খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হুকুম দখলের জায়গা লীজ কিংবা বিক্রয় করা চলবে না : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৮:০১ অপরাহ্ণ
হুকুম দখলের জায়গা লীজ কিংবা বিক্রয় করা চলবে না : সুজন

হুকুম দখলের জায়গা লীজ কিংবা বিক্রয় করা চলবে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করেছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর জামালখানস্থ প্রেস ক্লাব চত্বরে রেলওয়ে কর্তৃক হুকুম দখলকৃত জায়গা বাণিজ্যিক লীজ প্রদানের প্রতিবাদে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় সুজন বলেন, পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে চট্টগ্রামবাসীর ৬০ ভাগ সম্পত্তি রাষ্ঠ্রীয় কাজে হুকুম দখল করেছে সরকারী এবং স্বায়ত্বশাসিত বিভিন্ন সংস্থা। হুকুম দখলের সময় শর্ত ছিল হুকুম দখলকৃত জায়গা ১২ বছরের মধ্যে যে উদ্দেশ্যে হুকুম দখল করা হয়েছে সে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা না হলে হুকুম দখলকৃত জায়গা স্ব স্ব মালিককে ফেরত প্রদান করা হবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক চট্টগ্রামের আদি বাসিন্দাদের জায়গা হুকুম দখল হতে হতে আজ ক্রমান্বয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রামবাসী আজ নিজ দেশে পরবাসী। যাদের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল তারা হয়তো পূণরায় জায়গা জমি ক্রয় করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছে কিন্তু বেশীর ভাগ জায়গার মালিকই মানবেতর জীবন যাপন করছে। দেখা যাচ্ছে যে হুকুম দখলকৃত জায়গা যে উদ্দেশ্যে হুকুম দখল করা হয়েছে সে উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে বিভিন্ন বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিকট লীজ কিংবা বিক্রয় করে দেওয়া হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ হুকুম দখলের শর্ত বিরোধী কাজ বলে আমরা মনে করি। এজন্য জনগনের অধিকার আদায়ে নাগরিক উদ্যোগ অতীতের ন্যায় জনগনের পাশে এসে দাড়িয়েছে। যে কোন প্রকার নাগরিক দুর্ভোগ কিংবা অসুবিধায় নাগরিক উদ্যোগ জনগনকে সাথে নিয়ে জনগনের দাবী আদায়ে সর্বদা সোচ্চার থাকবে।

সম্প্রতি আমরা জানতে পারলাম বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বেসরকারি হাসপাতালের জন্য ৬ একর জায়গা বরাদ্ধ করে রেখেছে। সিআরবি এলাকায় রেলওয়ের জমিতে গড়ে তোলা হবে ৫০০ শয্যার একটি বেসরকারি হাসপাতাল। অথচ ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করার। সেই হাসপাতালটি বাস্তবায়নে কাজও শুরু করেছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। কিন্তু দু একর জায়গা নির্বাচনের অভাবে সে প্রকল্প আলোর মুখ দেখছে না। আমরা আরো জানতে পেরেছি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া সরকারি জমিতে হাসপাতালটি নির্মিত হলেও এর ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা হবে সম্পূর্ণ বেসরকারি মালিকানায়। যার ফলে এ হাসপাতালের চিকিৎসাব্যয়ও থাকবে সাধারণ মানুষের নাগালের বাহিরে। এতে করে স্বাস্থ্য খাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যকরী দিক নির্দেশনা পুরোপুরি উপেক্ষিত হবে এবং সাধারন জনগন পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হবে। আমরা পরিস্কারভাবে বলতে চাই চট্টগ্রামের জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই আরো একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা প্রয়োজন এবং তা হতে হবে সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায়। কোনভাবেই জনগনের হুকুম দখলকৃত জায়গার উপর বেসরকারি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় হাসপাতাল নির্মিত হতে পারে না।

আমরা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে সবিনয় আহবান জানাবো উক্ত জায়গাগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নিকট হস্তান্তর করা হোক যাতে নগরবাসীকে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য সেবা দিতে চট্টগ্রামে একটি ১০০০ শয্যা বিশিষ্ঠ বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা যায়।

এছাড়া চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হচ্ছে নগরীর সল্টগোলা হতে পতেঙ্গা পর্যন্ত। বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত এবং সিইপিজেড কেইপিজেডসহ বিভিন্ন ভারী এবং হালকা শিল্প ঐ অঞ্চলে অবস্থিত। ঐ এলাকায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক নারী জীবন ও জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে এখানে বসবাস করে। এতো বিপুল সংখ্যক নারীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য এখানে নেই কোন প্রকার হাসপাতাল কিংবা মাতৃসদন। ফলত কোন অসুখ বিসুখ কিংবা সন্তান জন্মদানের জন্য ঐ অঞ্চলে বসবাসরত নারীদের কাঠখড় পুড়িয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে রাস্তায় সন্তান জন্মদানের মতো অমানবিক পরিস্থিতির মুখেও পড়তে হয়েছে সন্তান সম্ভবা মা দের। অথচ সল্টগোলা ক্রসিং মোড়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি বিশাল বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করেছে যা মোটেও কাম্য নয়। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কোন অবস্থাতেই সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়াতে পারে না।

আমরা আজকের এই মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই অবিলম্বে উক্ত বাণিজ্যিক স্থাপনাটিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট হস্তান্তর করা হোক। যাতে ঐ এলাকায় বসবাসরত বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত স্বাস্থ্য সেবার সুফল পেতে পারে। আমরা আরো আহবান জানাই বিভিন্ন সময় দেখতে পাই যে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ মাঝেমাঝে লোকদেখানো কিছু উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের গরীব মানুষদের উচ্ছেদ করে সেসব জায়গা জমি ধনীদের বরাদ্ধ দেওয়া হচ্ছে। এতে করে সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তাই আমরা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাই হাসপাতালের নামে বাণিজ্যিক লীজ প্রদান বাতিল করা হোক এবং সেই জায়গাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট হস্তান্তর করা হোক। যদি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অতিসত্বর প্রস্তাবিত ঘোষণা থেকে সরে না আসে সেক্ষেত্রে জনগনের অধিকার আদায়ে যে কোন প্রকার কঠোর আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষণা করবে নাগরিক উদ্যোগ। এই নগরীতে বসবাসরত সকল নাগরিকবৃন্দকে নাগরিক উদ্যোগের নিয়মতান্ত্রিক সকল কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার সবিনয় অনুরোধ জানান সুজন। তিনি জনগনের প্রাপ্য হক আদায়ে জনপ্রতিনিধিগণকেও সোচ্চার হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।

নাগরিক উদ্যোগের অন্যতম উপদেষ্টা হাজী মোঃ ইলিয়াছ এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এস.এম.আবু তাহের, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন, নগর যুবলীগ যুগ্ম-আহবায়ক মাহবুবুল হক সুমন, নগর সৈনিক লীগ আহবায়ক শফিউল আজম বাহার, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, ডা. অঞ্জন দাশ, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, এজাহারুল হক, শেখ মামুনুর রশীদ, এ.এস.এম জাহিদ হোসেন, অনির্বাণ দাশ বাবু, সোলেমান সুমন, হারুন উর রশীদ, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ আলমগীর, সাইফুল্লাহ আনছারী, রকিবুল আলম সাজ্জী, আশিকুননবী চৌধুরী, মহানগর নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, সহ-সভাপতি নোমান চৌধুরী, মিনহাজুল আবেদীন সানী, ওমর ফারুক, শফিকুল আলম পারভেজ, ফয়সাল অভি, আরাফাত রুবেল, মোঃ ওয়াসিম, মোঃ বেলাল, হাসান হাবিব সেতু, মোঃ কাইয়ুম, সৈয়দ তৌহিদ, ফরহাদ সায়েম, শহীদুল আলম, রাকিবুল ইসলাম, মীর মোঃ ইমতিয়াজ, ফয়সাল সাব্বির, সৈয়দ ইবনে জামান ডায়মন্ড, আব্দুল্লাহ আল নোমান সাইফ, মোঃ আলী মিঠু, আরমান সাজিদ, আব্দুল হাবিব বাপ্পী, মিজানুর রহমান প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…