খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বহদ্দারহাট কাচাঁবাজার পরিদর্শন করলেন চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
বহদ্দারহাট কাচাঁবাজার পরিদর্শন করলেন চসিক মেয়র

আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত নগরীর বহদ্দারহাট কাচাঁবাজার পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন।

পরিদর্শনকালে সিটি মেয়র বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের সাথে কাচাবাজারের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন।

তিনি বলেন বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার একটি সুপরিচিত বাজার এবং জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধায় নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতাসাধারণ ছুটে আসে এ বাজারে। তারই প্রেক্ষিতে বাজারটিকে বহুতল ভবন বিশিষ্ট আধুনিক কিচেন মার্কেটে রুপান্তরের উদ্যোগ গ্রহন করে চসিক। এ লক্ষে কাঁচাবাজারের ভবন নির্মাণ ও বাজারের রাস্তা, ফুটপাত ড্রেনের উন্নয়নের জন্য সাড়ে ৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে চসিক। বর্তমানে বাজারটিকে বহুতল বিশিষ্ট আধুনিক কিচেন মার্কেটে রূপান্তরসহ রাস্তাঘাট, ড্রেন ও ফুটপাতের কাজ চলমান রয়েছে।

সিটি মেয়র বাজারের বিভিন্ন ভবন পরিদর্শনকালে ভাসমান ব্যবসায়ীরা রাস্তা ও ফুটপাত ব্যবহারের অনুমতি প্রার্থণা করেন। এ ব্যাপারে সিটি মেয়র চলমান রাস্তা, ফুটপাত ও ড্রেনের কাজ যথাসময়ে শেষ করার জন্য ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে বলেন, চলমান কাজ শেষ হলে ভাসমান ব্যবসায়ীদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। এ প্রসঙ্গে ভাসমান ব্যবসায়ীদের বাজার শেষে তাদের নিজ দায়িত্বে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার তাগাদা দেন মেয়র। তিনি এ বিষয়ে বাজার কমিটিকে কঠোর নজরদারী করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

মেয়র বাজার পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত নির্মাণাধীন দু’টি ভবনের নির্মাণ কাজ সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। শিঘ্রই এ দু’টি ভবনের কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এরপর সিটি মেয়র বহদ্দারহাট কাচাঁবাজারে অবস্থিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাজস্ব সার্কেল-২ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং রাজস্ব আদায় সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে খোজখবর নেন।

তিনি রাজস্ব আদায়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরো বেশি যত্নবান হওয়ার তাগিদ দেন।

জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলাপকালে সিটি মেয়র বলেন, নগরীতে জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। অতীতের সড়ক, নালা নর্দমাসহ সব কিছুই আগের অবস্থায় আছে। অন্যদিকে নালা-নর্দমাগুলোতে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে ভরাট ও বেদখল হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নগরীর নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়ে। তাই গৃহস্থলী ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে নগরীবাসীকে সিটি কর্পোরেশনের সেবকদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান মেয়র।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্নেল সোহেল আহমেদ, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাসেম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, ভূসম্পদ কর্মকর্তা মো.এখলাস উদ্দিন আহমদ, কর কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, উপ কর কর্মকর্তা আবদুল মজিদ, উপ সহকারী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান, যুবলীগ নেতা ওয়াহিদু আলম শিমুল, বহদ্দারহাট বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ঈসা, সাধারণ সম্পাদক তছকির আহমেদ, বদিউল আলম, হাজী জানে আলম,ফয়সাল বাপ্পী,মোজাম্মেল হক ও ব্যবসায়ীসহ বিপুল সংখ্যক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…