন গণ মাধ্যমে স্বীকার করেন পুলিশ চার রাউন্ড গুলি চালিয়েছে। অথচ পরের দিন ছাত্রদল নেতা কর্মীরা পুলিশকে ককটেল হামলা করেছে অভিযোগ এনে ৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল না এমন নেতাদের নামও মামলায় আসামী হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ চূড়ান্ত মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ পদোন্নতির আশায় ছাত্রদলের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনে এবং গণমাধ্যমে তা প্রচার করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আবারও ষড়যন্ত্রমূলক অপ তৎপরতা শুরু করেছে। তথাকথিত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে যেভাবে গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঠিক তেমনিভাবে কিছু অতি উৎসাহী পুলিশ কর্মকর্তা আবারও গ্রেপ্তার নির্যাতন শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে দায়ের হওয়া গায়েবী মামলায় নেতাকর্মীরা হাইকোর্টের জামিনে থাকলেও নিন্ম আদালত জামিন বাতিল করে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে দিচ্ছে। আমরা মনে করি, বিএনপির বলিষ্ঠ নেতাকর্মীরা যাতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাজ করতে না পারে সে জন্য তারা এই গ্রেপ্তার অভিযান চালাচ্ছে।

এইভাবে নেতা কর্মীদের যদি মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তাহলে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। তাই আমরা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভোগি পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ করব, জনবান্ধব পুলিশ হউন, কোন গোষ্ঠির স্বার্থ রক্ষাকারী পেটুয়া বাহিনী হিসেবে চি‎হ্নিত হবেন না। আমরা ছাত্রদল নেতা কর্মকমীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবী জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি যাতে অংশ নিতে না পারে সে জন্য এখন থেকে নানা ষড়যন্ত্র, হামলা মামলার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কারাগারে আটকে রেখে যেনতেন ভাবে ২০১৮ সালের মত নীল নকশার নির্বাচন বাস্তবাযনের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিঃ সহ সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, আগামী সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের নীল নকশা বাস্তবায়নে সিএমপির অতিউৎসাহী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এখন থেকে মাঠে নেমেছে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছিল। আবারো সে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

সংবাদ সম্মেলনে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহ আলম, আর. ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাহেদ বক্স, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হামিদ হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এস এম সরওয়ার আলম, নগর মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফাতেমা বাদশা, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হালিম স্বপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী, সহ স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক আরিফ মেহেদী, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর বিএনপির সদস্য জাকিরহোসেন, মো. জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…