ইডিইউতে ‘ইন্টার্নশিপ রঁদেভূ’
সাধারণত ভবিষ্যৎ কর্মজীবন নিয়ে শঙ্কিত ও সন্দিহান থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। যাদের চাকরিক্ষেত্রেই ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা থাকে, তাদের ভয় যেন আরো বেশি। এ ভয় কাটানোর অন্যতম উপায় হলো ইন্টার্নশিপ।
চাকরির আগেই কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার কিছুটা আঁচ পাওয়া যায় এতে। ইন্টার্নশিপ ও চাকরিতে প্রবেশের কঠিন পথ পাড়ি দিতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি নিয়মিত আয়োজন করছে ‘ইন্টার্নশিপ রঁদেভূ’ শিরোনামের কর্মশালা।
চলতি সেমিস্টারের কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায়। এতে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ধ্যান-ধারণার আলোকে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিনিয়র টেরিটরি ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ইডিইউর প্রাক্তন ছাত্র, বর্তমানে মাইডাস সেফটির মানবসম্পদ বিভাগে কর্মরত আবু শাহাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে প্রবেশের জন্য শিক্ষার্থীরা কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে তুলবে কর্মশালায় এ সংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিভি ও কভার লেটার লেখা থেকে শুরু করে জব ইন্টারভিউর নানা খুটিনাটি বিষয় এতে উঠে আসে।
বক্তারা বলেন, শিক্ষাজীবনেই নিজেকে গড়ে তুলতে হবে, প্রস্তুতি নিতে হবে ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার। পড়াশোনায় ভালো ফল অর্জনের পাশাপাশি নানা সামাজিক-সাংগঠনিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
ইন্টারভিউতে ঘাবড়ে না গিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত থাকার পরামর্শ দেন আলোচকদ্বয়। তারা বলেন, চাকরিতে প্রবেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ইন্টারভিউ।
ইন্টারভিউতে পজিটিভ থেকে চাকরিদাতাদের কাছে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। চাকরির ধরণ বুঝে নিজের প্রস্তুতি নিতে হবে।
ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, বিভিন্ন কর্মশালা-সেমিনার আয়োজনের পাশাপাশি ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট লিডারশিপ এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উন্নত দেশে নিয়ে যাচ্ছি আমরা, যাতে সেখানকার বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। যা পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানে ইডিইউ গ্র্যাজুয়েটদের অধিকতর সক্ষম করে তুলবে।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন ইডিইউর প্ল্যানিং এন্ড ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টর শাফায়েত কবির চৌধুরী।
তিনি বলেন, বর্তমানে চাকরির আগেই অভিজ্ঞতা অর্জন খুব জরুরি। এক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ একটি সুবর্ণ সুযোগ। এক্ষেত্রে সিভি ভালো হওয়ার পাশাপাশি কর্মপরিবেশ ও কর্মক্ষেত্র কেমন হবে, তা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া নিজের অপূর্ণতা ও সক্ষমতা সম্পর্কেও জানা যায় ইন্টার্নশিপে।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির নেটওয়ার্কিং এন্ড প্লেসমেন্ট সেলের কর্মকর্তাগণ। তারা গ্র্যাজুয়েটদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরিপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ করেন। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রামের প্রায় প্রতিটি বড় প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ইডিইউর গ্র্যাজুয়েটরা কর্মরত আছেন।


আপনার মতামত লিখুন