খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পুকুর খনন শিখতে বিদেশ যাবেন ১০০ কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০, ৮:১০ পূর্বাহ্ণ
সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পুকুর খনন শিখতে বিদেশ যাবেন ১০০ কর্মকর্তা

এবার সরকারি ১০০ কর্মকর্তা পুকুর ও খাল উন্নয়ন শিখতে বিদেশ সফরে যাবেন। তাদের প্রশিক্ষণের নামে এ সফর বাবদ সরকারের ব্যয় হবে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

তবে অনুমোদিত মূল প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য ২৪ জনের কথা বলা ছিল। সেখানে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এখন নতুন করে ৭৬ জন কর্মকর্তা যোগ করার প্রস্তাব দেয়ায় বাড়তি ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া বাড়ছে পরামর্শকের সংখ্যা ও এ খাতের ব্যয়ও। সেইসঙ্গে নানা কারণে বাড়ছে প্রকল্পের মোট ব্যয়।

‘সারাদেশে পুকুর, খাল উন্নয়ন’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী প্রস্তাবে উঠে এসেছে এসব তথ্য। আগামী ৮ মার্চ এই প্রস্তাবের ওপর অনুষ্ঠিত হবে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা।

এতে সভাপতিত্ব করবেন কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. জাকির হোসেন আকন্দ। এর আগে ‘পুকুর পুনঃখনন ও ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সেচে ব্যবহার’ নামের একটি প্রকল্পে ১৬ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের ঘটনায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল।

জানতে চাইলে জাকির হোসেন আকন্দ মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, পিইসি সভায় এ বিষয়টি যুক্তিযুক্তভাবেই বিবেচনা করব। ‘নিড বেইজ’ চিন্তা করা হবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলেই সেই সংশ্লিষ্টদের বিদেশ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হবে। প্রয়োজন ছাড়া দেয়া হবে না।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা উইংয়ের প্রধান জয়েন্ট চিফ মহিউদ্দিন কাদরী জানান, বিষয়টি সেরকম নয়। শুধু যে পুকুর খনন বা খাল উন্নয়ন শিখতে বিদেশে প্রশিক্ষণে কর্মকর্তারা যাবেন তা নয়।

এ খাতে বরাদ্দ ধরা থাকলে দেশের জাতীয় স্বার্থে যেকোনো বিষয়ে ইঞ্জিনিয়াররা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে যাওয়ার দরকার হলে এখান থেকে টাকা খরচ করা যায়। সেই চিন্তা করেই বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

পিইসি সভার জন্য তৈরি করা কার্যপত্রে বলা হয়েছে,মূল প্রকল্পে ৫ জন পরামর্শকের জন্য ব্যয় ধরা ছিল ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা। কিন্তু প্রস্তাবিত সংশোধনীতে পরামর্শক সংখ্যা বাড়িয়ে ২৯ জন করা হয়েছে। এ খাতে ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যেটি মূল প্রকল্পের তুলনায় ৩৬ কোটি ২২ লাখ টাকা বেশি।

কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়, সারাদেশে পুকুর, খাল উন্নয়ন প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৩৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সেখান থেকে ৯১৯ কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে মোট ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ২ হাজার ২৫৪ কোটি ৬৯১ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে ব্যয় বাড়ছে ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই সঙ্গে মেয়াদও বাড়ছে এক বছর।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এখন প্রথম সংশোধনীতে প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। এটি ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয় দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)।

২০১৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাস্তব অগ্রগতি প্রায় ২ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে আরও কম ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ অবস্থায় প্রকল্পটির সশোধনীর ক্ষেত্রে বেশ কিছু কারণ তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-খাল বা পুকুর ডিজিটাল জরিপ ও ডাটা প্রসেসিংসহ আনুষঙ্গিক কার্যাবলি সমাপ্ত করতে মূল প্রকল্পে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও উপজেলা পর্যায়ে জনবলের অপ্রতুলতা।

এছাড়া খালগুলোর মূল এ্যালাইনমেন্ট পরিবর্তন, পুকুরের মালিকানা সংক্রান্ত সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই, হাইড্রোলিক ডিজাইন ও হাইড্রোলজিক্যাল বিষয়াদি, খনন করা মাটির পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল বা পরামর্শকের অভাব রয়েছে। আর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রকল্পে স্কিম ও নতুন অঙ্গ অন্তর্ভুক্তিসহ মূলধন ও রাজস্ব খাতে কিছু অঙ্গে পরিমাণ ও ব্যয় হ্রাস/বৃদ্ধির করা হচ্ছে। এসব কারণেই প্রকল্প ব্যয় ৬৮ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি করে প্রকল্পটি সংশোধন করা হচ্ছে।

পিইসি সভার কার্যপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় এর আওতায় পুকুর পুনঃখননের জন্য প্রস্তাবিত পুকুর/দিঘি/খালসমূহ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হবে না বলে জানানো হয়। এক্ষেত্রে মামলাবিহীন, ইজারাবিহীন বা বেদখল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় কোনো ধরনের জটিলতা হবে না বলে প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু এ পর্যায়ে এসে আবারও সেসব বিষয় প্রকল্প সংশোধনের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর দিঘিতে ৯৩৮টি ঘাটলা নির্মাণ বা মেরামতের লক্ষ্য নেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত বছরের জুন পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে মাত্র ১৬টি ঘাটলা।

এ অবস্থায় প্রথম সংশোধনীতে ৯৩৮টি ঘাটলার অতিরিক্ত ১ হাজার ৫৬২টি ঘাটলা নির্মাণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। ফলে মোট ঘাটলার সংখ্যা হবে ২ হাজার ৫শটি। এছাড়া পথচারী বা যানবাহন পারাপারে ২ হাজার ৪শ’ মিটার ক্ষুদ্রাকার সেতু বা ওভারপাস নির্মাণ কার্যক্রম নতুনভাবে যোগ করে এ খাতে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। এসব আইটেমের পরিমাণ ও ব্যয় যৌক্তিকভাবে পুনঃনির্ধারণ করতে হবে।

পরিকল্পনা কমিশন আরও বলেছে, এর আগে জেলা পরিষদের আওতায় ১ হাজার ৭০০টি পুকুর শনাক্ত করা হয়েছে। সেগুলোর ব্যবহার উপযোগিতা বৃদ্ধির জন্য নিম, সুপারি,তাল ও নারিকেলসহ বিভিন্ন বৃক্ষ রোপণের জন্য একনেকের নির্দেশনা ছিল।

কিন্তু সংশোধনের জন্য প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের আওতায় পৌর এলাকার খাল, পুকুর, দিঘির পাড়ে ওয়ার্কওয়ে, সিটিং, পার্কিং ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধাদি প্রদান অর্থাৎ সৌন্দর্য বর্ধন কার্যক্রম নতুনভাবে যোগ করা হয়েছে। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৫ কোটি টাকা।

বাদ দেয়া হয়েছে বৃক্ষ রোপণের প্রস্তাব, যা গ্রহণযোগ্য নয়। আরও বিভিন্ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। পিইসি সভায় প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানান কমিশনের কর্মকর্তারা।

Feb2

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অস্থির গোটা বিশ্বের জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম মধ্যরাত (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে‌ হামলা চালানোর পর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। এ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়ে হরমুজ প্রণালিতে। এই প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত কিছুদিন ধরেই যানবাহনের ভিড়। মানুষের অভিযোগ চাহিদা মত তারা জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ জ্বালানি তেল মজুত করছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে এরই মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবে না।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত।

তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।

একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।

ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

 

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। গতকাল ১৭ এপ্রিল এই দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকারের এই ৬০ দিনের পথচলাকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ৬০টি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এসব সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

লিখিত বক্তব্যে মাহাদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে একে নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি ‘আন্তর্জাতিক রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সুরক্ষা দিতে সরকারের বড় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

বেকারত্ব নিরসন ও প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি শূন্য পদ পূরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মাহাদী আমিন জানান, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।