খুঁজুন
, ,

প্রতিবন্ধী যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরীতে সরকারের পাশাপাশি সকলকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান মেয়রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 February, 2020, 8:42 pm
প্রতিবন্ধী যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরীতে সরকারের পাশাপাশি সকলকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান মেয়রের

আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কনফারেন্স রুমে এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায়, স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসা কর্তৃক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইনক্লুশন ওয়ার্কস্ প্রকল্প সম্পর্কিত অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ সভাপতি অধ্যাপক ডা: এ কিউ এম সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইপসা’র প্রধান নির্বাহী মো: আরিফুর রহমান এর সঞ্চালনায় সভায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সমূহের নির্বাহী ও প্রতিনিধিগণ, কর্পোরেট সেক্টরের প্রতিনিধিগণ, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন সমূহের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তারা তাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতিবন্ধী যুবকদের কর্মসংস্থান প্রদান করছে। এছাড়া নব নির্মিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ভবনটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উপযোগী প্রতিবন্ধী বান্ধব ভবন নির্মাণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তরিত করতে এবং প্রতিবন্ধী যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরীতে সরকারের পাশাপাশি সকলের সক্রিয় উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ইপসার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও এটুআই এর কন্সালটেন্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য্য।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সামসুদ্দোহা, সমাজসেবা চট্টগ্রাম এর বিভাগীয় পরিচালক নুসরাত সুলতানা, অধ্যাপক মো: জাহাঙ্গীর, অধ্যক্ষ বিজয় স্মরনী ডিগ্রী কলেজ, চসিক কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দীন, মো: বিজিএমইএ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মো: করিম উল্লাহ চৌধুরী, ওমেন চেম্বার প্রতিনিধি ইফফাত জাহান ।

এতে উপস্থিত ছিলেন চসিক সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারজানা পারভীন, সচিব মো. আবু সাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাসেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম।

সভায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ হেড অব প্রোগাম্স সুবোধ কুমার দাশ, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনক্লুশন ওয়ার্কস্ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: আবদুর রাকিব।

সম্প্রতি ইউকে এইডের অর্থায়নে এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায়, ইপসা প্রতিবন্ধী যুবক নারী ও পুরুষদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক র্কমসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩ বছর মেয়াদী প্রকল্পটি শুরু করেন।

কর্ম পরিবেশ তৈরী, কর্মে অন্তর্ভূক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় এবং নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান সমূহে প্রতিবন্ধী-বান্ধব কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে উদ্বুদ্ধ করণের নিমিত্তে প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়।

এছাড়া সভায় উপস্থিত সরকারী বেসরকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এধরণের সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।