খুঁজুন
, ,

ইডিইউতে ‘ইন্টার্নশিপ রঁদেভূ’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 March, 2020, 1:21 am
ইডিইউতে ‘ইন্টার্নশিপ রঁদেভূ’

সাধারণত ভবিষ্যৎ কর্মজীবন নিয়ে শঙ্কিত ও সন্দিহান থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। যাদের চাকরিক্ষেত্রেই ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা থাকে, তাদের ভয় যেন আরো বেশি। এ ভয় কাটানোর অন্যতম উপায় হলো ইন্টার্নশিপ।

চাকরির আগেই কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার কিছুটা আঁচ পাওয়া যায় এতে। ইন্টার্নশিপ ও চাকরিতে প্রবেশের কঠিন পথ পাড়ি দিতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি নিয়মিত আয়োজন করছে ‘ইন্টার্নশিপ রঁদেভূ’ শিরোনামের কর্মশালা।

চলতি সেমিস্টারের কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায়। এতে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ধ্যান-ধারণার আলোকে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিনিয়র টেরিটরি ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ইডিইউর প্রাক্তন ছাত্র, বর্তমানে মাইডাস সেফটির মানবসম্পদ বিভাগে কর্মরত আবু শাহাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে প্রবেশের জন্য শিক্ষার্থীরা কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে তুলবে কর্মশালায় এ সংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিভি ও কভার লেটার লেখা থেকে শুরু করে জব ইন্টারভিউর নানা খুটিনাটি বিষয় এতে উঠে আসে।

বক্তারা বলেন, শিক্ষাজীবনেই নিজেকে গড়ে তুলতে হবে, প্রস্তুতি নিতে হবে ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার। পড়াশোনায় ভালো ফল অর্জনের পাশাপাশি নানা সামাজিক-সাংগঠনিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

ইন্টারভিউতে ঘাবড়ে না গিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত থাকার পরামর্শ দেন আলোচকদ্বয়। তারা বলেন, চাকরিতে প্রবেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ইন্টারভিউ।

ইন্টারভিউতে পজিটিভ থেকে চাকরিদাতাদের কাছে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। চাকরির ধরণ বুঝে নিজের প্রস্তুতি নিতে হবে।

ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, বিভিন্ন কর্মশালা-সেমিনার আয়োজনের পাশাপাশি ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট লিডারশিপ এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উন্নত দেশে নিয়ে যাচ্ছি আমরা, যাতে সেখানকার বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। যা পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানে ইডিইউ গ্র্যাজুয়েটদের অধিকতর সক্ষম করে তুলবে।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন ইডিইউর প্ল্যানিং এন্ড ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টর শাফায়েত কবির চৌধুরী।

তিনি বলেন, বর্তমানে চাকরির আগেই অভিজ্ঞতা অর্জন খুব জরুরি। এক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ একটি সুবর্ণ সুযোগ। এক্ষেত্রে সিভি ভালো হওয়ার পাশাপাশি কর্মপরিবেশ ও কর্মক্ষেত্র কেমন হবে, তা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া নিজের অপূর্ণতা ও সক্ষমতা সম্পর্কেও জানা যায় ইন্টার্নশিপে।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির নেটওয়ার্কিং এন্ড প্লেসমেন্ট সেলের কর্মকর্তাগণ। তারা গ্র্যাজুয়েটদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরিপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ করেন। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রামের প্রায় প্রতিটি বড় প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ইডিইউর গ্র্যাজুয়েটরা কর্মরত আছেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।