খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোষণ,নিপীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
শোষণ,নিপীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আওয়ামীলীগ দেশে এক দলীয় শাসন চালাচ্ছে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, সাম্য,মানবাধিকার আজ বিপন্ন। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগ কিন্তু সেখানেও বিচার প্রার্থীরা ন্যায় বিচার পাচ্ছে না। বিএনপির হাজার হাজার নেতা কর্মীরা মিথ্যা ও গায়েবী মামলায় জর্জরিত। শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। ভয়কে জয় করতে হবে।স্থগিত মেয়র নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের পাহারা দিতে হবে। জুলুম নির্যাতন অনেক হয়েছে। এবার সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে রেলওয়ে কলোনী মাঠে ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এতে ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, দেশের সব শ্রেণী ও পেশার মানুষ নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত। সাংবাদিক, পেশাজীবি, সাধারণ মানুষ কেহই এ সরকারের ছোবল থেকে রেহাই পায় নাই। এ সরকার একটি ফ্যাসিবাদী সরকার। সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আজ দুনীর্তিগ্রস্ত। এ সরকারের দুর্নীতির কারণে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ একটি দুর্নীতিপরায়ন ও দু:শাসনের দেশে পরিণত হয়েছে। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ নিদারুন কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ আজ হাহাকার করছে। বাজার মনিটরিংয়ে সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দেশ এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। চারদিকে ধর্ষণ,লুটপাট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষ দিশেহারা। দেশের মানুষের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। এদেশের জনগণের অধিকার, ভোটের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে। আজকে কেউ কথা বলতে পারে না, কেউ লিখতে পারে না। সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারবে না। আজকে আমাদের মতবিনিময় সভায় পুলিশ বাঁধা দিচ্ছে। বিএনপির সভা সমাবেশ দেখলে সরকারী দলের মাথা নষ্ট হয়ে যায়। এরা এখন সম্পূর্ণভাবে একটি কর্তৃত্ববাদী সরকারে পরিণত হয়েছে। এক নায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। ভিন্নকথা বললেই মামলা। দল-মত-নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।

১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুজ জাহেদ মাস্টারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উৃপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এস কে খোদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, যুগ্ম সম্পাদক কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল হালিম শাহ আলম, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, কান্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গির আলম দুলাল, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম।

আরো বক্তব্য রাখেন রেলওয়ে কেন্দ্রীয়
শ্রমিক নেতা এম আর মঞ্জু, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী সখিনা বেগম, বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, আসাদুজ্জামানদিদার, আবদুল হালিম পিন্টু, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক মো. হেলাল হোসেন, তানভীর মানিক, আবদুল আউয়াল টিপু, আবুল কালাম, গোলজার হোসেন মিন্টু, ডা.শরীফ, শাহ আলম, দিলীপ, গোফরান, আমজাদ, রিদোয়ান বারী, এবায়দুল্লাহ, শামীম চৌধুরী, বাদশা, জাহাঙ্গির, হাবিবুল ইসলাম, আশিক মল্লিাক, ইউনুস মুন্না, মিল্টন, দেলোয়ার, হোসেন, জাবেদ, আবদুর রহমান, জসিম, এন আই চৌধুরী, মো.সরওয়ার, আলিম উদ্দিন গুড্ডু, আকতার হোসেন, মাহবুব খালেদ, নুর আলম, জুয়েল,রিফাত হোসেন সাকিল, সামশুদ্দিন সামশু, ইসমাইল রকি প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…