খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবির আবাসিক হলে নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ২:২০ অপরাহ্ণ
চবির আবাসিক হলে নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

মেহেদী হাসান,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আবাসিক হলগুলোতে নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে আবাসিক শিক্ষার্থীসহ হলে খেতে আসা অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, শিক্ষার্থীরা অনেক দিন ধরেই খাবার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরই খাবারের গুণগত মান ও পরিমাণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে।

সাধারণত হলগুলোতে ভাত, ডাল, মাংস, মাছ, ডিম এবং বিভিন্ন ধরণের সবজি রান্না করা হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ মোটা চালের ভাত রান্না করা হয় সবসময় আর যে চাল দিয়ে ভাত রান্না করা হয় তা গুণগত মানসম্পন্ন না হওয়ায় খাবারে কোন স্বাদ পাওয়া যায় না। অনেক সময় ভাত দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয় আবার কখনো দাঁতের মাঝে চলে আসে ঝিল-পাথর। শাক-সবজি, মাছ, মাংস খাওয়ার সময়ও খাবারের আসল স্বাদ পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। স্বাদহীন খাবার ছাড়া অন্য একটি সমস্যা হলো ভাত আর ডাল ছাড়া আর সবকিছুই পরিমাণে অনেক কম।

পরিমাণে কম ও স্বাদহীন খাবারের সাথে আরও একটি অভিযোগ হচ্ছে পঁচা খাবার। অনেক শিক্ষার্থীই অভিযোগ করেন হলের ডাইনিং এ অনেক সময় বাশি পচা খাবার দেওয়া হয়। আগের দিনের রাতের খাবার অনেক সময় পরের দিন দুপুরে দেওয়া হয়। যেটা একদমই খাওয়ার উপযুক্ত থাকে না।

এমনসব খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের পেট তো ভরেই না বরং তার সাথে রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। ফলস্বরূপ, অধিকাংশ শিক্ষার্থী হলের ডাইনিং এ খাবার না খেয়ে বাইরের হোটেলে খাবার খেয়ে থাকেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করতে হয়।

সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান রুপম বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এখানকার হলগুলোতে খুবই নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হয়। প্রতিটি খাবার স্বাদহীনভাবে রান্না করা হয়। একারণে আমি বাইরে থেকে খাবার খায়। যার জন্য আমাকে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হয়।

আলাওল হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এমদাদুল হক বলেন, আমি একজন ক্রীড়াবিদ। খেলাধুলা ও পড়াশোনা করতে হলে অবশ্যই আমাকে স্বাস্থ্যবান হতে হবে। কিন্তু এখানে যে খাবার দেওয়া হয় তা আমার স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযুক্ত নয়।

শাহজালাল হলের আবাসিক শিক্ষার্থী কাকন দে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই মধ্যবিত্ত পরিবারের। বাইরের হোটেল থেকে খাবার খাওয়া সবার পক্ষে সম্ভব না। আমাদের একমাত্র ভরসা হলের ডাইনিং। কিন্তু সেখানে মানসম্মত খাবার পাই না।

শিক্ষার্থীদের দাবি অতি শীঘ্রই যেন খাবারের মান ভালো করা হয়। যেন তারা সুস্বাদু খাবার গ্রহণ করে সুস্থ থেকে এখানে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারে।

আলাওল হলের ডাইনিং ম্যানেজার ইকবাল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, আমরা ভাল মানের খাবার পরিবেশন করি। আমরা পচা খাবার কখনোই পরিবেশন করি না। এখানে খাবারের খরচ মাত্র ২০-২৫ টাকা। এত কম টাকায় ভালো মানের খাবার সরবরাহ করা খুব কঠিন। টোকেনের দাম বাড়ালে আমরা শিক্ষার্থীদের উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করতে সক্ষম হবো।

আলাওল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আব্দুল হক এ বিষয়ে বলেন, বাজেট কম হওয়াতে আমরা শিক্ষার্থীদের ভালো মানের খাবার সরবরাহ করতে পারি না। আমিও খাবারের মান বাড়াতে চাই। আমি ডাইনিং ম্যানেজারের সাথে কথা বলেছি এবং তাদের পচা খাবার পরিবেশন না করার কথা বলেছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বিষয়ে তাদের সাথে আবার কথা বলব। আমি আশা করি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সমাধান হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…